মহসিন রেজা,শরীয়তপুর-♦♦
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের একান্ত সচিব, শরীয়তপুর-৩ আসনের ধানের শীষ প্রতীকের সম্ভাব্য প্রার্থী মিয়া নুর-উদ্দিন আহাম্মেদ অপু তাঁর নিজ জেলা শরীয়তপুরে আগমন উপলক্ষে জাজিরার নাওডোবা থেকে গোসাইরহাট উপজেলায় যাওয়া পর্যন্ত বিভিন্ন জায়গায় দাঁড়িয়ে নেতা কর্মীরা তাঁকে ফুলেল শুভেচছা জানায়।
এসময় তাঁর সাথে ছিলেন, জেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক, সাবেক এমপি সরদার একেএম নাসির উদ্দীন কালু ও শরীয়তপুর-১ আসনের সম্ভাব্য ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী সাইদ আহমেদ আসলাম।
মিয়া নূর-উদ্দিন আহাম্মেদ অপু ফ্যাসিস সরকারের আমল ২০১৮ নির্বাচনে শরীয়তপুর-৩ আসনে ধানের শীষ প্রতীকে প্রার্থী হওয়ায়, তাঁর উপরে ব্যাপক হামলা চালায় আওয়ামী সন্ত্রাসীরা, পরবর্তীতে তাকে নেতাকর্মীরা ঢাকায় নিয়ে চিকিৎসা দেয়, চিকিৎসাধীন অবস্থায় ফ্যাসিস্ট পুলিশ মিয়া নূর-উদ্দিন আহম্মেদ অপুকে মিথ্যা গ্রেপ্তার করে।
সে মামলায় তিনি দীর্ঘ দিন কারাভোগ করেন, তাঁর পর দীর্ঘ ৭ বছর শরীয়তপুরে আসা হয়নি। শরীয়তপুরে সফর সময়ে শরীয়তপুর-১ আসনের ধানের শীষের কান্ডারি হিসেবে সাইদ আহমেদ আসলামকে পরিচয় করিয়ে দেন মিয়া নূর-উদ্দিন আহাম্মেদ অপু, তার নেতৃত্বে ব্যাপক গণসংযোগ ও পথসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার ৩০ অক্টোবর দিনব্যাপী তিনি জেলার বিভিন্ন এলাকায় স্থানীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময়, পথসভা ও গণসংযোগে অংশ নেন।
পথসভায় মিয়া নুরুদ্দিন অপু বলেন, “দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও মানুষের ভোটের অধিকার ফিরিয়ে আনতে বিএনপির প্রতিটি নেতাকর্মীকে মাঠে থাকতে হবে। বর্তমান সরকারের দমননীতি ও জনগণের কণ্ঠরোধের বিরুদ্ধে আমাদের আন্দোলন চলবে।
তিনি আরও বলেন, “জনগণের অধিকার ফিরিয়ে আনার আন্দোলনে শরীয়তপুরবাসী ঐক্যবদ্ধ। বিএনপি জনগণের ভোটাধিকার পুনরুদ্ধারে শান্তিপূর্ণ গণআন্দোলন চালিয়ে যাবে।
এ সময় জেলা ও উপজেলা বিএনপি, কৃষকদল যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল এবং ছাত্রদলের অসংখ্য নেতা-কর্মী উপস্থিত ছিলেন।
বক্তারা বলেন, দলীয় ঐক্য ও জনসম্পৃক্ততাই গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার মূল শক্তি। স্থানীয় নেতাকর্মীরা জানান, দীর্ঘদিন পর কোনো কেন্দ্রীয় নেতার এমন সরাসরি গণসংযোগে কর্মীদের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়েছে, এছাড়া বিএনপির সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা রাজনৈতিক প্রাণ ফিরে পেয়েছে।




