• About
  • Advertise
  • Careers
মঙ্গলবার, অক্টোবর ২৭, ২০২৬
  • Login
NEWSLETTER
ডেইলি সকালের কাগজ
  • হোম
  • বাংলাদেশ
    • জাতীয়
    • এক্সক্লুসিভ
    • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • দেশজুড়ে
    • ঢাকা
    • চট্টগ্রাম
    • খুলনা
    • রাজশাহী
    • সিলেট
    • বরিশাল
    • ময়মনসিংহ
    • রংপুর
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
    • বিশ্বকাপ
    • ক্রিকেট
    • ফুটবল
    • টেনিস
    • হকি
  • অর্থনীতি
    • বিশ্ব অর্থনীতি
    • বিজনেস বিশেষ
    • শেয়ার বাজার
    • ব্যবসা-বাণিজ্য
    • ব্যাংক-বীমা
  • আরো সংবাদ
    • লাইফস্টাইল
      • রেসিপি ও রেস্তোরা
      • ফ্যাশন
      • রুপচর্চা
      • অন্যান্য
    • বিচিত্র জগত
    • শিক্ষাঙ্গন
    • সাহিত্য
    • ধর্ম
    • স্বাস্থ্য
    • অপরাধ
    • দুর্ভোগ
    • নারী
    • মতামত
    • চাকুরি
    • প্রবাস
    • আইন আদালত
    • তথ্যপ্রযুক্তি
ডেইলি সকালের কাগজ
  • হোম
  • বাংলাদেশ
    • জাতীয়
    • এক্সক্লুসিভ
    • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • দেশজুড়ে
    • ঢাকা
    • চট্টগ্রাম
    • খুলনা
    • রাজশাহী
    • সিলেট
    • বরিশাল
    • ময়মনসিংহ
    • রংপুর
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
    • বিশ্বকাপ
    • ক্রিকেট
    • ফুটবল
    • টেনিস
    • হকি
  • অর্থনীতি
    • বিশ্ব অর্থনীতি
    • বিজনেস বিশেষ
    • শেয়ার বাজার
    • ব্যবসা-বাণিজ্য
    • ব্যাংক-বীমা
  • আরো সংবাদ
    • লাইফস্টাইল
      • রেসিপি ও রেস্তোরা
      • ফ্যাশন
      • রুপচর্চা
      • অন্যান্য
    • বিচিত্র জগত
    • শিক্ষাঙ্গন
    • সাহিত্য
    • ধর্ম
    • স্বাস্থ্য
    • অপরাধ
    • দুর্ভোগ
    • নারী
    • মতামত
    • চাকুরি
    • প্রবাস
    • আইন আদালত
    • তথ্যপ্রযুক্তি
No Result
View All Result
ডেইলি সকালের কাগজ
Home সম্পাদকীয়

