নিজস্ব প্রতিবেদক:
করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে গত ৩০ জুন থেকে সরকার সারা দেশে লকডাউন ঘোষণা করায় সুপ্রিম কোর্টসহ দেশের সকল আদালতে স্বাভাবিক বিচার কাজ বন্ধ থাকলেও সীমিত পরিসরে আদালত খোলা রাখা হয়েছে। তবে সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতার কারণে জরুরি মামলা নিষ্পত্তির জন্য এ ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। তবে আপিল বিভাগের বিচারপতিরা নিজ নিজ বাসায় বসেই ভার্চুয়ালি আপিল বিভাগে বিচার কাজ পরিচালনা করছেন। পূর্ব সিদ্ধান্ত অনুযায়ী গত ৬ ও ৭ জুলাই আপিল বিভাগ ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের জেল আপিল মামলা শুনানি করেছেন দিনভর।
প্রতিদিন সকাল সাড়ে ৯টা থেকে বেলা দেড়টা পর্যন্ত বিচার কাজ পরিচালিত হয়েছে। এই বিচার কাজ পরিচালনার আগে ৫ জুলাই সুপ্রিম কোর্টের নিজস্ব ওয়েবসাইটে আপিল বিভাগের একটি কার্যতালিকা প্রকাশ করা হয়। তালিকায় ৪৫টি মামলা রয়েছে।
এই তালিকা অনুযায়ী গত দুইদিন বিচার কাজ চলেছে। এ দুদিনে বেশ কয়েকটি মামলা নিষ্পত্তি হয়েছে। তবে ১৪ জুলাই পর্যন্ত লকডাউন বেড়ে যাওয়ায় আপিল বিভাগ ওই কার্যতালিকার মেয়াদও বাড়িয়েছে। যা রেজিস্ট্রার জেনারেলের জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে।
আপিল বিভাগ খোলা রাখায় সংশ্লিষ্ট আইনজীবীদের কার্যতালিকাভুক্ত মামলার নথি নিজ নিজ বাসায় নিয়ে রাখতে বলা হয়। আইনজীবীদেরও বাসায় অবস্থান করে মামলায় শুনানি করতে বলা হয়। আর এ জন্য আপিল বিভাগের দুজন কর্মকর্তাকেও বাসায় বসে আদালতে যুক্ত থাকতে নির্দেশ দেওয়া হয়। এই নির্দেশনা মেনেই সংশ্লিষ্ট বিচারপতি, আইনজীবীরা নিজ নিজ বাসায় বসেই মামলা পরিচালনা করেন।




