১৯৩৪ সালের বৃটিশ শাসকের বিরুদ্ধে লাইন প্রথা আন্দোলন, ৫৪ সালে ২১ দফা, ৬৯ এর গণ-আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন মওলানা ভাসানী। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ১০ এপ্রিল গঠিত প্রবাসী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ছিলেন মওলানা ভাসানী। ১৯৭২ থেকে ১৯৭৫ পর্যন্ত আওয়ামী দু:শাসনের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানানোয় শেখ মুজিবুর রহমানের নির্দেশে মওলানা ভাসানীকে গ্রেফতার করা হয়। বাংলাদেশের ইতিহাস থেকে এসব মুছে ফেলা হয়েছে। তাই আগামী প্রজন্মকে সঠিক ইতিহাস জানার জন্য এসকল তথ্যাদি বই পুস্তকে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। পাশাপাশি স্বাধীনতার স্বপ্নদ্রষ্টা হিসেবে মওলানা ভাসানীকে রাষ্ট্রীয় ভাবে স্বীকৃতি দিতে কাজী ছাব্বীর সরকারের প্রতি আহবান জানিয়েছেন।
ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ভাসানী)’র সভাপতি স্বপন সাহা’র সভাপতিত্বে এবং কবি সানজিদা রসুলের সঞ্চালনায় (১৬ মে) শুক্রবার
প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন, ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি(ভাসানী)’র সিনি: সহ-সভাপতি নাজিম উদ্দিন, মানবতার দেয়াল ফাউন্ডেশনের সভাপতি মোঃ আবুল বাশার, ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ভাসানী)’র যুগ্ম-সম্পাদক মুনসুর রহমান ও টিমুনি খান প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
সভাপতির বক্তব্যে স্বপন কুমার সাহা বলেন, মওলানা ভাসানী গণতন্ত্র, প্রগতি ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির নেতা ছিলেন। মওলানা ভাসানীর আদর্শ নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার জন্য ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টির সর্বস্তরের নেতার্মীদের নৈতিক দায়িত্ব।




