• About
  • Advertise
  • Careers
বৃহস্পতিবার, মে ২১, ২০২৬
  • Login
NEWSLETTER
ডেইলি সকালের কাগজ
  • হোম
  • বাংলাদেশ
    • জাতীয়
    • এক্সক্লুসিভ
    • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • দেশজুড়ে
    • ঢাকা
    • চট্টগ্রাম
    • খুলনা
    • রাজশাহী
    • সিলেট
    • বরিশাল
    • ময়মনসিংহ
    • রংপুর
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
    • বিশ্বকাপ
    • ক্রিকেট
    • ফুটবল
    • টেনিস
    • হকি
  • অর্থনীতি
    • বিশ্ব অর্থনীতি
    • বিজনেস বিশেষ
    • শেয়ার বাজার
    • ব্যবসা-বাণিজ্য
    • ব্যাংক-বীমা
  • আরো সংবাদ
    • লাইফস্টাইল
      • রেসিপি ও রেস্তোরা
      • ফ্যাশন
      • রুপচর্চা
      • অন্যান্য
    • বিচিত্র জগত
    • শিক্ষাঙ্গন
    • সাহিত্য
    • ধর্ম
    • স্বাস্থ্য
    • অপরাধ
    • দুর্ভোগ
    • নারী
    • মতামত
    • চাকুরি
    • প্রবাস
    • আইন আদালত
    • তথ্যপ্রযুক্তি
ডেইলি সকালের কাগজ
  • হোম
  • বাংলাদেশ
    • জাতীয়
    • এক্সক্লুসিভ
    • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • দেশজুড়ে
    • ঢাকা
    • চট্টগ্রাম
    • খুলনা
    • রাজশাহী
    • সিলেট
    • বরিশাল
    • ময়মনসিংহ
    • রংপুর
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
    • বিশ্বকাপ
    • ক্রিকেট
    • ফুটবল
    • টেনিস
    • হকি
  • অর্থনীতি
    • বিশ্ব অর্থনীতি
    • বিজনেস বিশেষ
    • শেয়ার বাজার
    • ব্যবসা-বাণিজ্য
    • ব্যাংক-বীমা
  • আরো সংবাদ
    • লাইফস্টাইল
      • রেসিপি ও রেস্তোরা
      • ফ্যাশন
      • রুপচর্চা
      • অন্যান্য
    • বিচিত্র জগত
    • শিক্ষাঙ্গন
    • সাহিত্য
    • ধর্ম
    • স্বাস্থ্য
    • অপরাধ
    • দুর্ভোগ
    • নারী
    • মতামত
    • চাকুরি
    • প্রবাস
    • আইন আদালত
    • তথ্যপ্রযুক্তি
No Result
View All Result
ডেইলি সকালের কাগজ
Home আরো সংবাদ ধর্ম

ঈদ-উল-আজহা সম্প্রীতি ও ত্যাগের মহিমায় উদ্ভাসিত

by Abdul Halim Nisun
মে ২০, ২০২৬
in ধর্ম, সম্পাদকীয়
0
ঈদ-উল-আজহা সম্প্রীতি ও ত্যাগের মহিমায় উদ্ভাসিত
0
SHARES
0
VIEWS
Share on FacebookShare on TwitterShare on Pinterest
লায়ন মোঃ গনি মিয়া বাবুল-¤
মুসলিম উম্মাহর অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব ঈদ-উল-আজহা কেবল আনন্দ ও উদযাপনের দিন নয়, বরং এটি আত্মত্যাগ, মানবতা, সহমর্মিতা ও সামাজিক সম্প্রীতির এক অনন্য শিক্ষার নাম।

ইসলাম ধর্মের গভীরতম আদর্শগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো ত্যাগ, আর সেই ত্যাগের মহিমান্বিত দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিলেন মহান আল্লাহর প্রিয় বান্দা হজরত ইব্রাহিম (আ.) ও তাঁর পুত্র হজরত ইসমাইল (আ.)। সেই স্মৃতিকে ধারণ করেই প্রতি বছর মুসলমানরা পশু কোরবানির মাধ্যমে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের চেষ্টা করেন।

