• About
  • Advertise
  • Careers
সোমবার, জুন ১, ২০২৬
  • Login
NEWSLETTER
ডেইলি সকালের কাগজ
  • হোম
  • বাংলাদেশ
    • জাতীয়
    • এক্সক্লুসিভ
    • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • দেশজুড়ে
    • ঢাকা
    • চট্টগ্রাম
    • খুলনা
    • রাজশাহী
    • সিলেট
    • বরিশাল
    • ময়মনসিংহ
    • রংপুর
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
    • বিশ্বকাপ
    • ক্রিকেট
    • ফুটবল
    • টেনিস
    • হকি
  • অর্থনীতি
    • বিশ্ব অর্থনীতি
    • বিজনেস বিশেষ
    • শেয়ার বাজার
    • ব্যবসা-বাণিজ্য
    • ব্যাংক-বীমা
  • আরো সংবাদ
    • লাইফস্টাইল
      • রেসিপি ও রেস্তোরা
      • ফ্যাশন
      • রুপচর্চা
      • অন্যান্য
    • বিচিত্র জগত
    • শিক্ষাঙ্গন
    • সাহিত্য
    • ধর্ম
    • স্বাস্থ্য
    • অপরাধ
    • দুর্ভোগ
    • নারী
    • মতামত
    • চাকুরি
    • প্রবাস
    • আইন আদালত
    • তথ্যপ্রযুক্তি
ডেইলি সকালের কাগজ
  • হোম
  • বাংলাদেশ
    • জাতীয়
    • এক্সক্লুসিভ
    • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • দেশজুড়ে
    • ঢাকা
    • চট্টগ্রাম
    • খুলনা
    • রাজশাহী
    • সিলেট
    • বরিশাল
    • ময়মনসিংহ
    • রংপুর
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
    • বিশ্বকাপ
    • ক্রিকেট
    • ফুটবল
    • টেনিস
    • হকি
  • অর্থনীতি
    • বিশ্ব অর্থনীতি
    • বিজনেস বিশেষ
    • শেয়ার বাজার
    • ব্যবসা-বাণিজ্য
    • ব্যাংক-বীমা
  • আরো সংবাদ
    • লাইফস্টাইল
      • রেসিপি ও রেস্তোরা
      • ফ্যাশন
      • রুপচর্চা
      • অন্যান্য
    • বিচিত্র জগত
    • শিক্ষাঙ্গন
    • সাহিত্য
    • ধর্ম
    • স্বাস্থ্য
    • অপরাধ
    • দুর্ভোগ
    • নারী
    • মতামত
    • চাকুরি
    • প্রবাস
    • আইন আদালত
    • তথ্যপ্রযুক্তি
No Result
View All Result
ডেইলি সকালের কাগজ
Home সম্পাদকীয়

মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে আমাদের করণীয়

by Abdul Halim Nisun
মে ৩১, ২০২৬
in সম্পাদকীয়
0
মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে আমাদের করণীয়
0
SHARES
0
VIEWS
Share on FacebookShare on TwitterShare on Pinterest
লায়ন মো: গনি মিয়া বাবুল-¤
বর্তমান বিশ্বের অন্যতম ভয়াবহ সামাজিক ব্যাধির নাম মাদকাসক্তি। এটি শুধু একজন ব্যক্তিকে ধ্বংস করে না, বরং একটি পরিবার, সমাজ এবং রাষ্ট্রের ভবিষ্যৎকে অন্ধকারের দিকে ঠেলে দেয়। বাংলাদেশসহ বিশ্বের বহু দেশ আজ মাদকের ভয়াল থাবায় আক্রান্ত। প্রতিনিয়ত তরুণ সমাজের একটি অংশ মাদকের দিকে ঝুঁকে পড়ছে, যা জাতির জন্য অত্যন্ত উদ্বেগজনক। একসময় যে মাদক সীমিত আকারে কিছু নির্দিষ্ট এলাকায় সীমাবদ্ধ ছিল, আজ তা শহর থেকে গ্রাম পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়েছে। আধুনিক প্রযুক্তি, অনলাইন যোগাযোগ, সীমান্ত দুর্বলতা এবং সামাজিক অবক্ষয়ের কারণে মাদকের বিস্তার আরও ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে।
মাদক এমন এক নীরব ঘাতক, যা ধীরে ধীরে একজন মানুষকে মানসিক, শারীরিক ও অর্থনৈতিকভাবে ধ্বংস করে দেয়। একজন মাদকাসক্ত ব্যক্তি শুধু নিজের জীবন নয়, তার পরিবারের শান্তি, সামাজিক মর্যাদা এবং ভবিষ্যৎ সম্ভাবনাকেও ধ্বংস করে। সবচেয়ে ভয়াবহ বিষয় হলো, বর্তমানে স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী এবং তরুণদের মধ্যে মাদকের প্রবণতা আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে। ইয়াবা, গাঁজা, ফেনসিডিল, হেরোইন, আইসসহ বিভিন্ন ভয়ংকর মাদক সহজলভ্য হয়ে উঠছে। ফলে অপরাধ, ছিনতাই, হত্যা, ধর্ষণ, পারিবারিক সহিংসতা এবং আত্মহত্যার মতো ঘটনাও বাড়ছে।
একটি মাদকাসক্ত সমাজ কখনোই উন্নত রাষ্ট্র গঠন করতে পারে না। কারণ মাদক মানুষকে কর্মবিমুখ করে, নৈতিকতা ধ্বংস করে এবং অপরাধপ্রবণ করে তোলে। যে যুবসমাজ একটি দেশের সবচেয়ে বড় শক্তি হওয়ার কথা, সেই যুবসমাজের একটি অংশ যদি মাদকের অন্ধকারে হারিয়ে যায়, তাহলে জাতীয় উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হবেই। তাই এখনই সম্মিলিতভাবে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা জরুরি।
বর্তমানে বাংলাদেশে মাদক শুধু একটি সামাজিক সমস্যা নয়, এটি জাতীয় নিরাপত্তার জন্যও বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। সীমান্তপথে মাদক পাচার, আন্তর্জাতিক চক্রের সক্রিয়তা এবং স্থানীয় অসাধু ব্যবসায়ীদের কারণে পরিস্থিতি আরও জটিল হচ্ছে। বিভিন্ন সময়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ মাদক উদ্ধার করলেও পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ সম্ভব হচ্ছে না। কারণ মাদকের বিরুদ্ধে শুধু আইন প্রয়োগ যথেষ্ট নয়; প্রয়োজন সামাজিক সচেতনতা, নৈতিক শিক্ষা এবং পারিবারিক নজরদারি।
মাদকাসক্তির পেছনে বিভিন্ন কারণ কাজ করে। বেকারত্ব, হতাশা, পারিবারিক অশান্তি, খারাপ বন্ধুত্ব, কৌতূহল, আধুনিকতার ভুল ব্যাখ্যা এবং সামাজিক অবহেলা অন্যতম কারণ। অনেক তরুণ বন্ধুদের প্ররোচনায় প্রথমে শখের বশে মাদক গ্রহণ শুরু করে, পরে তা ভয়াবহ আসক্তিতে রূপ নেয়। আবার কেউ কেউ হতাশা বা মানসিক চাপ থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য মাদক গ্রহণ করে। কিন্তু সাময়িক আনন্দের এই বিষ একসময় পুরো জীবনকে ধ্বংস করে দেয়।
