আমিরুল ইসলাম কবির,গাইবান্ধা-¤
গাইবান্ধা পলাশবাড়ী উপজেলায় পল্লীতে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে জোরপূর্বক জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ঘটেছে পলাশবাড়ী উপজেলার ১নং কিশোরগাড়ী ইউনিয়নের প্রজাপাড়া গ্রামে।
ওই এলাকার মৃত জায়দাল হকের ছেলে করিম মিয়া (৪৫) পার্শ্ববর্তী সুলতানপুর বাড়াইপাড়া গ্রামের মৃত ভোলা শেখের ছেলে ছাত্তার মিয়া (৫৫) সহ দশ জন ও অজ্ঞাতনামা ৩০/৩৫ জনের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ করেন।
সরেজমিন ও এজাহার সূত্রে জানা গেছে, করিম মিয়া পৈত্রিক সম্পত্তি মূলে দীর্ঘ ৩০ বছর যাবত তার বসতবাড়িতে বসবাস করে আসছেন।
অপরদিকে জমিজমা সংক্রান্ত বিষয়াদি নিয়ে প্রতিপক্ষ ছাত্তার গং-দের সাথে মামলা মোকদ্দমা চলে আসছে।
এরই প্রেক্ষিতে ২১ ডিসেম্বর রবিবার সকালে ছাত্তার গং-রা জমিদখল ছাড়াও ভুক্তভোগী করিম মিয়াকে ভিটেমাটি ছাড়া করে প্রাণনাশের হুমকি দেয় বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়।
এজাহার সূত্রে প্রকাশ, প্রজাপাড়া মৌজার দাগ নং ৭৭১১,৯৪ পৈতৃক সূত্রে পাওয়া করিম মিয়া নিজস্ব বসত বাড়িতে বিভিন্ন ফলদ গাছ রোপণ করে ওই জমি দীর্ঘ ৩০ বছর যাবত ভোগ দখল করে আসছিলেন।
রোববার সকালে প্রতিপক্ষ ছাত্তার মিয়ার নেতৃত্বে ৫০/৬০ জনের একটি দল ওই জমি দখলের জন্য ঘটনাস্থলে গিয়ে করিম মিয়া ও তার ছোট ভাই আশরাফুলের বসবাস করা ৫টি টিনসেড ঘর,আসবাবপত্র ভাঙচুর করে মাটিতে মিশিয়ে দেয় এবং রোপণকৃত গাছগাছালি বেড়া উপড়ে ফেলেন। এমতাবস্থায় দখলদার বাহিনীর হাতে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র দেখে প্রাণনাশের ভয়ে পালিয়ে বাঁচতে সক্ষম হয় করিম মিয়া।
এ বিষয়ে ভূক্তভোগী করিম মিয়া বলেন, পৈত্রিক সূত্রে ওই জমির মালিক আমি। ছাত্তার গং প্রভাবশালী হওয়ায় পেশী শক্তি ব্যবহার করে জোরপূর্বক আমার জমি দখল করেছেন।
আবার তিনি ইতিপূর্বেও আমার বিরুদ্ধে আদালতে, থানায় মিথ্যা হয়রানি মূলক অভিযোগও দায়ের করা সহ মামলা তুলে নেয়ার হুমকি ধামকি এমনকি আমার উপর একাধিকবার হামলা চালিয়েছেন।
এ ব্যাপারে জমি দখল করতে আসা বেশ ক’জন এজাজভুক্ত আসামির সাথে কথা বললে তারা জানায়,আমরা দীর্ঘদিন যাবত মামলা মোকদ্দমা এমনকি সালিশের মাধ্যমে করিম মিয়াকে অবগত করার পরও সে আমাদের কথায় গুরুত্ব না দেয়ায় আমরা এমন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি।




