২০২৪ সালের ৩ জুন প্রখ্যাত এই ছাত্রনেতা হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে তার উত্তরার নিজ বাসভবনে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
স্মরণ সভায় সভাপতিত্ব করেন, ’৯০ এর সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্যের অন্যতম কেন্দ্রীয় নেতা বাংলাদেশ ছাত্রলীগ-জাসদের তৎকালীন সভাপতি এবং বর্তমান বাংলাদেশ জাসদের সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হক প্রধান।
সভা সঞ্চালনা করেন, ’৯০ এর সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্যের অন্যতম নেতা রাজু আহমেদ। শফি আহমেদের উপর শোক প্রস্তাব উত্থাপন করেন সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলনের নেতা সালেহ আহমেদ। অনুষ্ঠানের শুরুতে শফি আহমেদ স্মরণে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়।
শফি আহমেদের স্মরণ সভায় উপস্থিত থেকে আরো আলোচনা করেন, ’৮২-’৯০ এর সামরিক স্বৈরাচার বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ যথাক্রমে, বর্তমান ঐক্য ন্যাপের সাধারণ সম্পাদক আসাদউল্লাহ তারেক, ওয়ার্কার্স পার্টির কেন্দ্রীয় নেতা আবুল হোসাইন, জাগপা নেতা আসাদুর রহমান খাঁন, ন্যাপের সাধারণ সম্পাদক ইসমাঈল হোসেন, জাসদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মহসীন, বাংলাদেশ কৃষক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক জায়েদ ইকবাল খান, বাংলাদেশ ছাত্রকেন্দ্রের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সেলিম মুজাহিদ, ওয়ার্কার্স পার্টির ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি সাদাকাত হোসেন খাঁন বাবুল, গণতন্ত্রী পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য অশোক ধর, বাংলাদেশ জাসদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রোকনুজ্জামান রোকন, সোনার বাংলা পার্টির সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ হারুন অর রশীদ, জাসদের প্রতিষ্ঠাতা সিরাজুল আলম খান—এর ভাতিজি ব্যারিস্টার ফারাহ খাঁন, গণফোরামের কেন্দ্রীয় নেতা লতিফুল বারী জসিম, বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি আসাদুজ্জামান খান মাসুম, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ (বাংলাদেশ জাসদ) এর সভাপতি গৌতম শীল প্রমুখ।

সভাপতির ভাষণে নাজমুল হক প্রধান বলেন, শফি আহমেদ বাংলা, বাঙ্গালী জাতীয়তাবাদ, ধর্মনিরপেক্ষতা, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শ, আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি এই রাজনীতি আর সারাজীবন অন্যায়ের প্রতিবাদ ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম করে গেছেন।
নেতৃবৃন্দ শফি আহমেদের আদর্শ বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।