ঈদ-উল-আজহা মানুষের অন্তরে আত্মশুদ্ধির বার্তা পৌঁছে দেয়। এটি মানুষকে শেখায় নিজের স্বার্থ, লোভ ও অহংকার বিসর্জন দিয়ে বৃহত্তর কল্যাণে আত্মনিয়োগ করতে। একইসঙ্গে এই উৎসব ধনী-গরিব, ছোট-বড়, শহর-গ্রাম নির্বিশেষে সমাজে সাম্য, ভ্রাতৃত্ব ও সম্প্রীতির বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করে। বর্তমান বিশ্বে জখন বিভাজন, সহিংসতা, অসহিষ্ণুতা ও সামাজিক বৈষম্য দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে, তখন ঈদ-উল-আজহার শিক্ষা মানবসমাজের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।

‘আজহা’ শব্দের অর্থ ত্যাগ বা উৎসর্গ। ইসলামের ইতিহাসে এই উৎসবের পেছনে রয়েছে মহান এক আত্মত্যাগের ঘটনা। মহান আল্লাহ তাআলা হজরত ইব্রাহিম (আ.)-কে স্বপ্নের মাধ্যমে তাঁর সবচেয়ে প্রিয় বস্তু কোরবানি করার নির্দেশ দেন। আল্লাহর আদেশ পালনে তিনি তাঁর আদরের সন্তান হজরত ইসমাইল (আ.)-কে কোরবানি করতে উদ্যত হন। পিতার প্রতি সন্তানের আনুগত্য এবং আল্লাহর প্রতি অবিচল বিশ্বাসের এই অনন্য দৃষ্টান্ত মানব ইতিহাসে বিরল।

শেষ পর্যন্ত আল্লাহ তাআলা তাঁদের আনুগত্যে সন্তুষ্ট হয়ে হজরত ইসমাইল (আ.)-এর পরিবর্তে একটি দুম্বা কোরবানির ব্যবস্থা করেন। সেই ঘটনাকে স্মরণ করেই মুসলমানরা পশু কোরবানি করে থাকেন। তবে ইসলামের দৃষ্টিতে কোরবানির মূল উদ্দেশ্য কেবল পশু জবাই নয়, বরং মানুষের অন্তরের তাকওয়া, আত্মনিবেদন ও আল্লাহভীতি অর্জনই এর মূল শিক্ষা।

পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, ‘আল্লাহর কাছে পৌঁছায় না তাদের গোশত ও রক্ত, বরং পৌঁছে তোমাদের তাকওয়া’। এই আয়াত স্পষ্ট করে যে ঈদ-উল-আজহার প্রকৃত তাৎপর্য বাহ্যিক আনুষ্ঠানিকতায় নয়, বরং আত্মিক উপলব্ধি ও মানবিক মূল্যবোধে নিহিত।

ঈদ-উল-আজহার সবচেয়ে বড় শিক্ষা হলো ত্যাগ। মানুষের জীবনে প্রকৃত সফলতা আসে আত্মত্যাগের মাধ্যমে। ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের কল্যাণে নিজের স্বার্থ বিসর্জন দিতে না পারলে কখনো বড় অর্জন সম্ভব নয়।
আজকের সমাজে মানুষ ভোগবাদ ও আত্মকেন্দ্রিকতায় ক্রমেই বেশি নিমজ্জিত হচ্ছে। অর্থ, ক্ষমতা ও ব্যক্তিস্বার্থের প্রতিযোগিতায় মানবিক মূল্যবোধ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এই বাস্তবতায় ঈদ-উল-আজহা মানুষকে মনে করিয়ে দেয় যে প্রকৃত সুখ কেবল নিজের ভোগে নয়, বরং অন্যের কল্যাণে আত্মনিয়োগে।

ত্যাগের শিক্ষা কেবল পশু কোরবানির মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। মানুষের অন্তরের হিংসা, লোভ, অহংকার, দুর্নীতি, অন্যায় ও অসততাকে বিসর্জন দেওয়াই প্রকৃত কোরবানি। একজন ব্যবসায়ী জদি অসাধুতা ত্যাগ করেন, একজন কর্মকর্তা জদি ঘুষ বর্জন করেন, একজন রাজনৈতিক নেতা জদি ক্ষমতার অপব্যবহার বন্ধ করেন, একজন নাগরিক জদি অন্যের অধিকারকে সম্মান করেন, তাহলেই ঈদ-উল-আজহার প্রকৃত শিক্ষা বাস্তবায়িত হবে।