পরিবার মাদক প্রতিরোধের প্রথম ও সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান। একজন সন্তানের আচরণ, বন্ধু নির্বাচন, চলাফেরা ও মানসিক পরিবর্তনের প্রতি পরিবারকে সচেতন থাকতে হবে। অনেক অভিভাবক সন্তানের সঙ্গে বন্ধুসুলভ সম্পর্ক গড়ে তুলতে ব্যর্থ হন। ফলে সন্তানরা মানসিকভাবে দূরে সরে যায় এবং ভুল পথে জড়িয়ে পড়ে। পরিবারের সদস্যদের উচিত সন্তানদের সময় দেওয়া, তাদের সমস্যার কথা শোনা এবং নৈতিক মূল্যবোধ শেখানো। একটি সুন্দর পারিবারিক পরিবেশ একজন তরুণকে মাদক থেকে দূরে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানও মাদকবিরোধী আন্দোলনের বড় ক্ষেত্র হতে পারে। স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়মিত সচেতনতামূলক আলোচনা, সেমিনার এবং সাংস্কৃতিক কার্যক্রম বাড়াতে হবে। শিক্ষার্থীদের শুধু পাঠ্যবইয়ের জ্ঞান দিলেই হবে না, তাদের মানবিক মূল্যবোধ, নৈতিকতা ও সামাজিক দায়িত্ববোধও শেখাতে হবে। শিক্ষকরা যদি শিক্ষার্থীদের প্রতি আন্তরিক নজরদারি করেন, তাহলে অনেক সমস্যাই আগেই চিহ্নিত করা সম্ভব।
বর্তমান সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম তরুণদের জীবনে ব্যাপক প্রভাব ফেলছে। কিছু অসুস্থ কনটেন্ট ও নেতিবাচক প্রভাব তরুণদের বিপথে পরিচালিত করছে। তাই ইতিবাচক ও সচেতনতামূলক কনটেন্ট প্রচার বাড়াতে হবে। গণমাধ্যমকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। নাটক, সিনেমা কিংবা অনলাইন কনটেন্টে মাদককে ফ্যাশন বা স্টাইল হিসেবে উপস্থাপন করা হলে তরুণরা ভুল বার্তা পায়। বরং মাদকের ভয়াবহতা তুলে ধরে বাস্তবধর্মী প্রতিবেদন ও অনুষ্ঠান প্রচার করা প্রয়োজন।
সমাজের সচেতন মানুষদেরও এগিয়ে আসতে হবে। একটি এলাকায় মাদক ব্যবসা চললে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সমাজপতি, শিক্ষক, ইমাম, সাংবাদিক এবং যুবসমাজকে একযোগে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। অনেক সময় দেখা যায়, ভয় বা রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে মানুষ মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কথা বলতে চায় না। এই সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। কারণ মাদক ব্যবসায়ী শুধু একটি পরিবার নয়, পুরো সমাজের শত্রু।
ধর্মীয় মূল্যবোধ মানুষকে অপরাধ থেকে দূরে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ইসলামসহ সব ধর্মেই মাদককে নিষিদ্ধ ও ক্ষতিকর হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে মাদকবিরোধী প্রচারণায় আরও সক্রিয় হতে হবে। মসজিদ, মন্দির, গির্জা ও অন্যান্য ধর্মীয় স্থানে সচেতনতামূলক বক্তব্য মানুষের মধ্যে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারে।
সরকারের দায়িত্বও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সীমান্তে নজরদারি বাড়ানো, মাদক পাচারকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ এবং দুর্নীতিমুক্ত আইন প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি মাদকাসক্তদের শুধু অপরাধী হিসেবে দেখলে চলবে না; তাদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থাও করতে হবে। অনেক তরুণ ভুল পথে গেলেও সঠিক সুযোগ পেলে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে পারে। তাই উন্নত চিকিৎসা ও পুনর্বাসন কেন্দ্র বৃদ্ধি করা জরুরি।
