ইফতিয়ার আহমেদ পুলক, সোনারগাঁও-♦♦
সোনারগাঁও উপজেলার কাঁচপুর সোনাপুর সড়কে একটুখানি বৃষ্টির পানিতে প্রায় ১০ লাখ মানুষের জনদুর্ভোগ চরমে পৌঁছে গেছে।
রবিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দিনব্যাপী সোনাপুর সড়কের বেহাকৈর থেকে কাজীপাড়া এলাকায় একটু খানি বৃষ্টির পানিতেই জমে থাকে হাঁটু পরিমাণ পানি। এ এলাকায় নেই কোন পয়নিষ্কাষন ও রাস্তার পাশে নেই কোন ড্রেনেসের ব্যবস্থা। তেমনি রয়েছে এ এলাকায় লাখ লাখ বহুতল ঘনবসতি। এবং বাড়ির মালিকদেরও নেই কোন উদ্যোগ এবং মাথাব্যথা।
এ সকল বাড়ির এলাকায় খোঁজ খবর নিয়ে জানা গেছে, বহুতল ভবনের বাড়ির ভাড়াটিয়া ব্যবসা অনেকগুন রয়েছে, তবে আগের তুলনায় ভাড়াটিয়া ব্যবসা কিছুটা মন্দা হওয়ার কারণ ঐতিহ্যবাহী সিনহা গার্মেন্টসটি বন্ধ থাকায়। আবার নতুন নতুন ইন্ডাস্ট্রিয়াল গড়ে উঠার চিত্র লক্ষ্যে করা গেছে। সুতরাং এখনো এসকল এলাকায় হাজার হাজার বসতি দেখা গেছে।
কাজেই পথচারীদের দুর্ভোগের চিত্র লক্ষ্যে করা গেলেও প্রতিদিনের ন্যায় তাঁদের দুর্ভোগের শেষ থাকে না। এ পথ দিয়েই অফিসের কর্মমূখি এবং অফিস শেষে নিজ গন্তব্যবে পৌঁছে যেতে হয় শ্রমমূখি মানুষের। এধরনের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগের চিত্র লক্ষ্যে করা গেলেও, উন্নয়নের ছোঁয়া মেলেনি কোন জনপ্রতিনিধির আমলে।
এবিষয়ে রাস্তার পাশে থাকা অনেক ব্যবসায়ী এবং পথচারী দু:খ, দুর্দশার কথা সকালের কাগজ’কে জানান, আমরা এই এলাকায় অনেক কষ্টের সাথে বসবাস করি, একটু বৃষ্টির পানি হলেই সব তলিয়ে যায়। রাস্তার পাশে ড্রেনেস ব্যবস্থা না থাকায়, বৃষ্টি ছাড়াও প্রতি শুক্রবার এলেই বাড়ির মানুষের ব্যবহারিত পানি এসে রাস্তা তলিয়ে যায়। এমন জনদুর্ভোগের পরিস্থিতি যা এলাকার মেম্বার ও চেয়ারম্যান তারাও বিষয়টি আমলে নেন না। যার কারণে কাঁচপুরবাসীর দুর্ভোগের শেষ নেই।
এবিষয়ে কাঁচপুর ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান শাহ আলম সকালের কাগজ’কে জানান, আমি বিষয়টি আমলে নিয়েছি, সোনাপুর সড়কের পাশে রাস্তার ড্রেনেসের ব্যবস্থা হলে, এই ড্রেনেসের উপরের স্ল্যাব দিয়ে মানুষ সুষ্ঠু ভাবে গন্তব্য ফিরতে পারবে।
নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক ও সোনারগাঁও উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তার সাথে একাধিক বার মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও সাড়া মেলেনি।