গুজব ও অপতথ্য প্রতিরোধে প্রয়োজন তথ্য যাচাইয়ের সংস্কৃতি ও সম্মিলিত প্রচেষ্টা

by Abdul Halim Nisun
অক্টোবর ২৬, ২০২৬
in সম্পাদকীয়
0
গুজব ও অপতথ্য প্রতিরোধে প্রয়োজন তথ্য যাচাইয়ের সংস্কৃতি ও সম্মিলিত প্রচেষ্টা
0
SHARES
3
VIEWS
Share on FacebookShare on TwitterShare on Pinterest
লায়ন মোঃ গনি মিয়া বাবুল-¤
গুজব ও অপতথ্য এখন ব্যক্তিগত ভুল বোঝাবুঝির বিষয়েই সীমাবদ্ধ নেই, এগুলো জনমত, সামাজিক সম্প্রীতি, জনস্বাস্থ্য, নির্বাচন এবং মানুষের নিরাপত্তাকে প্রভাবিত করতে পারে। একটি মিথ্যা দাবি কারও সম্মানহানি ঘটাতে পারে, কোনো সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে বিদ্বেষ ছড়াতে পারে, কিংবা সংকটের সময়ে মানুষকে ভুল সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করতে পারে। তাই গুজব প্রতিরোধের প্রশ্নটি শুধু কে ভুল তথ্য শেয়ার করলেন, সেখানে থেমে থাকে না। দেখতে হবে মানুষ নির্ভরযোগ্য তথ্য পাচ্ছে কি না, প্রতিষ্ঠানগুলো দ্রুত ও স্পষ্টভাবে কথা বলছে কি না, আর ভুল তথ্য ছড়ালে তা সংশোধনের কার্যকর ব্যবস্থা আছে কি না।গুজব ও অপতথ্য সংক্রান্ত  সমস্যা কতটা গুরুত্ব দিয়ে দেখা প্রয়োজন, তা সাম্প্রতিক তথ্য-যাচাইয়ের কাজ থেকেও বোঝা যায়। Dismislab-এর পর্যালোচনা অনুযায়ী, বাংলাদেশকে কেন্দ্র করে কাজ করা নয়টি তথ্য-যাচাইকারী প্রতিষ্ঠান ২০২৫ সালে অন্তত ৫,৭০৬টি যাচাই প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে, সেগুলোর মধ্যে ছিল ৪,১৩১টি স্বতন্ত্র ভুল তথ্যের দাবি, যেখানে ২০২৪ সালে এমন দাবি ছিল ৩,১৬৭টি। রাজনৈতিক বিষয়, ভিডিও এবং এআই-তৈরি কনটেন্টও ওই পর্যালোচনায় উঠে এসেছে। তবে এই সংখ্যা দেশে ছড়ানো সব গুজবের পূর্ণ হিসাব নয়, এটি প্রকাশিত যাচাই প্রতিবেদনে শনাক্ত দাবির হিসাব। এই সীমা স্পষ্ট রেখেই তথ্যটি বলা জরুরি, কারণ নির্ভুল প্রমাণই সমস্যার গুরুত্ব তুলে ধরে অতিরঞ্জন নয়।

