পলাশী যুদ্ধ স্মরণে বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক ফ্রন্টের উদ্যোগে ফ্রন্টের কার্যালয়ে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
মঙ্গলবার (২৩ জুন) বিকেল সভায় সভাপতিত্ব করেন, স্বাধীনতা পার্টির সভাপতি কমরেড আব্দুল গফুর মিয়া। আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ইতিহাসের শিক্ষক ড. নুরুল ইসলাম মঞ্জুর, বাংলাদেশ গরীব-মুক্তি আন্দোলনের সভাপতি কমরেড শামসুজ্জামান মিলন, বাংলাদেশের সাম্যবাদী দল (এমএল) এর সাধারণ সম্পাদক কমরেড এস এম হানিফুল কবির, নয়া গণতান্ত্রিক পার্টির সভাপতি মাস্টার এম এ মান্নান, উর্দুভাষী মাইনরটি কাউন্সিল এর নেতা আফজাল ওয়ার্সী, বাংলাদেশ স্বাধীনতা পার্টির সাধারণ সম্পাদক এ এফ এম ফয়েজ হোসেন, বাংলাদেশের সাম্যবাদী দল (এমএল) এর যুগ্ম সম্পাদক এম এম ওবায়দুল্লাহ জয়, জাতীয় শ্রমিক পার্টির সদস্য সচিব রাশেদুল ইসলাম, গ্রীন পার্টি বাংলাদেশ এর সভাপতি রাজু আহমদ খান, ভাসানী মঞ্চের আহ্বায়ক মোয়াজ্জেম হোসেন খান মজলিস, শ্রমিক নেত্রী মিতু চৌধুরী, নারী নেত্রী ও কবি এলিজা রহমান প্রমুখ।
সভায় ১৭৫৭ সালের ২৩ জুন পলাশী যুদ্ধের নবাব সিরাজুদ্দৌলা সহ যে সকল সেনাপতি ও সৈন্য এবং লোকজন নবাবের পক্ষে যুদ্ধ কলেছিল তারা সবাই ছিল দেশপ্রেমিক। তাঁদের স্মরণে সভার শুরুতে শ্রদ্ধাসহ এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়।
নবাবা সিরাজুদ্দৌলা ছিলেন, বাংলা, বিহার, উড়িষ্যা অর্থাৎ ঐক্যবদ্ধ বাংলার স্বাধীনতার প্রতীক। বাংলাদেশ বর্তমানে স্বাধীন রাষ্ট্র হলেও পশ্চিম বাংলা, বিহার, উড়িষ্যা, ত্রিপুরা, আসাম, ভারতীয় সাম্রাজ্যবাদের উপনিবেশ ঐ সমস্ত এলাকার জনগণকে আজাদীর লড়াই করার জন্য বক্তাগণ আহ্বান জানান।
ভারত কোন একক জাতিগত রাষ্ট্র নয়, ৫৬২টি দেশীয় রাজ্য দখল করে বর্তমান সাম্রাজ্যবাদী ভারত দাড়িয়ে আছে। দেশীয় জাতিগত রাজ্যগুলোকে আজাদীর সংগ্রাম করে বর্গীমুক্ত হওয়ার আহ্বান জানান।




