• About
  • Advertise
  • Careers
সোমবার, জুন ২৯, ২০২৬
  • Login
NEWSLETTER
ডেইলি সকালের কাগজ
  • হোম
  • বাংলাদেশ
    • জাতীয়
    • এক্সক্লুসিভ
    • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • দেশজুড়ে
    • ঢাকা
    • চট্টগ্রাম
    • খুলনা
    • রাজশাহী
    • সিলেট
    • বরিশাল
    • ময়মনসিংহ
    • রংপুর
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
    • বিশ্বকাপ
    • ক্রিকেট
    • ফুটবল
    • টেনিস
    • হকি
  • অর্থনীতি
    • বিশ্ব অর্থনীতি
    • বিজনেস বিশেষ
    • শেয়ার বাজার
    • ব্যবসা-বাণিজ্য
    • ব্যাংক-বীমা
  • আরো সংবাদ
    • লাইফস্টাইল
      • রেসিপি ও রেস্তোরা
      • ফ্যাশন
      • রুপচর্চা
      • অন্যান্য
    • বিচিত্র জগত
    • শিক্ষাঙ্গন
    • সাহিত্য
    • ধর্ম
    • স্বাস্থ্য
    • অপরাধ
    • দুর্ভোগ
    • নারী
    • মতামত
    • চাকুরি
    • প্রবাস
    • আইন আদালত
    • তথ্যপ্রযুক্তি
ডেইলি সকালের কাগজ
  • হোম
  • বাংলাদেশ
    • জাতীয়
    • এক্সক্লুসিভ
    • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • দেশজুড়ে
    • ঢাকা
    • চট্টগ্রাম
    • খুলনা
    • রাজশাহী
    • সিলেট
    • বরিশাল
    • ময়মনসিংহ
    • রংপুর
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
    • বিশ্বকাপ
    • ক্রিকেট
    • ফুটবল
    • টেনিস
    • হকি
  • অর্থনীতি
    • বিশ্ব অর্থনীতি
    • বিজনেস বিশেষ
    • শেয়ার বাজার
    • ব্যবসা-বাণিজ্য
    • ব্যাংক-বীমা
  • আরো সংবাদ
    • লাইফস্টাইল
      • রেসিপি ও রেস্তোরা
      • ফ্যাশন
      • রুপচর্চা
      • অন্যান্য
    • বিচিত্র জগত
    • শিক্ষাঙ্গন
    • সাহিত্য
    • ধর্ম
    • স্বাস্থ্য
    • অপরাধ
    • দুর্ভোগ
    • নারী
    • মতামত
    • চাকুরি
    • প্রবাস
    • আইন আদালত
    • তথ্যপ্রযুক্তি
No Result
View All Result
ডেইলি সকালের কাগজ
Home বাংলাদেশ এক্সক্লুসিভ

চৈতালী চক্রবর্তী কার এজন্ডা বাস্তবায়ন করতে চায় !

