তারা বলেন, ‘ওসমান হাদির হত্যাকান্ডের পরপরই পিটিয়ে খুন করা হয় দীপু দাস নামে এক যুবককে হত্যা, খোকন দাসকে গায়ে আগুন ধরিয়ে খুন করা, রানা প্রতাপ বৈরাগীর হত্যাকান্ড রাষ্ট্র ও সমাজের জন্য স্থিতিশীলতার জন্য প্রচন্ড হুমকি। এসকল এই হত্যাকান্ড গুলি অবশ্যই রহস্যজনক। এসব ঘটনায় সারা দেশের সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠী ভবিষ্যতের অজানা আশঙ্কায় ভীত হয়ে পড়েছে।’
নেতৃদ্বয় বলেন, ‘খোকন দাস, অমৃত মন্ডলের নির্মম হত্যাকান্ডের রেশ কাটতে না কাটতেই নরসিংদীর পলাশে মনি চক্রবর্তী নামক এক মুদি দোকানিকে খুন করা, হবিগঞ্জে পুকুর থেকে কামদেব দাস নামে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার, যশোরে বরফকল ব্যবসায়ী রানা প্রতাপ বৈরাগীর হত্যার ঘটনা সুযোগসন্ধানী ও সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলো অপতৎপরতা বলেই প্রতিয়মান হচ্ছে।’
তারা বলেন, ‘নির্বাচনের প্রাক্কালে এসব ধারাবাহিক ঘটনা নারী ও হিন্দু ধর্মাবলম্বী জনগণের মনে গভীর ভীতি তৈরি করছে, যা সুষ্ঠু নির্বাচনী পরিবেশকে চরমভাবে বাধাগ্রস্থ করার পরিবেশ সৃষ্টি করছে। এসব ঘটনায় দেশবাসী আশংকা প্রকাশ করছে যে, সরকার স্বাভাবিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিও বজায় রাখতে ব্যর্থতার পরিচয় দিচ্ছে।’
বাংলাদেশ ন্যাপ সনাতন ধর্মাবলম্বী দীপু, খোকন, অমৃত মন্ডল, মনি, কামদেব, রানা প্রতাপসহ সকল হত্যাকান্ডের সাথে জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক বিচারের দাবি জানিয়ে ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে সরকারকে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান।




