শুক্রবার ৯ অক্টোবর সকাল ১১ টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বাংলাদেশ গার্মেন্টস শ্রমিক ঐক্য পরিষদের এক শ্রমিক সমাবেশ পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ তৌহিদুর রহমানের সভাপতিত্বে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় বক্তব্য রাখেন, পরিষদের মহাসচিব মাহতাব উদ্দিন সহিদ ও প্রেসিডিয়াম সদস্য যথাক্রমে এম. দেলোয়ার হোসেন, আব্বাস উদ্দিন, এইচ এম বিল্লাল, সম্পাদকমন্ডলীর সদস্য তাহমিনা রহমান, শামসুল হক, ফিরোজা বেগম, ইব্রাহিম খলিল, তামান্না, মোঃ আশরাফুজ্জামান, কামরুল ইসলাম মৃধা প্রমুখ।
নেতৃবৃন্দ সমাবেশে বলেন, শ্রমমন্ত্রী অক্টোবর ২৬ মজুরী বোর্ড পূনঃ গঠনের কথা বলেছেন, আমরা উহাকে স্বাগত জানিয়ে বলতে চাই, একটি মজুরী বোর্ড গঠন শুধুমাত্র লোক দেখানো কর্মকান্ড হতে পারে না। বোর্ডকে জীবন-যাপন ব্যয়, জীবন যাপনের মান, উৎপাদন খরচ, উৎপাদন শিল্প, উৎপাদিত দ্রব্যের মূল্য, মুদ্রাস্ফীতি, কাজের ধরণ, ঝুঁকি ও মান ব্যবসায়িক সামর্থ, দেশের এবং সংশ্লিষ্ট এলাকার আর্থ-সামাজিক অবস্থা এবং অন্যান্য প্রাসঙ্গিক বিষয় বিবেচনা করে দেখতে সময় প্রয়োজন। যেহেতু অক্টোবরে মজুরী বোর্ড পুনঃ গঠন করলে হাতে মাত্র ১ মাস সময় পাবে যা প্রকৃত মজুরী নির্ধারণে ব্যর্থ হবে বলে আমরা আশংকা করছি।
নেতৃবৃন্দ বলেন, সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের পে-স্কেল জ্বালানী তেলের মূল্যবৃদ্ধি, এলপিজি গ্যাস সরকার নির্ধারিত মূল্যের চাইতেও ৭/৮ শত টাকা বেশী দিয়ে ক্রয় করা নিত্য পণ্যের ক্রমাগত মূল্যবৃদ্ধি যথা মাছ, ডিম ও সবজী আজ ক্রয় ক্ষমতার বাইরে চলে যাচ্ছে। বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি বা বিভিন্ন অজুহাতে শিল্পাঞ্চলের বাড়ীওয়ালারা প্রতি বছরে ২/৩ বার বাড়ী ভাড়া বাড়াতে দ্বিধাবোধ করে না।
অন্যদিকে সরকারি চিকিৎসা ব্যবস্থা অপ্রতুল থাকায় প্রাইভেট হাসপাতালে শ্রমিক-পরিবার সাধারণ জ্বর-কাশি বা ঠান্ডার চিকিৎসা নিতে গিয়ে সর্বশান্ত হয়ে যাচ্ছে। শিক্ষা ব্যয় অস্বাভাবিক বৃদ্ধি, শ্রমিকদের সন্তানদের জন্য এক প্রকার সোনার হরিন হয়ে গেছে। এহেন নানাবিধ প্রতিকূলতার মধ্যে ২০২৩ সালের ঘোষিত মজুরী দিয়ে শ্রমিক পরিবার সর্বোচ্চ ১৫/২০ দিন চলতে পারছে, বাকী দিনগুলো এক প্রকার উপোষ করে অতিবাহিত করছে।
নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, বর্তমানে জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার প্রধান আমাদের প্রধানমন্ত্রী গার্মেন্ট শ্রমিকদের জন্য জীবন ধারণ উপযোগী মজুরী নির্ধারণ করে শ্রমিকদের নয়নমনি হয়ে থাকবেন বলে আমরা বিশ্বাস করি।
এসময় নেতৃবৃন্দ বলেন, মজুরী বোর্ড মজুরী ঘোষণা করার পর মজুরীর বর্ধিতাংশ বাড়ীওয়ালার জন্য বিক্রেতা ও চিকিৎসা, শিক্ষাখাতে তাৎক্ষনিকভাবে চলে যায়। যেহেতু আমরা প্রধানমন্ত্রীকে মজুরী বোর্ড পুনঃগঠনের পাশাপাশি পরিষদের অন্যান্য দাবি বিবেচনার জন্য উদাত্ত আহ্বান জানাচ্ছি।
দাবিসমূহ :
২। ভর্তুকি মূল্যে খাদ্য সরবরাহে টাকা ১০০০/= (এক হাজার) প্যাকেজে চাল, ডাল, আটা, ভোজ্য তেল, চিনি।
ও শিশু খাদ্য সরবরাহের লক্ষ্যে “শ্রমিক কার্ড” চালু কর, করতে হবে।
৩। বাড়ীভাড়া নিয়ন্ত্রণ কর, করতে হবে ডরমেটরী চালু কর, করতে হবে।
৪। শিল্পাঞ্চলে “হাসপাতাল” নির্মাণ কর, সান্ধ্যকালীন “চিকিৎসা” সেবা চালু কর, করতে হবে।
৫। “ব্লাকলিষ্টিং” বন্ধ সহ কর্মক্ষেত্রে সকল প্রকার নির্যাতন বন্ধ কর, করতে হবে।
৬। কর্মক্ষেত্রে দুর্ঘটনাজনিত স্কিম, “ন্যাশনাল ইআইএস” চালু কর, করতে হবে।
২। ভর্তুকি মূল্যে খাদ্য সরবরাহে টাকা ১০০০/= (এক হাজার) প্যাকেজে চাল, ডাল, আটা, ভোজ্য তেল, চিনি।
ও শিশু খাদ্য সরবরাহের লক্ষ্যে “শ্রমিক কার্ড” চালু কর, করতে হবে।
৩। বাড়ীভাড়া নিয়ন্ত্রণ কর, করতে হবে ডরমেটরী চালু কর, করতে হবে।
৪। শিল্পাঞ্চলে “হাসপাতাল” নির্মাণ কর, সান্ধ্যকালীন “চিকিৎসা” সেবা চালু কর, করতে হবে।
৫। “ব্লাকলিষ্টিং” বন্ধ সহ কর্মক্ষেত্রে সকল প্রকার নির্যাতন বন্ধ কর, করতে হবে।
৬। কর্মক্ষেত্রে দুর্ঘটনাজনিত স্কিম, “ন্যাশনাল ইআইএস” চালু কর, করতে হবে।