ভুল তথ্য ও অপতথ্যের মধ্যে পার্থক্য আছে। কেউ কোনো অসত্য তথ্যকে সত্য মনে করে ছড়ালে সেটি ভুল তথ্য,  কাউকে বিভ্রান্ত করার উদ্দেশ্যে জেনেশুনে মিথ্যা তথ্য তৈরি বা প্রচার করলে সেটি অপতথ্য। আবার সত্য বক্তব্যের অংশবিশেষ তুলে ধরে, প্রেক্ষাপট বাদ দিয়ে বা পুরোনো ছবিকে নতুন ঘটনার সঙ্গে জুড়ে দিয়েও বিভ্রান্তি সৃষ্টি হতে পারে। তাই শুধু দাবিটি সত্য না মিথ্যা এটুকু যাচাই করলেই হবে না। কে প্রকাশ করেছে, মূল উৎস কী, কখন ও কোথায় ঘটনা ঘটেছে, বক্তব্যের পূর্ণাঙ্গ সংস্করণ কী এবং দাবির পক্ষে কী প্রমাণ আছে এসবও খুঁজে দেখতে হবে। ইউনেসকোর তথ্য-সাক্ষরতা কাঠামোতেও তথ্যের উৎস যাচাই, বিশ্লেষণ ও মূল্যায়নকে মৌলিক দক্ষতা হিসেবে দেখা হয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, মেসেজিং গ্রুপ ও ভিডিও প্ল্যাটফর্ম তথ্য পৌঁছানোর পথকে দ্রুত করেছে। দুর্যোগে সহায়তার আবেদন, নিখোঁজ ব্যক্তির সন্ধান, জরুরি সতর্কতা বা জনস্বাস্থ্যবিষয়ক বার্তা মানুষের কাছে দ্রুত পৌঁছাতে পারে। কিন্তু একই মাধ্যমে যাচাইহীন দাবি, ভুয়া বিজ্ঞপ্তি, সম্পাদিত ভিডিও, নকল পরিচয় এবং প্রতারণামূলক প্রচারও ছড়ায়। যে বার্তা ভয়, ক্ষোভ বা বিস্ময় তৈরি করে, মানুষ অনেক সময় সেটি যাচাইয়ের আগেই অন্যদের পাঠান। কোনো দাবি বারবার দেখা গেলেই তা সত্য হয় না, পরিচিত কেউ পাঠিয়েছেন বা অনেক মানুষ শেয়ার করেছেন এটিও সত্যতার প্রমাণ নয়।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইয়ের অগ্রগতিতে এই চ্যালেঞ্জ আরও জটিল হয়েছে। বাস্তবের মতো দেখতে ছবি, নকল কণ্ঠস্বর ও সম্পাদিত ভিডিও তৈরি করা আগের তুলনায় সহজ। পরিচিত ব্যক্তির মুখ বা কণ্ঠ ব্যবহার করে মিথ্যা বক্তব্য প্রচার, এমনকি পরিচিতজন সেজে অর্থ চাওয়ার মতো প্রতারণাও হতে পারে। কোনো ছবি বা ভিডিও দেখেই তাই সিদ্ধান্তে পৌঁছানো ঠিক নয়। মূল প্রকাশনা, তারিখ, ঘটনার স্থান, পূর্ণাঙ্গ ভিডিও বা বক্তব্য এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বক্তব্য মিলিয়ে দেখতে হবে। প্রয়োজনে ছবিটির আগের ব্যবহার খুঁজতে বিপরীত চিত্র অনুসন্ধান করা যেতে পারে। তবে কোনো একটি অ্যাপ বা এআইয়ের বিশ্লেষণকে চূড়ান্ত প্রমাণ ধরা যাবে না; একাধিক নির্ভরযোগ্য সূত্রে মিলিয়ে নেওয়া দরকার।

গুজবের ক্ষতি নির্ভর করে শুধু কত মানুষ সেটি দেখেছেন তার ওপর নয়, দাবিটি কাকে লক্ষ্য করছে এবং তার ফলে কী ঘটতে পারে তার ওপরও। নির্বাচন নিয়ে ভুয়া তথ্য ভোটারকে বিভ্রান্ত করতে পারে, ধর্মীয় বা সাম্প্রদায়িক দাবি উত্তেজনা বাড়াতে পারে; স্বাস্থ্যসংক্রান্ত মিথ্যা পরামর্শ চিকিৎসা নিতে দেরি করাতে পারে; ভুয়া চাকরি বা বিনিয়োগের বিজ্ঞাপন আর্থিক ক্ষতির কারণ হতে পারে। সংকটের সময়ে ভুল সতর্কবার্তা আতঙ্ক তৈরি করতে পারে, আর দেরিতে দেওয়া সঠিক তথ্য মানুষের আস্থা দুর্বল করতে পারে। তাই প্রতিরোধের লক্ষ্য হওয়া উচিত ক্ষতিকর দাবির দ্রুত শনাক্তকরণ, নির্ভরযোগ্য তথ্যের দ্রুত সরবরাহ এবং যাঁরা মিথ্যা তথ্যের কারণে ঝুঁকিতে পড়েছেন তাঁদের সুরক্ষা।