ঈদ-উল-আজহা সামাজিক সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ববোধ জাগ্রত করার এক গুরুত্বপূর্ণ উপলক্ষ। কোরবানির গোশত আত্মীয়স্বজন, প্রতিবেশী ও দরিদ্র মানুষের মাঝে বণ্টনের মাধ্যমে সমাজে সৌহার্দ্য ও সহমর্মিতার পরিবেশ সৃষ্টি হয়। ধনী-গরিবের মধ্যে দূরত্ব কমে আসে। সমাজের অবহেলিত মানুষও ঈদের আনন্দে অংশগ্রহণের সুযোগ পায়।

বাংলাদেশের গ্রামবাংলায় ঈদ-উল-আজহার সময় এক অপূর্ব সামাজিক বন্ধনের চিত্র দেখা যায়। পরিবারের সদস্যরা একত্রিত হন, আত্মীয়দের বাড়িতে যাতায়াত বাড়ে, প্রতিবেশীদের মধ্যে সৌহার্দ্য বৃদ্ধি পায়। অনেকে গরিব পরিবারের পাশে দাঁড়ান, নতুন পোশাক ও খাবারের ব্যবস্থা করেন। এসব কর্মকাণ্ড সমাজে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার সম্পর্ককে শক্তিশালী করে।

বর্তমান সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও রাজনৈতিক বিভাজনের কারণে সমাজে অনেক ক্ষেত্রে বিভক্তি ও অসহিষ্ণুতা বাড়ছে। মতভেদকে কেন্দ্র করে মানুষ একে অপরের প্রতি বিদ্বেষপূর্ণ আচরণ করছে। এই প্রেক্ষাপটে ঈদ-উল-আজহার শিক্ষা আমাদেরকে পারস্পরিক সহনশীলতা, ক্ষমাশীলতা ও মানবিক আচরণের গুরুত্ব স্মরণ করিয়ে দেয়।

ঈদ-উল-আজহার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো দরিদ্র ও অসহায় মানুষের প্রতি সহমর্মিতা। ইসলাম এমন একটি সমাজব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার কথা বলে যেখানে ধনী ও গরিবের মধ্যে বৈষম্য কম থাকবে। কোরবানির গোশত বণ্টনের মাধ্যমে সমাজের নিম্নআয়ের মানুষও পুষ্টিকর খাবার গ্রহণের সুযোগ পায়।

অনেক পরিবার রয়েছে যারা সারা বছর মাংস খাওয়ার সুযোগ পায় না। ঈদ-উল-আজহা তাদের জন্য আনন্দ ও প্রাপ্তির বার্তা নিয়ে আসে। তাই কোরবানির প্রকৃত সৌন্দর্য তখনই ফুটে ওঠে জখন মানুষ আন্তরিকভাবে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ায়।

মানবিক মূল্যবোধের এই চর্চা শুধু ঈদের কয়েক দিনের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না। সারা বছর এমনকি আজীবন দরিদ্র, এতিম, পথশিশু, প্রতিবন্ধী ও অসহায় মানুষের কল্যাণে কাজ করার মানসিকতা গড়ে তুলতে হবে। তাহলেই ঈদ-উল-আজহার শিক্ষা বাস্তব অর্থে সমাজে প্রতিষ্ঠিত হবে।

বাংলাদেশ একটি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। এখানে মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টানসহ বিভিন্ন ধর্মের মানুষ যুগ যুগ ধরে শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করে আসছে। ঈদ-উল-আজহা সেই সম্প্রীতির বন্ধনকে আরও শক্তিশালী করার সুযোগ এনে দেয়।

ঈদের সময় অনেক অমুসলিম বন্ধু ও প্রতিবেশী মুসলমানদের আনন্দে অংশগ্রহণ করেন। অন্যদিকে মুসলমানরাও বিভিন্ন ধর্মীয় উৎসবে অন্য সম্প্রদায়ের মানুষের প্রতি সৌহার্দ্য প্রকাশ করেন। এই পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ বাংলাদেশের সামাজিক ঐক্যের অন্যতম ভিত্তি।