by Abdul Halim Nisun
জুন ২৫, ২০২৬
in এক্সক্লুসিভ, রংপুর
0
চৈতালী চক্রবর্তী কার এজন্ডা বাস্তবায়ন করতে চায় !
0
SHARES
3
VIEWS
Share on FacebookShare on TwitterShare on Pinterest
এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া-¤
গাইবান্ধার পলাশবাড়ী ৮১ ফুট উঁচু রামমূর্তি নির্মাণ হচ্ছে। আর এ নিয়ে চলছে নানা বাদানুবাদ। মুসলিশ সংখ্যাগরিষ্ট রাষ্ট্রে মন্দির এলাকার বাইরে এই ধরনের একটা মুর্তি নির্মানের বিরোধীতা করছে এবং ক্ষোভ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশের বিভিন্ন বিভিন্ন ইসলামী দল। অন্যদিকে তাদের ই বিরোধীতাকে কেন্দ্র করে আবার হিন্দু নিতারাও হুমকি দিচ্ছেন মুসলমানদের। কেউ বলছেন, গাইবান্দা ছেড়ে অন্য কোথায় বসবাস করুন আবার কেউ বলছেন হিন্দুদের জন্য আলাদা প্রদেশ গঠন করবেন। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট চৈতালী চক্রবর্তী বলেছেন, “এই বাংলাদেশ আমার। আদি বাংলাদেশও আমার। আপনারা বেশি বাড়াবাড়ি করলে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে সাহায্য চেয়ে আমরা সনাতনীদের জন্য আলাদা একটি প্রদেশ করব।” এখন প্রশ্ন থেকে যায় তাহলে কি মুসলমানরা বাংলাদেশের বাইরের কেউ ?আবার প্রশ্ন জাগে চৈতালী চক্রবর্তী এই দাবী করার ধৃষ্টাতা দেখান কি করে ? কোন শক্তির মদদ দিচ্ছে তাকে ? মদদ দাতারা আসলে কি চান ? এ দেশের সুদীর্ঘকালের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি এবং ঐতিহাসিক জুলাই বিপ্লবের জাতীয় ঐক্যকে নসাৎ করতে বিশেষ কোন মহল গভীর ও সুদূরপ্রসারী ষড়যন্ত্রের অংশ হিসাবেই এই ধরনের উষ্কানিমূলক বক্তব্য দিচ্ছেন বলেই মনে করছে অভিজ্ঞমহল। সুপ্রিম কোর্টের একজন আইনজীবীর মুখে স্বাধীন বাংলাদেশের ভূখন্ড খণ্ড বিখণ্ড করে ‘আলাদা প্রদেশ’ দাবি করা স্পষ্টত রাষ্ট্রদ্রোহিতা এবং দেশের অখন্ডতার বিরুদ্ধে এক প্রকাশ্য যুদ্ধ ঘোষণা।

মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ গাইবান্দার পলাশবাড়ীর মত একটি প্রান্তিক জনপদে কোনো প্রকার সরকারি অনুমোদন, পরিবেশ বা ভূমির ছাড়পত্র ছাড়াই এত বড় প্রকল্প তৈরি  করা হচ্ছে। এই মুর্তি তৈরীর আড়ালে অর্থ পাচার, ব্ল্যাকমেইলিং ও আন্তর্জাতিক সংযোগের গুরুতর অভিযোগ আছে, যা স্পষ্টতই কোনো সাধারণ স্থানীয় বিরোধ হতে পারে না। অন্যদিকে পলাশবাড়ীর মাঠপর্যায়ের জনসংখ্যা তত্ত্ব লক্ষ্য করা গেছে যে, যেখানে সনাতন ধর্মাবলম্বী মানুষের সংখ্যা খুবই কম। বরং সেখানে মুসলিশ সংখ্যাগরিষ্ট। তাহলে কেন হঠাৎ করেই সেখানে মুর্তি নির্মানের প্রয়োজন হলো। গাইবান্ধার পলাশবাড়ী বাংলাদেশের একটি সংবেদনশীল এলাকা আর এই সংবেদনশীল এলাকা ব্যবহার করেই গড়ে উঠেছে শ্রীশ্রী রাধাগোবিন্দ ও কালীমন্দির কমপ্লেক্স, যেখানে ইতোমধ্যে একটি ২৮ ফুট উঁচু শিব মূর্তি এবং একটি ৫০ থেকে ৫৩ ফুট উঁচু কৃষ্ণ মূর্তি তৈরি করা হয়েছে যা ২০২৫ সালের ২৭ নভেম্বর  আনুষ্ঠানিক ভাবে উদ্বোধন করেন খোদ ভারতের সহকারী হাইকমিশনার শ্রী মনোজ কুমার। বাংলাদেশের এমন একটি প্রত্যন্ত অঞ্চলের অননুমোদিত স্থাপনায় একজন উচ্চপদস্থ বিদেশী কুটনীতিকের প্রটোকলবহির্ভূত উপস্থিতি এবং একটি বিশেষ দেশের কূটনীতিদের নিয়মিত যাতায়াত কোনো সাধারণ ধর্মীয় সৌজন্য হতে পারে বলে মনে করেন না বিশেষজ্ঞরা। তারা মনে করছেন, এটি মূলত এই ভূ-রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চলটিকে আঞ্চলিক স্বার্থে কূটনৈতিক সুরক্ষা দেওয়ারই সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনার অংশ।

বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এবং পতিত স্বৈরাচারী শাসক দলের মহিলা আওয়ামী লীগের নেত্রী অ্যাডভোকেট চৈতালী চক্রবর্তীর সাম্প্রদিক বক্তব্যকে বিতর্কিত ও রাষ্ট্রদ্রোহীমূলক উগ্র মন্তব্য দেশের সার্বভৌমত্ব এবং অখণ্ডতাকে সরাসরি আঘাত করেছে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া তার বেশ কয়েকটি ভিডিও ক্লিপকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে তীব্র সমালোচনা ও আইনি বিতর্কের ঝড় উঠেছে। ভিডিওগুলি প্রকাশের পর একদিকে যেমন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে, অন্যদিকে দেশের মূলধারার গণমাধ্যমগুলোতেও তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি উঠেছে। তার বক্তব্যে উঠে আসে সরাসরি রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল কিছু সুনির্দিষ্ট হুমকি। যদিও সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ অনেকেই মনে করেন চৈতালী চক্রবর্তীর এই বক্তব্য ‌’স্লিপ অব ট্যাংক’ অথবা সস্তা ভাইরাল হবার নেশা মাত্র। তর্কের খাতিরে যদি আমরা তাও ধরে নেই তবুও বিশের।ষকরা মনে করেন তার এই বক্তব্য সস্তা ভাইরাল অবার চেষ্টা হলেও এই বক্তব্যকে কেন্দ্র করে একটি মহল দেশের মধ্যে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করে ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের চেষ্টা করতেই পারে। এই বক্তব্যকে কেন্দ্র করে কারা বাংলাদেশ বিরোধী প্রচারনা চালাচ্ছে তাদের চিহ্নিত করে প্রতিরোধ করতে হবে। ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা ও হিন্দুত্ববাদী জঙ্গি গোষ্ঠীগুলোর সাথে তার কোনো গোপন যোগসূত্র রয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখার জোর দাবি উঠেছে। পাশাপাশি তার ভারতীয় নাগরিকত্ব রয়েছে কিনা তাও তদন্তপূর্বক উদঘাটন করা প্রয়োজন। আর তা সরকারেই দায়িত্ব।

ইতিমধ্যে জনমনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে যে, গাইবান্ধায় রামমূর্তি নির্মাণের বিরোধিতা কেন? এটি কেবল নিছকই কোন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, নাকি এর পিছনে কোন রাজনৈতিক, সামাজিক, আঞ্চলিক ব্লুপ্রিন্ট রয়েছে ? এসব কিছু নিয়ে্ই সরকারকে ভাবতে হবে। সহজ ও হালকাভাবে বিষয়টি দেখার সুযোগ নাই। মনে রাখতে হবে, ছোট ছোট ভুলগুলির সমষ্টিতেই একসময় সরকারের বিরুদ্ধে বড় ষড়যন্ত্র শুরু হয়। যেকোনো ধর্মীয় অনুষ্ঠান ব্যক্তিগত বা সামাজিক ধর্মচর্চার কাজে ব্যবহৃত হলে তাতে বাধা দেয়ার কিছু নেই। কিন্তু সেখানে যদি শত কোটি বা হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগে শতশত একর জুড়ে বিশাল কমপ্লেক্স নির্মাণ করা হয়, সেটা যে ধর্মেরই হোক এর গভীরে খতিয়ে দেখা উচিত। যেমন কারা করছে, কেন করছে, অর্থ কোথা থেকে এলো ইত্যাদি। সবকিছুর তদন্তে যদি এখানে কোন নেতিবাচক কিছু না থাকে এবং তারা তাদের নিজের অর্থে নিজের জায়গায় এটি করে তাহলে সাংবিধানিক অধিকার হিসেবে তাদের বাধা দেয়ার কিছু নেই।

বাংলাদেশের জন্ম হয়েছে ভাষা, সংস্কৃতি, গণতন্ত্র ও আত্মমর্যাদার সংগ্রামের মধ্য দিয়ে। এই রাষ্ট্র কেবল মুসলমানদের নয়, কেবল হিন্দুদের নয়, কেবল বৌদ্ধ বা খ্রিস্টানদেরও নয়; এটি সকল নাগরিকের সমান অধিকার ও মর্যাদাভিত্তিক রাষ্ট্র। মহান মুক্তিযুদ্ধে সব ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষ রক্ত দিয়েছেন। ফলে বাংলাদেশকে বিভক্ত করার কোনো ধারণা, ইঙ্গিত বা উসকানি ইতিহাস, সংবিধান এবং জাতীয় স্বার্থের সাথে সাংঘর্ষিক। একই সাথে এইটও মনে রাখতে হবে যে, দেশের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা, অধিকার ও ধর্মীয় স্বাধীনতা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের সাংবিধানিক দায়িত্ব। কোথাও যদি বৈষম্য, নিপীড়ন বা অন্যায় ঘটে, তবে তার প্রতিকার হতে হবে আইন ও বিচারব্যবস্থার মাধ্যমে। কিন্তু কোনো সমস্যার সমাধান কখনো বিভাজন, উসকানি বা সংঘাতের ভাষায় হতে পারে না।

