তিনি বলেন, রাজনীতিবিদদের উচিত মওলানার জীবন এবং দর্শনকে ভালোভাবে স্টাডি করা,যুবসমাজের মাঝে মওলানা ভাসানীর আদর্শ এবং চিন্তা চেতনাকে উপস্থাপন করা।মাওলানা ভাসানী যুদ্ধকালীন সময় প্রবাসী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের প্রধান উপদেষ্টা ছিলেন। মওলানা ভাসানীর সভাপতিত্বে ৮ সেপ্টেম্বর ১৯৭১ সালে ভারতে উপদেষ্টা পরিষদের মিটিং হয়। সেই মিটিংএর সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মওলানা ভাসানী বিভিন্ন রাষ্ট প্রধানের কাছে স্বাধীন বাংলাদেশের স্বীকৃতি চেয়ে পত্র লেখেন।ভাসানীকে ইন্ডিয়া সরকার গৃহবন্দি করে রেখেছিলেন। তিনি মুক্ত অবস্থায় থাকলে বাংলাদের রাজনীতির ইতিহাস অন্যরকম হোত। তিনি সবাইকে মওলানা ভাসানীর সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন করার আহ্বান জানান।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বিএনপি’র উপদেষ্টা এবং বিশিষ্ট কলামিস্ট এড. নজমুল হক নান্নু বলেন, মওলানা ভাসানী ছিলেন নিজেই একটি প্রতিষ্ঠান, তার চিন্তা দর্শন কর্মকাণ্ড সম্পূর্ণরূপে স্বতন্ত্র, তার সাথে অন্য কারো তুলনা চলে না। তিনি নিজেই নিজের তুলনা। মওলানা ভাসানী গ্রামের মানুষের বিশেষ করে কৃষকদের ভাগ্য উন্নয়নের জন্য জীবন লড়াই সংগ্রাম করেছেন বিলাসিতা কখনো তাকে স্পর্শ করেনি তিনি ছিলেন অত্যন্ত আতিথিয়পরায়ণ টাঙ্গাইলের সন্তোষে তার কুড়ে ঘরে দেশি এবং বিদেশি অতিথিরা হাজির হতো, সবাইকে তিনি স্বাভাবিক রান্নাবান্না করা খাবার দিয়েই আতিথিয়তা করতেন।স্বাধীনতা যুদ্ধকালীন সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের তিনি প্রধান উপদেষ্টা ছিলেন। সে সময় তিনিই একমাত্র আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন রাজনীতিবিদ ছিলেন যাকে সমগ্র বিশ্বের নেতৃবৃন্দ চিনতেন। মওলানা ভাসানীকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার স্বীকৃতির জন্য বিভিন্ন রাষ্ট্রের প্রধানদের কাছে পত্র পাঠাতে হয়েছে এবং সমর্থন চাইতে হয়েছে। ইন্ডিয়া সরকারের নিকট গৃহবন্দী থেকে মুক্ত হয়ে ২২ শে জানুয়ারী দেশে ফিরেন।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বিএনপির উপদেষ্টা মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল বলেন, মওলানা ভাসানী ছিলেন বাংলাদেশের স্বাধীনতার স্বপ্নদ্রষ্টা ছিলেন মাওলানা ভাসানী। মওলানা ভাসানীর হাতেগড়া নেতা শেখ মুজিবুর রহমান মওলানা ভাসানী যথাযোগ্য মর্যদা দিতে ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছিলেন।
সভাপতির বক্তব্যে শেখ রফিকুল ইসলাম বাবলু বলেন, স্বাধীনতার ৫৪বছর পরেও আমরা মওলানা ভাসানীর কাঙ্খিত বাংলাদেশ গড়তে পারিনি। জাতীয় ঐক্যমত্য কমিশনে আমরা যে সংস্কার প্রস্তাব তৈরী এবং স্বাক্ষর করেছি, আগামী নির্বাচনে গণভোটে হ্যাঁ জয়যুক্ত করতেই হবে। গণভোটে হ্যাঁ জয়যুক্ত হলে মওলানা ভাসানীর কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়া সম্ভব হবে। স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ গড়তে হলে তার আদর্শ ধারন করতে হবে।




