স্টাফ রিপোর্টার,গাইবান্ধা ◊◊
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ চিনিকলের জমিতে ইপিজেড দ্রুত বাস্তবায়নের পক্ষে ও বিপক্ষে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় সড়ক অবরোধ ও বিক্ষোভ হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) দুপুর ১২টা থেকে দুইঘন্টা ব্যাপী পৌর শহরের চারমাথা এলাকায় মহাসড়কের ওপর দাঁড়িয়ে ঢাকা-রংপুর মহাসড়ক অবরোধ করে স্থানীয় ছাত্র জনতা।
এসময় মহাসড়কের উভয়পাশে তিন-চার কিলোমিটার এলাকাজুড়ে দুরপাল্লার যানবাহন আটকে থাকে। খবর পেয়ে গাইবান্ধার জেলা প্রশাসক চৌধুরী মোয়াজ্জম আহমদ দুপুর দুইটার দিকে ঘটনাস্থলে গিয়ে ইপিজেড বাস্তবায়নের আশ্বাস এবং বিষয়টি সরকারকে জানানোর প্রতিশ্রুতি দিলে অবরোধ তুলে নেওয়া হয়।
এ কর্মসূচি চলাকালে বক্তব্য রাখেন, গোবিন্দগঞ্জ নাগরিক কমিটির আহব্বায়ক এমএ মতিন মোল্লা,আদিবাসী নেত্রী এমিলি হেমরম,সংগঠক রফিকুল ইসলাম,মাকসুদ,ডা. শরীফ শুভ, ইসলাম,অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা আবু রায়হান,রওশন, আবদুর রাজ্জাক ও আসলাম মিয়া, সাঁওতাল নেতা মেখায়েল বেসরা মাইকেলসহ অন্যান্যরা।
বক্তারা চিনিকলের জমিতে ইপিজেড বাস্তবায়নের দাবি জানিয়ে বলেন, শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার মহিমাগঞ্জস্থ রংপুর চিনিকলের জমিতে ইপিজেড স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। ইপিজেডের নাম দেওয়া হয় ‘রংপুর ইপিজেড’। বাংলাদেশ রপ্তানী প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (বেপজা) কর্তৃপক্ষকে ইপিজেট বাস্তবায়নের দায়িত্ব দেওয়া হয়। মোট জমির মধ্যে ৪৫০ একর জমি বেপজাকে বুঝিয়ে দেয় চিনিকল কর্তৃপক্ষ। ইপিজেড হলে দুই লক্ষাধিক মানুষের কর্মসংস্থান হবে। সেখানে সাঁওতালরা অগ্রাধিকার পাবে। কিন্তু একটি মহল এর বিরোধিতা করছে। তারাই চিনিকলের জমি অবৈধভাবে দখল করে আছেন।
এদিকে, গোবিন্দগঞ্জ-দিনাজপুর সড়কের গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার কাটামোড় এলাকায় ছয় দফা দাবিতে সড়ক অবরোধ করে সাওতালদের একাংশ।
বিকেল ৩ টা থেকে এক ঘন্টা ব্যাপী অবরোধ করে রাখে। খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সৈয়দা ইয়াসমিন সুলতানার দাবিগুলো সরকারকে জানানোর প্রতিশ্রুতি দিলে অবরোধ তুলে নেওয়া সাওতালরা। পরে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।