চৈতালী চক্রবর্তী ২০২৪-এর জুলাই গণঅভ্যুত্থানে মানবতাবিরোধী অপরাধে জড়িত থাকার দায়ে অভিযুক্ত ও বর্তমানে নিষিদ্ধ দল আওয়ামী লীগের একজন উগ্র সমর্থক বলেই পরিচিত। নিজেকে শেখ মুজিবুর রহমান ও শেখ হাসিনার অন্ধ ভক্ত দাবি করে এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘‘জননেত্রী শেখ হাসিনা যখন বলেছেন, তিনি ফিরবেন, তখন তিনি অবশ্যই ফিরবেন। কারণ, শেখ হাসিনা মানেই বাংলাদেশ।’’ এছাড়া অন্য ভিডিওতে তাকে ‘জুলাই বিপ্লব’কে কটাক্ষ করে বলতে শোনা যায়, ‘‘জুলাই জুলাই বললেই গণধোলাই হবে, সেই দিন চলে আসছে।’’ একই সাথে তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতায় ভারতের একক অবদান দাবি করে সরাসরি ভারতের পা চাটেন এবং নগ্ন দালালি প্রকাশ করে বলেন, ‘‘আমরা আজকে বাংলাদেশ পেয়েছি এটা ভারতের অবদান এটা স্বীকার করতেই হবে। তাই ভারতের সম্পর্কে আমরা সরাসরি ভারতকে সাপোর্ট করি কারণ ভারত থেকে আমরা সহযোগিতা পেয়েছি।’’ এই সকল বক্তব্যই বাংলাদেশের স্বার্থ পরিপন্থি। ভারতীয় ‘র’ ও সাউথ ব্লকের নীলনকশার অঘোষিত ট্রেইলার? ভূরাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, চৈতালী চক্রবর্তীর এই বক্তব্য কোনো আকস্মিক বা বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। এর পেছনে রয়েছে নয়াদিল্লির কট্টরপন্থী থিংক ট্যাঙ্ক এবং গোয়েন্দা সংস্থা ‘র’-এর দীর্ঘদিনের গোপন মাস্টারপ্ল্যান।

রাজনৈতিক ও আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন, এডভোকেট চৈতালীর মতো উগ্রপন্থীরা আসলে দেশের সাধারণ শান্তিপ্রিয়, দেশপ্রেমিক সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রতিনিধিত্ব করেন না। এরা ধর্মকে রাজনৈতিক ও ভূকৌশলগত ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে সাধারণ সনাতনীদের আবেগকে ব্ল্যাকমেইল করছে এবং ভিনদেশী সামরিক বা রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের ক্ষেত্র প্রস্তুত করার পাঁয়তারা করছে। এরা মূলত স্বাধীন বাংলাদেশে বসে ভিনদেশের এজেন্ডা বাস্তবায়নকারী ‘ফিফথ কলামনিস্ট’ বা পঞ্চম বাহিনী হিসাবেই দায়িত্বরত। বৃহৎ ভূরাজনৈতিক এজেন্ডাগুলোকে  নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের মতে ভারতের নিরাপত্তা বিশ্লেষক ভরত কর্ণাদের ‘রংপুর ব্যবচ্ছেদ ও জনসংখ্যাতাত্ত্বিক প্রকৌশল তত্ত্ব’। যেখানে শিলিগুড়ি করিডোর বা চিকেনস নেক সুরক্ষায় রংপুর বিভাগকে ভারতের বাফার জোন বা মধ্যবর্তী অঞ্চল বানানোর পরিকল্পনা রয়েছে। উগ্রপন্থি লেখক আর. জগন্নাথনের ‘দ্বি-রাষ্ট্র সমাধান ও সভ্যতার ক্ষত তত্ত্ব’। যা বাংলাদেশে হিন্দুদের জন্য আলাদা হিন্দু আবাসভূমি তৈরি করার প্রস্তাব এবং জয়দীপ মজুমদারের ‘মাতৃভূমি প্রস্তাব এবং করিডোর সম্প্রসারণ তত্ত্ব’-এর আলোকে ব্যাখ্যা করছেন।