বর্তমানে দেশে বিভিন্ন স্থানে মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালিত হলেও দীর্ঘমেয়াদি কার্যকর পরিকল্পনার ঘাটতি রয়েছে। শুধু অভিযান চালিয়ে মাদক নির্মূল সম্ভব নয়। এর জন্য প্রয়োজন শিক্ষা, সংস্কৃতি, খেলাধুলা এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধি। যুবসমাজকে যদি সঠিক পথে ব্যস্ত রাখা যায়, তাহলে তারা অপরাধ ও মাদক থেকে দূরে থাকবে। খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড এবং স্বেচ্ছাসেবী কার্যক্রম তরুণদের ইতিবাচক পথে পরিচালিত করতে পারে।
মাদকাসক্তির আরেকটি ভয়াবহ দিক হলো পারিবারিক ভাঙন। একজন মাদকাসক্ত ব্যক্তি পরিবারের ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালায়। অনেক পরিবার অর্থনৈতিকভাবে নিঃস্ব হয়ে যায়। সন্তানের ভবিষ্যৎ ধ্বংস হয়। স্ত্রী নির্যাতন, পারিবারিক কলহ এবং সামাজিক অস্থিরতা বাড়ে। ফলে সমাজে অশান্তি তৈরি হয়। তাই মাদক প্রতিরোধ মানে শুধু একজন ব্যক্তিকে রক্ষা করা নয়, একটি পরিবার ও সমাজকে রক্ষা করা।
বর্তমানে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে কিশোর গ্যাংয়ের উত্থানও উদ্বেগজনক। এদের অনেকেই মাদকের সঙ্গে জড়িত। ছোট বয়সে অপরাধে জড়িয়ে পড়ার পেছনে পারিবারিক অবহেলা, সামাজিক নিয়ন্ত্রণের অভাব এবং নেতিবাচক পরিবেশ দায়ী। কিশোরদের সুস্থ বিনোদন ও সঠিক দিকনির্দেশনা নিশ্চিত করতে না পারলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে।
মাদক শুধু স্বাস্থ্যহানিই ঘটায় না, এটি অর্থনীতির ওপরও নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। একজন মাদকাসক্ত ব্যক্তি কর্মক্ষমতা হারায়। চিকিৎসা ব্যয় বাড়ে, অপরাধ বৃদ্ধি পায় এবং সামাজিক নিরাপত্তা ব্যাহত হয়। রাষ্ট্রকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় অতিরিক্ত ব্যয় করতে হয়। ফলে জাতীয় উন্নয়ন ব্যাহত হয়। তাই মাদকবিরোধী আন্দোলনকে শুধু সামাজিক নয়, অর্থনৈতিক উন্নয়নের অংশ হিসেবেও দেখতে হবে।
বিশ্বের অনেক দেশ কঠোর আইন ও সামাজিক আন্দোলনের মাধ্যমে মাদক নিয়ন্ত্রণে সফল হয়েছে। বাংলাদেশেও রাজনৈতিক সদিচ্ছা, সামাজিক ঐক্য এবং জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা গেলে ইতিবাচক পরিবর্তন সম্ভব। তবে এজন্য সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্ব পালন করতে হবে।
তরুণদের মনে স্বপ্ন জাগাতে হবে। তাদের বোঝাতে হবে, জীবন খুব মূল্যবান। মাদক সাময়িক আনন্দ দিলেও শেষ পর্যন্ত ধ্বংস ছাড়া কিছুই দেয় না। একজন তরুণ যদি শিক্ষা, দক্ষতা ও মানবিক মূল্যবোধে নিজেকে গড়ে তোলে, তাহলে সে পরিবার, সমাজ ও দেশের জন্য সম্পদে পরিণত হবে।
আজ সময় এসেছে মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার। শুধু আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নয়, পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, গণমাধ্যম, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, সামাজিক সংগঠন এবং সাধারণ জনগণকে একসাথে কাজ করতে হবে। প্রত্যেকে যদি নিজ নিজ জায়গা থেকে সচেতন হয়, তাহলে একটি মাদকমুক্ত সমাজ গঠন সম্ভব।
মাদকমুক্ত সমাজ গঠন কোনো স্বপ্ন নয়, এটি একটি জাতীয় প্রয়োজন। কারণ সুস্থ সমাজ ছাড়া উন্নত রাষ্ট্র গঠন সম্ভব নয়। আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে রক্ষা করতে হলে এখনই কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। আসুন, আমরা সবাই মিলে শপথ করি, মাদককে না বলব, সচেতনতা বাড়াব এবং আগামী প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ, সুস্থ ও সুন্দর বাংলাদেশ গড়ে তুলব।
[লেখক পরিচিতি :
লায়ন মোঃ গনি মিয়া বাবুল
(শিক্ষক, কবি, কলাম লেখক, সমাজসেবক ও সংগঠক)Email:lionganibabul@gmail.com
Tags: মাদকমুক্ত
Abdul Halim Nisun

