১. বিশেষ কোটা ও অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সরবরাহ: মাছ ধরার ট্রলারগুলোকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ডিজেল সরবরাহের ব্যবস্থা করতে হবে। উপজেলা বা জেলা মৎস্য কার্যালয় থেকে তালিকা করে সরাসরি পাম্প থেকে জ্বালানি নিশ্চিত করা যেতে পারে।
২. তদারকি ও সিন্ডিকেট দমন: জ্বালানি পাম্পগুলোতে মনিটরিং জোরদার করতে হবে যাতে কেউ তেল মজুদ বা কৃত্রিম সংকট তৈরি করতে না পারে। নির্ধারিত মূল্যে তেল সরবরাহ নিশ্চিত করতে প্রশাসনের নজরদারি প্রয়োজন।
৩. ভর্তুকি প্রদান: ডিজেলের দামের ঊর্ধ্বগতির কারণে ট্রলার মালিকরা বিপাকে পড়েছেন। সরকার থেকে বিশেষ ভর্তুকি বা ন্যায্যমূল্যে জ্বালানি তেল সরবরাহ করা হলে জেলেরা কিছুটা স্বস্তি পাবেন।
৪. বিকল্প জ্বালানি ব্যবহার: ছোট ট্রলার বা নৌকার জন্য সোলার প্যানেল বা ব্যাটারি চালিত ইঞ্জিন ব্যবহারে উৎসাহিত করা যেতে পারে।
৫. পেশাগত তালিকা হালনাগাদ: প্রকৃত জেলেদের কাছে যাতে জ্বালানি সুবিধা পৌঁছায়, সেজন্য কার্ডধারী জেলেদের তালিকা নিয়মিত হালনাগাদ করা।
বজলুর রহমান বাবলু বলেন, উপকূলীয় অর্থনীতি এবং প্রোটিনের চাহিদা মেটাতে মাছ ধরার ট্রলারগুলোর জন্য নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি। সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, ক্ষুদ্র মৎস্যজীবী জেলে সমিতির সাধারণ সম্পাদক শাহজাহান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গিয়াস উদ্দিন, মুক্তার হোসেন, আক্তার হোসেন, হামিদ সরকার, ইব্রাহীম খলিল, মিজান ফকির, রকিব উদ্দিন নয়ন, সেলিম বেপারী, মোঃ ইলিয়াস প্রমুখ।