রাষ্ট্রীয় নীতির অংশ হিসেবে প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় স্থায়ী স্থানীয় সংস্কৃতি ও ধর্মীয় সম্প্রীতি কমিটি গঠন করা প্রয়োজন, ভবিষ্যতে দেশের যে কোনো প্রান্তে কোনো বিশালাকৃতির ধর্মীয় কাঠামো নির্মাণের পূর্বে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিশেষ ছাড়পত্র নেওয়া বাধ্যতামূলক করতে হবে, সকল ধর্মের যে কোনো ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের তহবিল রাষ্ট্রীয় নিরীক্ষা সংস্থার দ্বারা নিয়মিত নিরীক্ষাযোগ্য রাখার আইন প্রণয়ন করতে হবে এবং সবশেষে, বিদেশি কূটনীতিকদের রাজধানী ঢাকার বাইরে যে কোনো প্রত্যন্ত অঞ্চলে ধর্মীয় বা সামাজিক পরিদর্শনের ক্ষেত্রে অন্তত এক সপ্তাহ পূর্বে পররাষ্ট্র মতামতকে লিখিতভাবে অবহিত করা বাধ্যতামূলক করা প্রয়োজন।

আজকের প্রেক্ষাপটে সবচেয়ে বেশি দরকার সংযম, দায়িত্বশীলতা এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ। রাজনৈতিক মঞ্চ, ধর্মীয় সমাবেশ, টেলিভিশন টকশো কিংবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম—সকল জায়গায় এমন ভাষা পরিহার করতে হবে, যা জনগণের মধ্যে বিভক্তি, অবিশ্বাস বা সংঘাত সৃষ্টি করতে পারে। মতপ্রকাশের স্বাধীনতা গণতন্ত্রের অন্যতম ভিত্তি; তবে সেই স্বাধীনতার সঙ্গে দায়িত্ববোধও সমভাবে গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশের শক্তি তার বহুত্ববাদ, সহাবস্থান এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি। এই শক্তিকে দুর্বল করার মতো যে কোনো বক্তব্য—যে কোনো ব্যক্তি, গোষ্ঠী বা পক্ষ থেকেই দেয়া হোক না কেন —তা সতর্কতার সঙ্গে মূল্যায়ন করা দরকার। রাষ্ট্রের সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর উচিত আইন ও সংবিধানের আলোকে বিষয়গুলো পর্যালোচনা করা এবং একই সঙ্গে সকল নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার সুনিশ্চিত করা।

লাখ লাখ শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীন বাংলাদেশের মানচিত্রের এক ইঞ্চি মাটিও কেটে আলাদা প্রদেশ বানানোর স্বপ্ন দেখা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। সচেতন নাগরিকদের মতে, এই ধরনের ‘টাইম বোমা’ সদৃশ উগ্র বক্তব্যকে যদি এখনই কঠোর হস্তে দমন করা না হয়, তবে ভবিষ্যতে দেশের অখণ্ডতা ও সার্বভৌমত্ব মারাত্মক হুমকির মুখে পড়বে। একটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশ যেমন তার প্রতিটি নাগরিকের ধর্মীয় স্বাধীনতা রক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, ঠিক তেমনি তার ভূখণ্ডের অখণ্ডতার ওপর যে কোনো ধরনের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ আঘাত আসলে তা কঠোর হস্তে দমন করতে সমভাবে সক্ষম এবং যে কোনো বাহ্যিক ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে আমাদের সবচেয়ে বড় অস্ত্র হলো অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, অর্থনৈতিক স্বচ্ছতা এবং সর্বস্তরের জনগণের প্রখর কৌশলগত সচেতনতা এবং নূণ্যতম জাতীয় ঐকমত্য প্রতিষ্ঠা করা।

[ লেখক : কলাম লেখক, রাজনীতিক কর্মী ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক]
E-mail : gmbhuiyan@gmail.com