গুজব ও অপতথ্য প্রতিরোধে সরকারের দায়িত্ব বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট ঘটনার সময় দায়িত্বপ্রাপ্ত দপ্তর নীরব থাকলে বা পরস্পরবিরোধী বক্তব্য দিলে তথ্যের শূন্যতা তৈরি হয়; গুজব সেই জায়গা দখল করে। সরকারকে তাই একটি সমন্বিত সংকটকালীন তথ্যপ্রকাশ পদ্ধতি গড়ে তুলতে হবে। কোন দপ্তর কোন বিষয়ে তথ্য দেবে, কে দায়িত্বপ্রাপ্ত মুখপাত্র, কত সময়ের মধ্যে প্রাথমিক বিবৃতি আসবে এবং পরবর্তী হালনাগাদ কোথায় পাওয়া যাবে এসব আগে থেকেই নির্ধারিত থাকা দরকার। প্রাথমিক তথ্যে অনিশ্চয়তা থাকলে সেটিও স্পষ্ট করে জানাতে হবে; পরে নতুন তথ্য পাওয়া গেলে আগের বক্তব্য হালনাগাদ করতে হবে। দ্রুত কথা বলা মানে অনুমানকে সত্য হিসেবে প্রচার করা নয়, বরং যা জানা আছে এবং যা এখনও যাচাই করা হচ্ছে দুটিই পরিষ্কার করে বলা।

সরকারি তথ্য সহজে পাওয়া গেলে গুজবের জায়গা কমে। বাংলাদেশে তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯ নাগরিককে কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে তথ্য পাওয়ার অধিকার দিয়েছে এবং কর্তৃপক্ষকে সিদ্ধান্ত ও কার্যক্রম-সংক্রান্ত তথ্য সহজলভ্যভাবে প্রকাশের নির্দেশনা রেখেছে। এই কাঠামোকে কার্যকরভাবে ব্যবহার করে জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট সিদ্ধান্ত, তথ্যের উৎস, সংশোধনী ও জরুরি বিজ্ঞপ্তি সহজে অনুসন্ধানযোগ্য করা যেতে পারে। তথ্য একাধিক দপ্তরের ওয়েবসাইটে বিচ্ছিন্নভাবে না রেখে একটি নির্ভরযোগ্য, হালনাগাদ সরকারি তথ্যকেন্দ্র থেকে পাওয়া গেলে নাগরিক ও সংবাদমাধ্যম উভয়ের যাচাই সহজ হবে।

তথ্য-যাচাইকারী সংগঠন, বিশ্ববিদ্যালয় ও নাগরিক সংগঠনগুলোর সঙ্গে সরকারের নিয়মিত সহযোগিতাও প্রয়োজন। স্বাধীন যাচাইকারীরা ভাইরাল দাবি, ছবি, ভিডিও ও বক্তব্যের উৎস অনুসন্ধান করে প্রমাণসহ বিশ্লেষণ প্রকাশ করেন। তাঁদের কাজের জন্য উন্মুক্ত তথ্য, নিরাপদে কাজের পরিবেশ এবং স্বচ্ছ অর্থায়নের সুযোগ থাকা উচিত। সরকারি সহায়তা দেওয়া হলে তা সম্পাদকীয় স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপের পথ হতে পারবে না। একইভাবে, বিভিন্ন দপ্তর, গণমাধ্যম ও তথ্য-যাচাইকারীদের মধ্যে জরুরি যোগাযোগব্যবস্থা থাকলে সংকটের সময় ভুল দাবি দ্রুত শনাক্ত এবং সঠিক তথ্য দ্রুত প্রকাশ করা সম্ভব।

