মো. মহসিন রেজা, শরীয়তপুর।।
শরীয়তপুরের ৬ষ্ঠ ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ৩১ জানুয়ারী চিকন্দী ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের পরাজিত দুই মেম্বার প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
এসময় নির্বাচনী কাজে ব্যাবহৃত ৪টি মোটরসাইকেল ও একটি মিনি ট্রাকে আগুন ধরিয়ে দেয় সন্ত্রাসীরা। এতে তিন পুলিশসহ প্রায় ১০ জন আহত হয়েছেন। প্রিজাইডিং অফিসার ইমাম হোসেন বাদী হয়ে ২৫ জনকে আসামী করে একটি মামলা দায়ের করেন, পালং মডেল থানা পুলিশ পরাজিত মেম্বার প্রার্থী দলিল উদ্দিন ধলু মাদবরকে ও আজিবর রহমানকে আটক করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানাযায়, ৬ষ্ঠ ধাপের নির্বাচনে চিকন্দী ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের ভোট কেন্দ্র ৭২ নং পশ্চিম বগাদী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মেম্বার প্রার্থী হাফেজ খান ও দলিল উদ্দিন ধলু মাদবর নির্বাচনে দু’জনেই পরাজিত হওয়ায়, তাদের সমর্থক আঃ ওয়াদুদ খান ও নুরুল ইসলাম খোকনের নেতৃত্বে সাইফুল ইসলাম খান প্রথমে ককটেল নিক্ষেপ করে। তখনই শুরু হয়ে যায় সংঘর্ষ, এসময় মেহেদী মাল, আক্কাস মাল সাইফুল শিকদার নির্বাচনী কাজে ব্যবহৃত ৪টি মোটরসাইকেল ও একটি মিনি ট্রাকে আগুন ধরিয়ে দেয়।
সংঘর্ষের ঘটনায় এসআই আনোয়ার হোসেন, কনস্টেবল মেহেদী হাসান, স্থানীয় সুলতান সরদার, মকবুল ছালাকারসহ অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। এরা সবাই শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
নির্বাচনী কাজে ব্যবহৃত মিনি ট্রাকের মালিক বলেন, আমি এই গাড়িটি ঋনের টাকা দিয়ে কিনেছিলাম এখন আমার এই ঋনের টাকা দিবে কে? আমার সংসার চলবে কিভাবে বলেই কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন।
এবিষয়ে পালং মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আকতার হোসেন জানান, সদর উপজেলার চিকন্দী ইউনিয়নে নির্বাচনী সহিংসতায় ৪টি মোটরসাইকেল ও একটি মিনি ট্রাকে আগুন ধরিয়ে দেয়া হয়েছে, এঘটনায় প্রিজাইডিং অফিসার ইমাম হোসেন ২৫ জনকে আসামী ও অজ্ঞাত শতাধিক মানুষের নামে একটি মামলা দায়ের করেছেন, ইতিমধ্যে আমরা দলিল উদ্দিন ধলুসহ দু’জনকে আটক করেছি। বাকীদের আটকের চেষ্টা চলছে।