Tags: চৈতালী
Abdul Halim Nisun

Abdul Halim Nisun

Next Post
পঞ্চগড় ৩ দিনব্যাপী জাতীয় ফল মেলার উদ্বোধন

পঞ্চগড় ৩ দিনব্যাপী জাতীয় ফল মেলার উদ্বোধন

Recommended

জোরপূর্বক সম্পত্তি দখলের চেষ্টার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

জোরপূর্বক সম্পত্তি দখলের চেষ্টার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

5 years ago
স্বাচিপের উত্তরা আধুনিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের কমিটি গঠন 

স্বাচিপের উত্তরা আধুনিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের কমিটি গঠন 

3 years ago

জনপ্রিয় খবর

  • বোদায় বাড়ির মুদির দোকান হতে ১০০ লিটার ডিজেল জব্দ, ব্যবসায়ী’কে অর্থদন্ড

    বোদায় বাড়ির মুদির দোকান হতে ১০০ লিটার ডিজেল জব্দ, ব্যবসায়ী’কে অর্থদন্ড

    0 shares
    Share 0 Tweet 0
  • বোদায় ঘাস কাটতে গিয়ে বজ্রপাতে এক যুবকের মৃত্যু !

    0 shares
    Share 0 Tweet 0
  • বাজেট সংশোধনের দাবিতে পাবনায় মানববন্ধন

    0 shares
    Share 0 Tweet 0
  • পলাশবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কো-অর্ডিনেশন সমন্বয় সভা 

    0 shares
    Share 0 Tweet 0
  • ঝিনাইগাতী সীমান্তে পাইপগানসহ এক ব্যক্তিকে আটক করেছে বিজিবি

    0 shares
    Share 0 Tweet 0

Connect with us

Facebook Twitter Youtube RSS

প্রধান কার্যালয়

ডেইলি সকালের কাগজ

২১, রাজউক এভিনিউ, পরিবহণ ভবন (৬ষ্ঠ তলা)
মতিঝিল, ঢাকা-১০০০।
মোবাইল: ০১৭৩৯৪১৭৫২৪, ০১৯৪৩৩৩৬৮১৩

সম্পাদক ও প্রকাশক

আব্দুল হালিম নিশান

ইমেইল: dailysokalerkagoj@gmail.com
বার্তা বিভাগ : হাজী নেকবর আলী সুপার মার্কেট,পঞ্চম তলা,চিটাগাংরোড ,নারায়ণগঞ্জ ।
ds.kagoj@gmail.com

প্রধান উপদেষ্টা

মো: রূপালী খান

ব্যবস্থাপক : মো: মহিবুল্লাহ লিটন।
সহকারী সম্পাদক : মো: আরিফ বিল্লাহ ডালিম।
সহকারী সম্পাদক : রাজিবুল হাসান ।

© 2023 ALL RIGHTS RESERVED | DAILYSOKALERKAGOJ.COM.

No Result
View All Result
  • হোম
  • বাংলাদেশ
    • জাতীয়
    • এক্সক্লুসিভ
    • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • দেশজুড়ে
    • ঢাকা
    • চট্টগ্রাম
    • খুলনা
    • রাজশাহী
    • সিলেট
    • বরিশাল
    • ময়মনসিংহ
    • রংপুর
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
    • বিশ্বকাপ
    • ক্রিকেট
    • ফুটবল
    • টেনিস
    • হকি
  • অর্থনীতি
    • বিশ্ব অর্থনীতি
    • বিজনেস বিশেষ
    • শেয়ার বাজার
    • ব্যবসা-বাণিজ্য
    • ব্যাংক-বীমা
  • আরো সংবাদ
    • লাইফস্টাইল
      • রেসিপি ও রেস্তোরা
      • ফ্যাশন
      • রুপচর্চা
      • অন্যান্য
    • বিচিত্র জগত
    • শিক্ষাঙ্গন
    • সাহিত্য
    • ধর্ম
    • স্বাস্থ্য
    • অপরাধ
    • দুর্ভোগ
    • নারী
    • মতামত
    • চাকুরি
    • প্রবাস
    • আইন আদালত
    • তথ্যপ্রযুক্তি

© 2023 ALL RIGHTS RESERVED | DAILYSOKALERKAGOJ.COM.

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In
ভাষা