শ্রদ্ধাঞ্জলিতে রানা প্লাজার আহত শ্রমিক নিলুফা ইয়াসমিনের নেতৃত্বে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, ন্যাশনাল ওয়ার্কার্স ইউনিটি সেন্টার ও গ্রীণ বাংলা গার্মেন্টস ওয়ার্কার্স ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সভাপতি সুলতানা বেগম, সাধারণ সম্পাদক মোঃ ইলিয়াস, যুগ্ম সম্পাদক ও নারী কমিটির সভাপতি রোজিনা আক্তার সুমি, দপ্তর সম্পাদক ও নারী কমিটির সাধারন সম্পাদক আমরিন হোসাইন এ্যানি, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ইউসুফ শেখ, প্রচার সম্পাদক মোঃ তাহেরুল ইসলাম, কেন্দ্রীয় কার্যকরি সদস্য সেলিনা হোসাইন প্রমুখ।
নেতৃবৃন্দ বলেন, ১৯৯০ সালে মিরপুরের সারাকা গার্মেন্টসে অগ্নিকান্ডের মধ্যে দিয়ে জীবিকার জন্য জীবন হারানোর যে মিছিল শুরু হয়ে ছিল, বিচারহীনতা আর দায়িত্বহীনতার কারণে তা অব্যাহত ভাবে চলছিল। ২০১২ সালে তাজরিন অগ্নিকান্ড ১১২ জনের মৃত্যু, তার কয়েক মাস পরে ২০১৩ সালে রানা প্লাজা ধসে মূহুর্তে ১১৩৬ জন শ্রমিকের দেহ লাশে পরিণত হওয়ার মত ঘটনার পরে রাষ্ট্রের দায়িত্বশীল ভুমিকা আমরা প্রত্যাশা করেছিলাম।