গণমাধ্যমের জন্যও দ্রুততা ও নির্ভুলতার ভারসাম্য জরুরি। সংবাদ প্রকাশের আগে মূল নথি দেখা, একাধিক সূত্রে দাবি মিলিয়ে নেওয়া, সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য নেওয়া এবং ছবি-ভিডিওর সময় ও স্থান যাচাই করা পেশাগত দায়িত্বের অংশ। ভুল হলে তা নীরবে বদলে না দিয়ে দৃশ্যমানভাবে সংশোধন করতে হবে, যাতে আগের সংবাদ দেখা পাঠকেরাও সংশোধনটি জানতে পারেন। সংবাদ ও মতামতের পার্থক্য স্পষ্ট থাকলে পাঠক তথ্যের ধরন বুঝতে পারেন। একই সঙ্গে কোনো সংবাদ সমালোচনামূলক হলেই তাকে গুজব বলা যাবে না, আবার পরিচিত রাজনৈতিক দল, সরকারি দপ্তর বা জনপ্রিয় ব্যক্তির বক্তব্যও যাচাইয়ের ঊর্ধ্বে নয়।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্ল্যাটফর্মগুলোকে ভুয়া পরিচয়, সমন্বিত অপপ্রচার ও প্রতারণামূলক কনটেন্ট শনাক্তে আরও স্বচ্ছ হতে হবে। ব্যবহারকারীর অভিযোগ দ্রুত পর্যালোচনা, সিদ্ধান্তের কারণ জানানো, আপিলের সুযোগ এবং সংশোধিত তথ্য মূল দাবির দর্শকের কাছে পৌঁছানোর ব্যবস্থা প্রয়োজন। বাংলা ভাষা ও স্থানীয় সামাজিক প্রেক্ষাপট বোঝেন এমন যাচাইকারী দল থাকলে ভুল শনাক্ত ও ব্যাখ্যা করা সহজ হয়। প্ল্যাটফর্মগুলোর কাছে রাজনৈতিক বিজ্ঞাপনের অর্থদাতা, কনটেন্ট ছড়ানোর পদ্ধতি এবং ঝুঁকিপূর্ণ প্রচার সম্পর্কে নিয়মিত স্বচ্ছতা প্রতিবেদন চাওয়া যেতে পারে। জাতিসংঘের তথ্যের শুদ্ধতা বিষয়ক বৈশ্বিক নীতিমালাও প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বের পাশাপাশি স্বাধীন গণমাধ্যম, জনসাধারণের ক্ষমতায়ন ও তথ্যের স্বচ্ছতাকে গুরুত্ব দেয়।

দীর্ঘমেয়াদে তথ্য যাচাইয়ের সংস্কৃতি গড়তে শিক্ষাব্যবস্থায় গণমাধ্যম ও তথ্য-সাক্ষরতার চর্চা বাড়ানো জরুরি। শিক্ষার্থীদের শুধু অনলাইনে কীভাবে তথ্য খুঁজতে হয় তা নয়, উৎসের বিশ্বাসযোগ্যতা বিচার, তথ্য ও মতামতের পার্থক্য বোঝা, ছবি-ভিডিওর প্রেক্ষাপট যাচাই এবং ভুল হলে সংশোধন করার অভ্যাসও শেখাতে হবে। শিক্ষক প্রশিক্ষণ, শ্রেণিকক্ষের ব্যবহারিক অনুশীলন এবং সহজ ভাষার জনসচেতনতামূলক প্রচার এতে সহায়ক হতে পারে। প্রবীণ নাগরিক, প্রতিবন্ধী ব্যক্তি এবং ডিজিটাল ব্যবহারে কম অভ্যস্ত মানুষের জন্যও বোধগম্য ও সহজলভ্য প্রশিক্ষণ দরকার। এ উদ্যোগ নিয়মিত ও দেশজুড়ে পরিচালিত হওয়া উচিত শুধু কোনো সংকটের সময় সাময়িক প্রচারণা হিসেবে নয়।

গুজব প্রতিরোধের কঠোর উদ্যোগ নিতে হবে, তবে তার লক্ষ্য হতে হবে ক্ষতি কমানো ও সত্য তথ্য পৌঁছে দেওয়া বৈধ মতপ্রকাশ বন্ধ করা নয়। ভুল করে শেয়ার করা তথ্য, ব্যঙ্গ, মতামত, সাংবাদিকতা এবং ইচ্ছাকৃত অপতথ্যকে এক কাতারে ফেলা যাবে না। কনটেন্টের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হলে তা স্পষ্ট নিয়ম, যাচাইযোগ্য প্রমাণ, আনুপাতিক পদক্ষেপ ও স্বাধীন পর্যালোচনার ভিত্তিতে হওয়া দরকার। নাগরিকের অভিযোগ জানানোর এবং সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করার সুযোগ থাকতে হবে। জাতিসংঘের নীতিমালায়ও তথ্যের শুদ্ধতা রক্ষার উদ্যোগকে মতপ্রকাশ ও মতামতের স্বাধীনতা এবং মানবাধিকারের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ রাখার কথা বলা হয়েছে।