বর্তমান বিশ্বে ধর্মের নামে সহিংসতা ও উগ্রবাদ একটি বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। ইসলাম কখনো অসহিষ্ণুতা বা ঘৃণার শিক্ষা দেয় না। বরং ইসলাম শান্তি, সহনশীলতা ও মানবকল্যাণের ধর্ম। ঈদ-উল-আজহার শিক্ষা হলো মানুষে মানুষে ভেদাভেদ দূর করে ভালোবাসা ও মানবিক সম্পর্ক গড়ে তোলা।

ঈদ-উল-আজহা উদযাপনের সময় পরিবেশ ও স্বাস্থ্য সচেতনতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কোরবানির বর্জ্য জথাজথভাবে অপসারণ না করলে পরিবেশ দূষণ ও জনস্বাস্থ্য ঝুঁকির সৃষ্টি হয়। তাই প্রত্যেক নাগরিকের দায়িত্ব পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা এবং নির্ধারিত স্থানে বর্জ্য ফেলা।

স্থানীয় প্রশাসন ও সিটি করপোরেশন প্রতিবছর পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনা করলেও নাগরিক সচেতনতা ছাড়া একটি পরিষ্কার পরিবেশ নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। ইসলামে পরিচ্ছন্নতাকে ঈমানের অংশ বলা হয়েছে। সুতরাং কোরবানির পর পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখা ধর্মীয় ও নাগরিক দায়িত্ব উভয়ই।
এছাড়া পশু ক্রয়, পরিবহন ও জবাইয়ের ক্ষেত্রেও স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করা প্রয়োজন। সুস্থ ও রোগমুক্ত পশু নির্বাচন এবং নিরাপদ উপায়ে মাংস সংরক্ষণ জনস্বাস্থ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

ঈদ-উল-আজহা দেশের অর্থনীতিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কোরবানির পশুর হাটকে কেন্দ্র করে গ্রামীণ অর্থনীতি চাঙ্গা হয়ে ওঠে। খামারি, ব্যবসায়ী, পরিবহন শ্রমিক, চামড়া শিল্পসহ বিভিন্ন খাতের মানুষ এই সময় অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হন।

বাংলাদেশে লক্ষাধিক পরিবার গবাদিপশু লালন-পালনের সঙ্গে জড়িত। ঈদ-উল-আজহাকে কেন্দ্র করে তাদের আয় বৃদ্ধি পায়। অনেক ক্ষুদ্র খামারি সারা বছর পশু লালন-পালন করে এই সময় বিক্রির মাধ্যমে আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হওয়ার সুযোগ পান।

তবে চামড়া শিল্পের অব্যবস্থাপনা, বাজার নিয়ন্ত্রণের দুর্বলতা এবং মধ্যস্বত্বভোগীদের কারণে অনেক সময় খামারিরা ন্যায্য মূল্য পান না। তাই সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উচিত পশু ও চামড়ার বাজার ব্যবস্থাপনায় কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা।

বর্তমান যুগ প্রযুক্তিনির্ভর ও প্রতিযোগিতামূলক। মানুষ দিন দিন যান্ত্রিক হয়ে পড়ছে। পারিবারিক বন্ধন দুর্বল হচ্ছে, মানবিক সম্পর্ক কমে যাচ্ছে। এই বাস্তবতায় ঈদ-উল-আজহা মানুষকে পরিবার, আত্মীয়স্বজন ও সমাজের প্রতি দায়িত্বশীল হওয়ার শিক্ষা দেয়।

শুধু বাহ্যিক জাঁকজমক, সামাজিক মর্যাদা প্রদর্শন বা প্রতিযোগিতামূলক কোরবানি ঈদের মূল উদ্দেশ্য হতে পারে না। অনেক সময় দেখা যায় মানুষ কোরবানিকে সামাজিক প্রভাব বিস্তারের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করছে। অথচ ইসলামে অহংকার ও অপচয় কঠোরভাবে নিরুৎসাহিত করা হয়েছে।

