এই সব ব্যক্তি শহিদদের রক্তের উপর দাঁড়িয়ে আমজনতার সাথে দিনের পর দিন নির্মম ঠাট্টা-মশকরা চালিয়ে যাচ্ছেন। সেই সাথে জনগণের কথা না ভেবে একের পর এক বিভিন্ন জনবিরোধী সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন বেশ কয়েকজন উপদেষ্টা। যা শুধু দেশের মানুষের ইচ্ছের বিরুদ্ধেই যাচ্ছে না; স্বাধীনতা-স্বাধীকারের বিরুদ্ধেও যাচ্ছে। তাই চাই অনতিবিলম্বে বাংলাদেশের মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করুন। এসময় তিনি হত্যাকাণ্ডের শিকার সাংবাদিক হায়াত উদ্দীন-এর ঘাতকদের দ্রুত গ্রেফতার ও কঠোর বিচারের দাবি জানান।
উপস্থিত ছিলেন প্রেসিডিয়াম মেম্বার বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুল হক, সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান শান্তা ফারজানা, ভাইস চেয়ারম্যান ডা. নূরজাহান নীরা, যুগ্ম মহাসচিব মনির জামান, ওয়াজেদ রানা, সাংগঠনিক সম্পাদক হরিদাস সরকার, আইন বিষয়ক সম্পাদক এ্যাড. শাহআলম আল শাওন, আফতাব মন্ডল, সালমান শেখ, মো. হাফিজ, ঝুমুর রাণী, নূরজাহান বেগম, মো. কোরবান আলী প্রমুখ। বক্তারা এসময় আইন-শৃঙ্খলার অবনতির কারণে স্বরাষ্ট্র, চিকিৎসাসেবা উন্নত না করে বিদেশে চিকিৎসার জন্য যাওয়ায় স্বাস্থ্য, দ্রব্যমূল্য কমাতে ব্যর্থ হওয়ায় খাদ্য ও বেকারত্ব বৃদ্ধি হওয়ার প্রতিবাদে যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টার পদত্যাগের দাবি জানান।




