পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলায় সীমান্ত এলাকা দিয়ে ভারত থেকে বিএসএফের পুশইন করা অনুপ্রবেশের সময় নারী-শিশু সহ ১১ জন বাংলাদেশীকে আটক করেছে বিজিবি।
গতকাল শুক্রবার দিবাগত রাত থেকে শনিবার দুপুর পর্যন্ত উপজেলার বড়শশী ইউনিয়নের মালকাডাঙ্গা ও কাজলদিঘী কালিয়াগঞ্জ ইউনিয়নের ডানাকাটা সীমান্ত এলাকায় পুশইন করা হয়।
শনিবার বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বোদা থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আজিম উদ্দীন।
আটককৃতরা হলেন, সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার বাগবাটি গ্রামের তাসলিমা খাতুন (৪০), কলারোয়া উপজেলার চিতলা গ্রামের মর্জিনা (৪০), নড়াইলের কালিয়া উপজেলার শুক্র গ্রামের নিরুফা বেগম (৪০), যশোরের শার্শা উপজেলার রাজাপুর গ্রামের সাজিদা খাতুন (৪০), ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার আটরশি গ্রামের জাহিদুল ইসলাম (৪০), একই গ্রামের ফাইজান শেখ (১০), নোয়াখালীর শ্যামবাগ উপজেলার ডোমনাকান্তি গ্রামের ওমর ফারুক (৩৭), নারায়নগঞ্জের বন্দর উপজেলার মদনপুর গ্রামের মীম আক্তার (২২), সোনারগাঁও উপজেলার চৌরাপাড়া গ্রামের শাহনাজ (৩৪), নরসিংদীর মাদবদী উপজেলার বালাপুরেরচর গ্রামের তানিয়া (৩৫) ও খুলনার তেরখাদা উপজেলার বাউনডাংগা গ্রামের আলেয়া (৭০)।
বিজিবি জানায়, ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী তাদের ১১ জনকে পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলার মালকাডাঙ্গা ও ডানাকাটা সীমান্ত সীমান্ত দিয়ে ভারত থেকে বাংলাদেশে পুশইন করে। স্থানীয়রা তাদের সীমান্ত এলাকায় ঘুরতে দেখে স্থানীয়রা পরে বিজিবি ক্যাম্পে অবগত করলে বিজিবি সদস্যরা তাদের আটক করে।
এসময় তাঁদের বিজিবি ক্যাম্পে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। দীর্ঘদিন যাবৎ ভারতের অভ্যন্তরে অবৈধভাবে অবস্থান করে কাজ করে আসছিলেন তারা। গত ২ মে ভারতীয় পুলিশ তাদেরকে ভারতের বোম্বে থেকে আটক করে। ১৭ মে পর্যন্ত পুলিশি হেফাজতে রেখে বিমান যোগে বাংলাদেশী মোট ১২৫ জনকে শিলিগুড়ী বিমান বন্দরে পৌঁছে দেয়। পরে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী তাদের মধ্যে ১১ জনকে পঞ্চগড়ে পুশইন করে বলে জানা গেছে। এদিকে এ ঘটনায় বোদা থানায় হস্তান্তর করা সহ আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
বোদা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আজিম উদ্দীন জানান, সীমান্ত এলাকা থেকে ১১ জনকে আটক করে বিজিবি বোদা থানায় সোপর্দ করেছে। বিজিবি বাদী হয়ে মামলা দায়ের করার পর আটককৃতদের জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।