ঈদের প্রকৃত সৌন্দর্য নিহিত রয়েছে বিনয়, আন্তরিকতা ও মানবিকতায়। তাই আমাদের উচিত ঈদকে প্রদর্শনের উৎসব না বানিয়ে আত্মশুদ্ধি ও মানবকল্যাণের উপলক্ষ হিসেবে গ্রহণ করা।

তরুণ প্রজন্ম একটি দেশের ভবিষ্যৎ। ঈদ-উল-আজহার শিক্ষা তরুণদের মধ্যে নৈতিকতা, দায়িত্ববোধ ও মানবিক মূল্যবোধ গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

বর্তমানে তরুণদের একটি অংশ মাদক, সহিংসতা, অনলাইন আসক্তি ও নৈতিক অবক্ষয়ের ঝুঁকিতে রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে পরিবার ও সমাজকে তরুণদের ধর্মীয় ও মানবিক শিক্ষায় উদ্বুদ্ধ করতে হবে। ঈদের সময় সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবামূলক কর্মকাণ্ডে তরুণদের সম্পৃক্ত করা হলে তাদের মধ্যে দায়িত্বশীলতা ও সহমর্মিতা বৃদ্ধি পাবে।
অনেক তরুণ এখন বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের মাধ্যমে ঈদে দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়াচ্ছেন, কোরবানির মাংস বিতরণ করছেন এবং পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে অংশ নিচ্ছেন। এসব উদ্যোগ সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তনের বার্তা বহন করে।

আজকের বিশ্ব নানা সংকটে জর্জরিত। যুদ্ধ, দারিদ্র্য, শরণার্থী সংকট, বৈষম্য ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা বিশ্বব্যাপী উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। ফিলিস্তিনসহ বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে নিরীহ মানুষ চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে।
এই প্রেক্ষাপটে ঈদ-উল-আজহার শিক্ষা বিশ্বমানবতার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ত্যাগ, সহমর্মিতা ও ভ্রাতৃত্ববোধের আদর্শ বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠায় কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। জদি মানুষ ব্যক্তিস্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে মানবকল্যাণে কাজ করে, তবে একটি ন্যায়ভিত্তিক ও শান্তিপূর্ণ বিশ্ব গড়ে তোলা সম্ভব।

ঈদ-উল-আজহা কেবল ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা নয়, এটি আত্মত্যাগ, মানবতা, সহমর্মিতা ও সামাজিক সম্প্রীতির এক মহিমান্বিত শিক্ষা। এই উৎসব মানুষকে শেখায় আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য নিজের প্রিয় জিনিস ত্যাগ করতে, অন্যের দুঃখ-কষ্ট ভাগ করে নিতে এবং সমাজে ভালোবাসা ও সৌহার্দ্য প্রতিষ্ঠা করতে।

বর্তমান সময়ে জখন সমাজে বিভেদ, অসহিষ্ণুতা ও নৈতিক অবক্ষয় বাড়ছে, তখন ঈদ-উল-আজহার শিক্ষা আরও বেশি প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠেছে। আমাদের উচিত কোরবানির প্রকৃত চেতনাকে হৃদয়ে ধারণ করা এবং ব্যক্তি ও সমাজজীবনে তার বাস্তব প্রয়োগ নিশ্চিত করা। ত্যাগের মহিমা, মানবিক মূল্যবোধ ও সম্প্রীতির আলোয় উদ্ভাসিত হোক আমাদের জীবন, সমাজ ও রাষ্ট্র। ঈদ-উল-আজহা হয়ে উঠুক শান্তি, সাম্য ও মানবকল্যাণ প্রতিষ্ঠার অনুপ্রেরণা। ঈদ-উল-আজহা সবার জন্যে হোক আনন্দময়।

[লেখক পরিচিতি:
লায়ন মোঃ গনি মিয়া বাবুল
(শিক্ষক, কবি, কলাম লেখক, সমাজসেবক ও সংগঠক),Email:lionganibabul@gmail.com

Tags: ঈদ-উল
Abdul Halim Nisun

Abdul Halim Nisun

Next Post
পঞ্চগড় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় ১ শিশুসহ নিহত ২, ট্রাকে আগুন