কোনো উদ্যোগ বাস্তবে কাজ করছে কি না, তা পরিমাপ করাও সরকারের দায়িত্ব হওয়া উচিত। জরুরি ঘটনায় প্রাথমিক সরকারি তথ্য প্রকাশে কত সময় লাগছে, ভুল বিজ্ঞপ্তি সংশোধনে কতক্ষণ লাগছে, সংশোধিত তথ্য কত মানুষের কাছে পৌঁছাচ্ছে, নাগরিকের অভিযোগ কত দিনে নিষ্পত্তি হচ্ছে এবং শিক্ষামূলক কর্মসূচিতে কারা অংশ নিচ্ছে এসব সূচক নির্ধারণ করে নিয়মিত অগ্রগতি প্রতিবেদন প্রকাশ করা যেতে পারে। তথ্য-যাচাইকারী প্রতিষ্ঠান ও নাগরিক সংগঠনকে নিয়ে স্বাধীন মূল্যায়নের ব্যবস্থাও থাকলে সাফল্য ও ঘাটতি দুটোই বোঝা যাবে। শুধু কর্মশালার সংখ্যা বা সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত পোস্টের পরিমাণ দিয়ে জনসচেতনতার উন্নতি বিচার করা যথেষ্ট নয়।

গুজব ও অপতথ্য পুরোপুরি নির্মূলের প্রতিশ্রুতি বাস্তবসম্মত নয় কিন্তু তার বিস্তার ও ক্ষতি অনেকটাই কমানো সম্ভব। এর জন্য নাগরিককে শেয়ার করার আগে যাচাই করতে হবে, গণমাধ্যমকে প্রকাশের আগে প্রমাণ মিলিয়ে দেখতে হবে, সরকারকে দ্রুত ও স্বচ্ছ তথ্য দিতে হবে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে তথ্য-সাক্ষরতার দক্ষতা গড়ে তুলতে হবে এবং প্রযুক্তি প্ল্যাটফর্মকে তাদের ভূমিকার জন্য জবাবদিহি করতে হবে। দায়িত্বগুলো নির্দিষ্ট, উদ্যোগগুলো ধারাবাহিক এবং অগ্রগতি পরিমাপযোগ্য না হলে সম্মিলিত প্রচেষ্টা কেবল আহ্বানেই সীমাবদ্ধ থাকবে। তথ্য যাচাইকে নাগরিকের অভ্যাস, প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব এবং রাষ্ট্রীয় অগ্রাধিকারে পরিণত করতে হবে। তাই  গুজব ও অপতথ্য প্রতিরোধে প্রয়োজন তথ্য যাচাইয়ের সংস্কৃতি ও কার্যকর সম্মিলিত প্রচেষ্টা।

[লেখক পরিচিতি :
লায়ন মোঃ গনি মিয়া বাবুল
(শিক্ষক, কবি, কলাম লেখক, সমাজসেবক ও সংগঠক), lionganibabul@gmail.com]