Abdul Halim Nisun

Next Post
শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকী পালিত

শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকী পালিত

Recommended

রাজধানীর ডেমরায় স্বর্ণের দোকানে ডাকাতি

রাজধানীর ডেমরায় স্বর্ণের দোকানে ডাকাতি

6 years ago
৭ই মার্চ উপলক্ষে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি

৭ই মার্চ উপলক্ষে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি

3 years ago

জনপ্রিয় খবর

  • পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন

    পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন

    0 shares
    Share 0 Tweet 0
  • সুন্দরগঞ্জ তিস্তার পানি বাড়তেই নৌকা মেরামতে ব্যস্ত চরবাসী

    0 shares
    Share 0 Tweet 0
  • জাহাঙ্গীরনগরে ছাত্রী ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে মশাল হাতে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

    0 shares
    Share 0 Tweet 0
  • কলেজ ছাত্রের সাথে ৩ সন্তানের জননী পরকীয়া

    0 shares
    Share 0 Tweet 0
  • দুমকিতে সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত-৩

    0 shares
    Share 0 Tweet 0

Connect with us

Facebook Twitter Youtube RSS

প্রধান কার্যালয়

ডেইলি সকালের কাগজ

২১, রাজউক এভিনিউ, পরিবহণ ভবন (৬ষ্ঠ তলা)
মতিঝিল, ঢাকা-১০০০।
মোবাইল: ০১৭৩৯৪১৭৫২৪, ০১৯৪৩৩৩৬৮১৩

সম্পাদক ও প্রকাশক

আব্দুল হালিম নিশান

ইমেইল: dailysokalerkagoj@gmail.com
বার্তা বিভাগ : হাজী নেকবর আলী সুপার মার্কেট,পঞ্চম তলা,চিটাগাংরোড ,নারায়ণগঞ্জ ।
ds.kagoj@gmail.com

প্রধান উপদেষ্টা

মো: রূপালী খান

ব্যবস্থাপক : মো: মহিবুল্লাহ লিটন।
সহকারী সম্পাদক : মো: আরিফ বিল্লাহ ডালিম।
সহকারী সম্পাদক : রাজিবুল হাসান ।

© 2023 ALL RIGHTS RESERVED | DAILYSOKALERKAGOJ.COM.

No Result
View All Result
  • হোম
  • বাংলাদেশ
    • জাতীয়
    • এক্সক্লুসিভ
    • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • দেশজুড়ে
    • ঢাকা
    • চট্টগ্রাম
    • খুলনা
    • রাজশাহী
    • সিলেট
    • বরিশাল
    • ময়মনসিংহ
    • রংপুর
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
    • বিশ্বকাপ
    • ক্রিকেট
    • ফুটবল
    • টেনিস
    • হকি
  • অর্থনীতি
    • বিশ্ব অর্থনীতি
    • বিজনেস বিশেষ
    • শেয়ার বাজার
    • ব্যবসা-বাণিজ্য
    • ব্যাংক-বীমা
  • আরো সংবাদ
    • লাইফস্টাইল
      • রেসিপি ও রেস্তোরা
      • ফ্যাশন
      • রুপচর্চা
      • অন্যান্য
    • বিচিত্র জগত
    • শিক্ষাঙ্গন
    • সাহিত্য
    • ধর্ম
    • স্বাস্থ্য
    • অপরাধ
    • দুর্ভোগ
    • নারী
    • মতামত
    • চাকুরি
    • প্রবাস
    • আইন আদালত
    • তথ্যপ্রযুক্তি

© 2023 ALL RIGHTS RESERVED | DAILYSOKALERKAGOJ.COM.

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In
ভাষা