পঞ্চগড় দুই মাথা নিয়ে এক নবজাতক শিশু জন্মগ্রহণ করেছে। গতকাল মঙ্গলবার (১৩ মে) সকালে পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে শিশুটি জন্মগ্রহণ করে।
জন্মের পর শিশুটির অবস্থা কিছুটা অবনতি হওয়ায় তাঁকে শিশু পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে রাখা হয়।
আজ দুপুর সোয়া ১টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিশুটি মারা যায়।
এদিকে, দুই মাথার শিশুর জন্মের খবরটি হাসপাতালে ছড়িয়ে পড়লে নবজাতক শিশুটিকে এক ঝলক দেখতে হাসপাতালের গাইনি ওয়ার্ডে উৎসুক জনতার ভিড় জমে যায়।
জানা যায়, পঞ্চগড় সদর উপজেলার ভিতরগড় প্রধানপাড়া এলাকার চাপাতা শ্রমিক মাজেদুল ইসলামের স্ত্রী মোছা. সুরভী আক্তার শিশুটির জন্ম দেন। এই দম্পতির এটিই প্রথম সন্তান।
নবজাতক শিশুটির বাবা মাজেদুর জানান, আমার স্ত্রীকে নিয়ে যখন আল্ট্রাসনোগ্রাম করছিলাম তখন ডাক্তার বলেছিলো জমজ সন্তান হবে। গত শনিবারে আমার স্ত্রীকে হাসপাতালে ভর্তি করাই।
নবজাতক শিশুটির বাবা মাজেদুর জানান, আমার স্ত্রীকে নিয়ে যখন আল্ট্রাসনোগ্রাম করছিলাম তখন ডাক্তার বলেছিলো জমজ সন্তান হবে। গত শনিবারে আমার স্ত্রীকে হাসপাতালে ভর্তি করাই।
মঙ্গলবার (১৩ মে) স্ত্রীর অস্ত্র পাচারের মাধ্যমে দুই মাথাওয়ালা এক ছেলেশিশুর জন্ম হয়। দুটি মাথা বাদে শিশুটির দুটি হাত, দুটি পাসহ অন্য অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ স্বাভাবিক আছে।পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালের ডাক্তার নাসরিন পারভীন বলেন, আমাদের হাসপাতালে এগারোটা থেকে সাড়ে এগারোটা পর্যন্ত আমরা একটা সাজারিয়ান সেকশন সম্পূর্ণ করেছি। কনজয়েনড টুইন পেয়েছি। বাবুর মাথা দুইটা কিন্তু বডি একটাই।
টুইন প্রেগন্যান্সির কারণে এক হাজার বাচ্চার মধ্যে একটা বাচ্চা এমন হতে পারে। শিশুটিকে চিকিৎসার জন্য স্কিন ওয়ার্ডে রেখেছি। মা ভালো আছে। হাসপাতালের শিশু বিশেষজ্ঞ ডাক্তার আবু সায়েম বলেন, আপাতত শিশুটির হার্ট চলমান আছে। কিন্তু শ্বাস নিচ্ছেন না । আমরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছি।
হাসপাতালের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার (আরএমও) আবুল কাশেম শিশুটির মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, শিশুটি অবস্থা ক্রিটিক্যালসহ মায়ের পেটে ময়লা খাওয়ায় অসুস্থ্য হয়ে পড়ে। জন্মের পর আমরা পরীক্ষায় রেখেছি। এরপরে প্রায় সোয়া ১টার দিকে শিশুটি মারা যায়।