Tags: গুজব
Abdul Halim Nisun

Abdul Halim Nisun

Next Post
গার্মেন্টস শ্রমিকদের মজুরি বোর্ড নির্ধারণের হুশিয়ারি : নেতৃবৃন্দ

গার্মেন্টস শ্রমিকদের মজুরি বোর্ড নির্ধারণের হুশিয়ারি : নেতৃবৃন্দ

Recommended

৭ দিনের মধ্যে লবণ আমদানির আদেশ বাতিলের আলটিমেটাম : লবণ চাষিরা

৭ দিনের মধ্যে লবণ আমদানির আদেশ বাতিলের আলটিমেটাম : লবণ চাষিরা

3 weeks ago
তত্বাবধায়ক সরকারের প্রতি আস্থা নেই জাতীয় পার্টির :গোলাম কাদের

তত্বাবধায়ক সরকারের প্রতি আস্থা নেই জাতীয় পার্টির :গোলাম কাদের

5 years ago

জনপ্রিয় খবর

  • কাঁচপুর কিশোর গ্যাংয়ের হামলায় গুরুতর আহত নাদিম

    কাঁচপুর কিশোর গ্যাংয়ের হামলায় গুরুতর আহত নাদিম

    0 shares
    Share 0 Tweet 0
  • ফ্যাসিষ্ট আ’লীগ ও ২৮ অক্টোবরের লগি-বৈঠা  

    0 shares
    Share 0 Tweet 0
  • রাজধানীতে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ

    0 shares
    Share 0 Tweet 0
  • ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে লড়াই করতে হবে : অ্যাডভোকেট দুলু

    0 shares
    Share 0 Tweet 0
  • সাংবাদিকদের নিয়ে পুলিশ প্রধানের মন্তব্যে তিব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বিআরজেইউ

    0 shares
    Share 0 Tweet 0

Connect with us

Facebook Twitter Youtube RSS

প্রধান কার্যালয়

ডেইলি সকালের কাগজ

২১, রাজউক এভিনিউ, পরিবহণ ভবন (৬ষ্ঠ তলা)
মতিঝিল, ঢাকা-১০০০।
মোবাইল: ০১৭৩৯৪১৭৫২৪, ০১৯৪৩৩৩৬৮১৩

সম্পাদক ও প্রকাশক

আব্দুল হালিম নিশান

ইমেইল: dailysokalerkagoj@gmail.com
বার্তা বিভাগ : হাজী নেকবর আলী সুপার মার্কেট,পঞ্চম তলা,চিটাগাংরোড ,নারায়ণগঞ্জ ।
ds.kagoj@gmail.com

প্রধান উপদেষ্টা

মো: রূপালী খান

ব্যবস্থাপক : মো: মহিবুল্লাহ লিটন।
সহকারী সম্পাদক : মো: আরিফ বিল্লাহ ডালিম।
সহকারী সম্পাদক : রাজিবুল হাসান ।

© 2023 ALL RIGHTS RESERVED | DAILYSOKALERKAGOJ.COM.

No Result
View All Result
  • হোম
  • বাংলাদেশ
    • জাতীয়
    • এক্সক্লুসিভ
    • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • দেশজুড়ে
    • ঢাকা
    • চট্টগ্রাম
    • খুলনা
    • রাজশাহী
    • সিলেট
    • বরিশাল
    • ময়মনসিংহ
    • রংপুর
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
    • বিশ্বকাপ
    • ক্রিকেট
    • ফুটবল
    • টেনিস
    • হকি
  • অর্থনীতি
    • বিশ্ব অর্থনীতি
    • বিজনেস বিশেষ
    • শেয়ার বাজার
    • ব্যবসা-বাণিজ্য
    • ব্যাংক-বীমা
  • আরো সংবাদ
    • লাইফস্টাইল
      • রেসিপি ও রেস্তোরা
      • ফ্যাশন
      • রুপচর্চা
      • অন্যান্য
    • বিচিত্র জগত
    • শিক্ষাঙ্গন
    • সাহিত্য
    • ধর্ম
    • স্বাস্থ্য
    • অপরাধ
    • দুর্ভোগ
    • নারী
    • মতামত
    • চাকুরি
    • প্রবাস
    • আইন আদালত
    • তথ্যপ্রযুক্তি

© 2023 ALL RIGHTS RESERVED | DAILYSOKALERKAGOJ.COM.

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In
ভাষা
  • <
  • <
  • <
  • <
  • <
  • <
  • <