মুসলিম ঐক্যজোটের উদ্যোগে ফারাক্কা দিবস উপলক্ষে রাজধানীতে এক গণসমাবেশের দৃশ্য চোঁখে পড়েছে।
শুক্রবার (১৬ মে) ঐতিহাসিক ফারাক্কা লংমার্চ দিবস উপলক্ষে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মুসলিম ঐক্যজোটের উদ্যোগে এক বিশাল গণসমাবেশের আয়োজন করা হয়।
মুসলিম ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ উন্নয়ন পার্টির সভাপতি সৈয়দ মোখলেসুর রহমানের সভাপতিত্বে সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, মুসলিম ঐক্যজোটের মহাসচিব ও গ্রীনপার্টি বাংলাদেশ এর চেয়ারম্যান রাজু আহম্মদ খান, বাংলাদেশ মুসল্লী কমিটির চেয়ারম্যান আমীর আলী হাওলাদার, ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ) এর সভাপতি স্বপন কুমার সাহা, বাংলাদেশ জনমত পার্টির প্রধান আহ্বায়ক সুলতান জিসান, বিপ্লবী গরীব পার্টির চেয়ারম্যান ও মুসলিম ঐক্য জোটের যুগ্ম মহাসচিব দিদার হোসেন, গণতান্ত্রিক ঐক্যের সভাপতি রফিকুল ইসলাম (আসাদ), রাজনৈতিক বিশ্লেষক টি মোনি খান রীনো, গ্রীনপার্টি বাংলাদেশ এর সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্পাদক এলিজা রহমান, হিউম্যান রাইটস রিভিউ সোসাইটির চেয়ারম্যান এম এ জামান, বরিশাল বিভাগ সমিতির সদস্য নকিব হক, জাতীয় স্বাধীনতা পার্টির কেন্দ্রীয় নেতা ইয়ামিন খান, বাংলাদেশ ভাড়াটিয়া কল্যাণ সমিতির সভাপতি মাস্টার সিরাজুল ইসলাম খোকন প্রমুখ।
সভাপতির বক্তব্যে সৈয়দ মোখলেসুর রহমান বলেন, “মাওলানা ভাসানীর আদর্শে আমাদের উজ্জীবিত হতে হবে। জাতীয় স্বার্থে ঐক্যবদ্ধভাবে অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াই করতে হবে। ফারাক্কা লংমার্চ ছিল একটি ঐতিহাসিক প্রতিবাদের নাম, যা আজও আমাদের প্রেরণার উৎস। ভারত কর্তৃক পানি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে আমাদের সংগ্রাম চলমান থাকবে।”
বক্তারা ফারাক্কা বাঁধের কারণে বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলে বিরাজমান পানির সংকট, কৃষিক্ষেত্রে বিপর্যয়, পরিবেশগত ক্ষয়ক্ষতির বিরুদ্ধে কঠোর প্রতিবাদ জানান এবং সরকারের প্রতি আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক চাপ তৈরির আহ্বান জানান।
বক্তারা ফারাক্কা বাঁধের কারণে বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলে বিরাজমান পানির সংকট, কৃষিক্ষেত্রে বিপর্যয়, পরিবেশগত ক্ষয়ক্ষতির বিরুদ্ধে কঠোর প্রতিবাদ জানান এবং সরকারের প্রতি আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক চাপ তৈরির আহ্বান জানান।
সমাবেশে বক্তাগণ মাওলানা ভাসানীর সংগ্রামী চেতনা ও দেশপ্রেমকে স্মরণ করে বলেন, আজকের দিনে ভাসানীর লংমার্চের চেতনা আমাদের মাঝে জাগ্রত করতে হবে।
সমাবেশটি গণমানুষের উপস্থিতিতে প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে এবং দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় জনগণের সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।কৃষক শ্রমিক পার্টির চেয়ারম্যান সিরাজুল হক ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি ভাসানী কর্তৃক আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তব্যের সময় হাট অ্যাটাক হলে তাঁকে সাথে সাথে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে জরুরী বিভাগে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত ডাক্তার তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তাঁর মৃত্যুতে মুসলিম ঐক্যজোটের নেতৃবৃন্দ গভীর শোক প্রকাশ করেন এবং শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।
সমাবেশটি গণমানুষের উপস্থিতিতে প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে এবং দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় জনগণের সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।কৃষক শ্রমিক পার্টির চেয়ারম্যান সিরাজুল হক ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি ভাসানী কর্তৃক আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তব্যের সময় হাট অ্যাটাক হলে তাঁকে সাথে সাথে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে জরুরী বিভাগে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত ডাক্তার তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তাঁর মৃত্যুতে মুসলিম ঐক্যজোটের নেতৃবৃন্দ গভীর শোক প্রকাশ করেন এবং শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।




