এসময় স্মৃতি সংসদ সভাপতি ও বাংলাদেশ ন্যাপ মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া, সংসদ সাধারণ সম্পাদক ও এনডিপি মহাসচিব মো. মঞ্জুর হোসেন ঈসা, সাবেক ছাত্রনেতা আবদুল হালিম, সাবেক ছাত্রনেতা ইউসুফ হুমায়ূন উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশ ন্যাপ মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া বলেন, ‘আনোয়ার জাহিদ ছিলেন এমন একজন ব্যক্তিত্ব, যাঁর জীবন ও কর্ম সমাজ, দেশ এবং সাধারণ মানুষের কল্যাণের সঙ্গে নিবিড়ভাবে জড়িত ছিল। রাজনীতি ও সাংবাদিকতাকে তিনি শুধু পেশা হিসেবে দেখেননি; সত্য, ন্যায়, মানুষের অধিকার ও সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতার এক শক্তিশালী মাধ্যম হিসেবে গ্রহণ করেছিলেন। তাঁর লেখনী ও বক্তব্যে যেমন অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের সাহস ছিল, তেমনি ছিল সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখ, আশা-আকাঙ্ক্ষা ও অধিকারকে তুলে ধরার আন্তরিক প্রয়াস।’
তিনি বলেন, ‘প্রবল উস্কানীমূলক পরিস্থিতিতেও আনোয়ার জাহিদের মুখের হাসি ও ভদ্রতা এতটুকু ¤øান হতে দেখা যেত না। দেশের সৌজন্যে উদাসীন সমাজে এদিক থেকেও তিনি ছিলেন ব্যতিক্রম। রাজনীতিতে একাধিকবার তাঁর বাঁক বদল হলেও গণমানুষের রাজনীতির বিপরিতে অবস্থান গ্রহন করেন নাই। তিনি যা বিশ্বাস করতেন তার জন্যই রাজনীতি করতেন। মন্ত্রী হয়ে অবারিত সুযোগ থাকা সত্তে¡বও অর্থ কামানোর ধান্দা না করে তিনি দেশ, জাতি, রাষ্ট্র ও সাংবাদিকদের স্বার্থে কাজ করেন।’
এনডিপি মহাসচিব মো. মঞ্জুর হোসেন ঈসা বলেন, ‘আনোয়ার জাহিদ একজন সাংবাদিক হিসেবে যেমন ছিলেন নির্ভীক ও দায়িত্বশীল, তেমনই রাজনীতিক হিসাবেও তাঁর দৃঢ়তা, অন্যায়ের বিরুদ্ধে তাঁর অবস্থান এবং মানুষের কথা বলার সাহস তাঁকে স্বতন্ত্র মর্যাদা দিয়েছিল। তাঁর চিন্তা, আদর্শ ও কর্মধারা সমাজের প্রতি দায়িত্বশীলতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে কথা বলার যে সাহস তিনি দেখিয়েছেন, তা আমাদের জন্য আজও প্রাসঙ্গিক।’




