গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০১৩ এবং ইট প্রস্তুত ভাটা স্থাপন নিয়ন্ত্রণ (সংশোধন আইন) ২০১৯ এ বর্ণিত জিগ-জ্যাগ ইট ভাটার পরিবেশ ছাড়পত্র ও লাইসেন্স প্রাপ্তি এবং বর্তমানে সমস্যা ও হয়রানী সমাধানের লক্ষে , ইটভাটায় প্রশাসনের অভিযানের প্রতিবাদ এবং এসব ইটভাটা চালু রাখার দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে বাংলাদেশ ইট প্রস্তুতকারী মালিক-সমিতি সুন্দরগঞ্জ উপজেলা শাখা। সেই সঙ্গে উপজেলা প্রশাসন বরাবর স্মারকলিপি প্রদান।
উপজেলার বিভিন্ন ইটভাটার মালিক–শ্রমিক মিলে শতশত মানুষ উপজেলা ভবনের সামন থেকে বিভিন্ন স্লোগানে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করে উপজেলা শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে উপজেলা নির্বাহী অফিসার নিকট একটি স্মারকলিপি প্রদান করে বিক্ষোভকারীরা।
বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্যে দেন, বাংলাদেশ ইট প্রস্তুতকারী মালিক সমিতির সুন্দরগঞ্জ উপজেলা শাখার সভাপতি মো. নজরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক আব্দুর মালেক, উপদেষ্টা নুরুন্নবী প্রামাণিক সাজু, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. সাগর মিয়া , মোকলেছুর রহমান প্রমূখ।

এ সময় ইটভাটাগুলো বন্ধ করলে বড় ধরনের অর্থনৈতিক ঝুঁকিতে পড়বেন ভাটার মালিক ও শ্রমিকেরা। এতে জীবন–জীবিকা ব্যাহত হয়ে পড়বে বলে জানান তাঁরা।
ইট প্রস্তুতকারী মালিক সমিতির উপজেলার সভাপতি নজরুল ইসলাম তাঁর বক্তব্যে বলেন, ‘আমরা দীর্ঘদিন থেকে ইটভাটা পরিচালনা করে আসছি। একেকটি ইটভাটায় ৩০০ থেকে ৫০০ শ্রমিক কাজ করেন। এখন হঠাৎ ইটভাটা বন্ধ করলে শ্রমিকেরা যেমন কর্ম হারাবেন, তেমনি আমরাও ঝুঁকিতে পড়ব। তাই অন্তবর্তীকালীন সরকারে সবদিক বিবেচনায় নিয়ে ইটভাটায় প্রশাসনের হয়রানি বন্ধ ও ইটভাটা চালু রাখতে পদক্ষেপ গ্ৰহণ করার অনুরোধ জানান।
বিক্ষোভ সমাবেশ শেষে ইট প্রস্তুতকারী মালিক সমিতির নেতারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বরাবর একটি স্মারকলিপি প্রদান করেন।




