গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিএনপি দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সংঘর্ষের ঘটনায় পুলিশ ও সাংবাদিকসহ ২০ থেকে ২৫ জন আহত হয়েছে।
শুক্রবার (২৯ আগস্ট) উপজেলার মহিমাগঞ্জ ইউনিয়নের গোপালপুর গ্রামে বিএনপি দুই গ্রুপের মধ্যে চলা সংঘর্ষ দুপুর থেকে দফায় দফায় বিকাল ৫টা পর্যন্ত চলতে থাকে।
খবর পেয়ে উপজেলা প্রশাসন ও থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়। গোপালপুর এলাকায় বর্তমানে থমথমে ভাব বিরাজ করছে। সংঘর্ষ এড়াতে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এলাকা জুড়ে পুলিশ মোতায়ন করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মহিমাগঞ্জ ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আবু সুফিয়ান সুজা ও সাবেক সদস্য সচিব নাজিম উদ্দিন আলমের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল।
আজ শুক্রবার দুপুরে গোপালপুর গ্রামে জুম্মার নামাজ শেষে মসজিদের ভিতরে গ্রামের পার্শ্ববর্তী বাঙালি নদীর উত্তোলনকৃত বালু নিয়ে দুই গ্রুপের কথা-কাটাকাটির এক পর্যায়ে তা সংঘর্ষে রুপ নেয়। পরে গ্রামবাসী দুই গ্রুপে বিভক্ত হয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।
এ বিষয়ে জানতে মহিমাগঞ্জ ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আবু সুফিয়ান সুজা ও সাবেক সদস্য সচিব নাজিম উদ্দিন আলমকে মুঠোফোনে কল দিলে তারা ফোন রিসিভ করেননি।
গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ বুলবুল ইসলাম বলেন, গোপালপুরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সংঘর্ষের সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ আনতে সক্ষম হয়েছি। পরবর্তী সংঘর্ষ এড়াতে এলাকায় পুলিশ মোতায়ন করা হয়েছে। সংঘর্ষের ঘটনায় কোন পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত কোনো অভিযোগ পাই নাই। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।