পঞ্চগড় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় ১ শিশুসহ নিহত ২, ট্রাকে আগুন

Recommended

নারায়ণগঞ্জে দুটি অভিযানে ২১ জন জুয়াড়ি গ্রেফতার

নারায়ণগঞ্জে দুটি অভিযানে ২১ জন জুয়াড়ি গ্রেফতার

5 years ago
নোয়াখালীতে মেয়র পদপ্রার্থী’র পক্ষে কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবকলীগের পথসভা

নোয়াখালীতে মেয়র পদপ্রার্থী’র পক্ষে কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবকলীগের পথসভা

4 years ago

জনপ্রিয় খবর

  • জীবন মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে মৃত্যুর প্রহর গুনছেন সাংবাদিক সাজ্জাদ

    জীবন মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে মৃত্যুর প্রহর গুনছেন সাংবাদিক সাজ্জাদ

    0 shares
    Share 0 Tweet 0
  • কুরবানির পশুর চামড়া সংরক্ষণে প্রশিক্ষণ কর্মশালা

    0 shares
    Share 0 Tweet 0
  • অন্তর হাসান এর পরিচালনায় চিত্র নায়িকা আঁচল ও অমি

    0 shares
    Share 0 Tweet 0
  • লাগামহীন লোভই রানা প্লাজার দুর্ঘটনার কারণ : বাংলাদেশ ন্যাপ

    0 shares
    Share 0 Tweet 0
  • শরীয়তপুর সাংবাদিক শামসের মুক্তির দাবিতে মানববন্ধন

    0 shares
    Share 0 Tweet 0

Connect with us

Facebook Twitter Youtube RSS

প্রধান কার্যালয়

ডেইলি সকালের কাগজ

২১, রাজউক এভিনিউ, পরিবহণ ভবন (৬ষ্ঠ তলা)
মতিঝিল, ঢাকা-১০০০।
মোবাইল: ০১৭৩৯৪১৭৫২৪, ০১৯৪৩৩৩৬৮১৩

সম্পাদক ও প্রকাশক

আব্দুল হালিম নিশান

ইমেইল: dailysokalerkagoj@gmail.com
বার্তা বিভাগ : হাজী নেকবর আলী সুপার মার্কেট,পঞ্চম তলা,চিটাগাংরোড ,নারায়ণগঞ্জ ।
ds.kagoj@gmail.com

প্রধান উপদেষ্টা

মো: রূপালী খান

ব্যবস্থাপক : মো: মহিবুল্লাহ লিটন।
সহকারী সম্পাদক : মো: আরিফ বিল্লাহ ডালিম।
সহকারী সম্পাদক : রাজিবুল হাসান ।

© 2023 ALL RIGHTS RESERVED | DAILYSOKALERKAGOJ.COM.

No Result
View All Result
  • হোম
  • বাংলাদেশ
    • জাতীয়
    • এক্সক্লুসিভ
    • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • দেশজুড়ে
    • ঢাকা
    • চট্টগ্রাম
    • খুলনা
    • রাজশাহী
    • সিলেট
    • বরিশাল
    • ময়মনসিংহ
    • রংপুর
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
    • বিশ্বকাপ
    • ক্রিকেট
    • ফুটবল
    • টেনিস
    • হকি
  • অর্থনীতি
    • বিশ্ব অর্থনীতি
    • বিজনেস বিশেষ
    • শেয়ার বাজার
    • ব্যবসা-বাণিজ্য
    • ব্যাংক-বীমা
  • আরো সংবাদ
    • লাইফস্টাইল
      • রেসিপি ও রেস্তোরা
      • ফ্যাশন
      • রুপচর্চা
      • অন্যান্য
    • বিচিত্র জগত
    • শিক্ষাঙ্গন
    • সাহিত্য
    • ধর্ম
    • স্বাস্থ্য
    • অপরাধ
    • দুর্ভোগ
    • নারী
    • মতামত
    • চাকুরি
    • প্রবাস
    • আইন আদালত
    • তথ্যপ্রযুক্তি

© 2023 ALL RIGHTS RESERVED | DAILYSOKALERKAGOJ.COM.

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In
ভাষা