সকালের কাগজ ডেস্ক-♦♦
স্বর্ণ চোর মনি আক্তারের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগের প্রেক্ষিতে বাদী মোনালিসা চৈতি’কে শরীরের বিভিন্ন স্থানে বেধড়ক মারপিট করে জখম করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
শুক্রবার (১৭ অক্টোবর) রাত ১০ ঘটিকার সময় সোনারগাঁও উপজেলার কাঁচপুর মোনালিসা চৈতি (২১) পিতা আসাদুজ্জামান, সাং কাঁচপুর পুরাতন বাজার বাসায় প্রবেশ করে মনি আক্তার (২৭) পিতা খালেক, সাং আলীনুর নেতৃত্বে ৫-৭ জনের একটি সঙ্গীয় দলবল নিয়ে লাঠি-সোটা দিয়ে এলোপাতাড়ি মারপিট, নীলা, ফুলা জখম করেন।
ইতিপূর্বে জানা গেছে, গত (১৬ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১০ টায় মোসাঃ মোনালিসা চৈতি (২১), পিতা আসাদুজ্জামান, সাং কাঁচপুর পুরাতন বাজার, থানা সোনারগাঁও, জেলা নারায়ণগঞ্জের বাসা থেকে মনি আক্তার (২৭), পিতা খালেক, সাং কাঁচপুর আলীনুর এলাকার ছয় লক্ষ ঊনিশ হাজার টাকার স্বর্ণালংকার ও ত্রিশ হাজার টাকা নিয়ে উধাও।
এবিষয়ে সোনারগাঁও থানায় ভূক্তভোগী মোনালিসা চৈতি নামের মেয়ের এক অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, আমি একজন ছাত্রী, আমাদের বাসায় আমি ও আমার মা সেলিনা বেগম বসবাস করি। গত ১৬-০৯-২০২৫ তারিখ সকাল অনুমান সাড়ে ১০ ঘটিকার সময় আমার খালাতো বোন মনি আক্তার (২৭), পিতা-খালেক, সাং- কাঁচপুর আলীনুর, থানা-সোনারগাঁ, জেলা-নারায়ণগঞ্জ সহ আমার অপর খালাতো বোন ফাতেমা (৪২), পিতা-অজ্ঞাত, সাং- কাঁচপুর আলীনুর, থানা-সোনারগাঁ, জেলা-নারায়ণগঞ্জ আসে এবং মনি আক্তারের বড় বোন সাথীর মেয়ের জন্ম দিনের জন্য আমার কিছু জামা কাপড় ও কিছু কসমেটিকস চায়। আমি সরল বিশ্বাসে তাদের আমার কিছু কাপড় চোপড় ও কসমেটিকস দেই। তারা আমার বাসায় অনুমান ৩০ মিনিট অবস্থান করিয়া চলিয়া যায়। গত ২৬-০৯-২০২৫ তারিখ রাতে অনুষ্ঠানে যাওয়ার উদ্দেশ্যে সাজগোজ করার জন্য রাত অনুমান ৮ ঘটিকার সময় আমার ড্রেসিং টেবিলের ড্রয়ার খুলিয়া দেখি আমার অনুমান সাড়ে তিন ভরি স্বর্নালংকার যাহার মূল্য ৬,৭৮,০০০(ছয় লক্ষ উনাশি হাজার) টাকা, নগদ ৩০,০০০(ত্রিশ হাজার) টাকা নাই।
উপরোক্ত মনি আক্তার আমার খালাতো বোন, অনুমান ৬ মাস পূর্বে আমাদের বাসায় থাকিত এবং সে নিয়মিত আমাদের বাসায় যাওয়া আসা করিত। আমার স্বর্নালংকার ও নগদ টাকা কোথায় থাকিত তাহা আমার খালত বোন জানিত। আমার ধারনা আমার খালাতো বোন মনি আক্তার ১৬-০৯-২০২৫ তারিখ সকাল সাড়ে ১০ ঘটিকা হইতে সকাল ১১ ঘটিকার মধ্যে যেকোন সময় সু-কৌশলে আমার টেবিলের ড্রয়ার খুলিয়া ছয় লক্ষ ঊনিশ হাজার টাকার স্বর্ণ ও নগদ ত্রিশ হাজার টাকা চুরি করিয়া নিয়ে গিয়েছে। এ ঘটনার বিষয়ে আমার স্থানীয় আত্মীয়স্বজন সহ স্থানীয় গন্যমান্য ব্যাক্তিদের সঠিক পরামর্শক্রমে এ অভিযোগ প্রদান করা হয়।
এবিষয়ে মারপিটে আহত মোনালিসা চৈতির বড় ভাই রাজু সাংবাদিকদের জানান, আমার বোন চৈতির বাসায় শুক্রবার রাত ১০ ঘটিকার সময় মনির নেতৃত্বে ৫-৭ জনের একটি দলবল নিয়ে এলোপাতাড়ি মারপিট করে জখম করে রেখে গেছেন। এখন তাঁকে নিয়ে সিএনজিযোগে সোনারগাঁও থানায় অভিযোগ দায়ের করে, উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। চৈতির বর্তমান শারীরিক অবস্থার অবনতি বলে জানান রাজু।
নারায়ণগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার মুঠোফোনে জানান, চৈতির গুরুতর আহত জখমের ভিডিও দেখেছি, তাৎক্ষণিকভাবে সোনারগাঁও থানার ওসি তদন্তকে বিষয়টি অবহিত করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, সাংবাদিক ভাই আপনি ওসি’কে ফোন দেন দ্রুত সময়ের মধ্যে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।




