সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন, পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি কমরেড ডাঃ এম এ সামাদ, সমাবেশ সঞ্চালনা করেন কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য কমরেড শাহীন আহমেদ।
বিক্ষোভ সমাবেশে সভাপতির বক্তব্য কমরেড সামাদ বলেন, আমরা ডঃ ইউনুস এর সরকারকে বলতে চাই চট্টগ্রাম বন্দর দেশের কৌশলত গুরুত্বপূর্ণ জায়গা। সেখানে মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ ঘাঁটি গাড়তে চায়। সেই ঘাঁটি গাড়ার অন্যতম পদক্ষেপ বন্দর ইজারা দেওয়া। আর এই বন্দর ইজারা দেওয়ার এখতিয়ার অন্তর্বর্তী সরকারের নেই।
কমরেড সামাদ আরও বলেন চট্টগ্রামের লালদিয়ায় টার্মিনাল নির্মাণে এবং ঢাকার কেরানীগঞ্জের পানগাঁও নৌ টার্মিনাল ইজারা দেওয়ার চুক্তি সহ সকল চুক্তি বাতিল করতে হবে ‘আমাদের বন্দর একটা স্ট্র্যাটেজিক্যাল (কৌশলগত) জায়গা। এটা লিজ (ইজারা) দেওয়ার কোনো এখতিয়ার অন্তর্বর্তী সরকারের নেই।নির্বাচিত সরকার ছাড়া।
তিনি আরও বলেন, ‘ইন্টেরিম (অন্তর্বর্তী) সরকারে মোট ১৭ জন বিদেশি নাগরিক দায়ীত্ব পালন করছে এদের কোন দেশপ্রেম নেই।
কমরেড সামাদ অবিলম্বে সকল চুক্তি বাতিল করার দাবি জানিয়ে সরকার চুক্তি থেকে সরে না এলে হরতাল, অবরোধের মতো কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করে দাবি আদায় করা হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন।
সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন, কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক কমরেড সাহিদুর রহমান, কেন্দ্রীয় সদস্য মুফতি তালেবুল ইসলাম, কমরেড শাহীন আহমেদ, কমরেড তারেক ইসলাম বিডি, কমরেড এলিজা রহমান প্রমুখ।
সমাবেশ শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল প্রেসক্লাব পল্টন মোড় হয়ে শিশু কল্যান ভবনে পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে গিয়ে শেষ হয়।




