নরসিংদী প্রতিনিধি।।
নরসিংদীর মাধবদীতে বিরিয়ানী হাউজে ভারতের প্যাকেটজাত ঘোড়া বা অজানা কোনো মাংস দিয়ে বিরিয়ানী,তেহারী ও কাচ্চি বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। আজ (২৬ মে) বৃহস্পতিবার জনমনে সংশয় ও বিভিন্ন অভিযোগের ভিত্তিতে মাধবদী পৌরসভার মেয়র মোঃ মোশাররফ হোসেন প্রধান মানিক ৭টি দোকান বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছেন।
মাধবদী বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অবস্থিত দোকান গুলো হলো: কোলকাতা কাচ্চি ঘর, বিসমিল্লাহ বিরিয়ানী হাউজ, নান্না বিরিয়ানী হাউজ, হাজী কাচ্চি ঘর, আল্লার দান হাজী বিরিয়ানী হাউস, মাধবদী বাজারে অবস্থিত কোলকাতা কাচ্চি ঘর। দোকানগুলো চালু হওয়ার পর থেকেই জনগনের মনে প্রশ্ন ছিল অল্প টাকায় এত মাংস দেয় কিভাবে? স্থানীয় কোনো মাংসের দোকান থেকে মাংস ক্রয় না করা, রাতে প্যাকেটজাত মাংস সরবরাহ করা, বাড়ি থেকে রান্না করে দোকানে বিক্রি করাসহ মাংসের স্বাদ নিয়ে জনগনের মনে দেখা দিয়েছে নানা প্রশ্ন। এমতবস্থায় মাধবদী পৌর কর্তৃপক্ষ তাৎক্ষনিক সুনির্দিষ্ট কিছু অভিযোগের ভিত্তিতে আপাতত উল্লেখিত বিরিয়ানী হাউজগুলো বন্ধ রাখার নির্দেশ দেন।
এবিষয়ে নান্না বিরিয়ানী হাউজের মালিক মোঃ আল আমিন হোসেন প্রতিবেদককে মুঠোফোনে বলেন, বাংলাদেশে এই ধরনের অনেক বিরিয়ানী হাউজেই এই ধরনের প্যাকেটজাত মাংস ব্যবহার করা হয়।
তবে অন্য দোকান মালিকরা বলছেন অনেকেই এই ধরনের মাংস ব্যবহার করে কিন্তু আমরা এসব মাংস ব্যবহার করি না।
বিষয়টি সম্পর্কে মাধবদী বাজার হোটেল রেস্তোরা সমিতির সভাপতি মোঃ জয়নাল আবেদীন বলেন, সংগঠনের সভাপতি ও সেক্রেটারীর পক্ষ থেকে তাদেরকে ডেকে এনে এ ধরনের মাংস ব্যবহার করতে নিষেধ করা হয়েছে কিন্তু তারা আমাদের কোনো কথাই শুনছেনা। এরা এগো মতো বেচাকেনা করছে। আমি সভাপতি হিসেবে অনেক চেষ্টা করার পরও ব্যর্থ হয়েছি।
মাধবদী পৌরসভার মেয়র মোঃ মোশাররফ হোসেন প্রধান মানিক বলেন, আমরা জেনেছি কিছু বিরিয়ানী হাউজের ব্যপারে জনমনে সন্দেহ সংশয় দেখা দিয়েছে। ফলে দোকান মালিকদের ডেকে এনে কথা বলার পর অভিযোগের প্রমান পাওয়া গেছে। কিছু সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে তাদের দোকান আপাতত বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তারা যদি ভালো মাংস দিয়ে বৈধভাবে ব্যবসা করে তাহলে তাদের দোকান খোলে দেওয়া হবে।




