সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ নেতৃদ্বয় উপরোক্ত মন্তব্য করেন।
নেতৃদ্বয় বলেন, ‘সাধারণ মানুষের প্রকৃত আয় বৃদ্ধি পায় নাই বরং কমেছে। সাধারণ মানুষ সরাসরি জ্বালানি তেল না কিনলেও মূল্যবৃদ্ধির ফলে প্রতিদিন তাদের খরচ বৃদ্ধি পাবে। কারণ, জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির ফলে কৃষিতে উৎপাদিত ফসলের খরচ, পরিবহন খরচ, য়াতায়াত খরচ, শিল্পে উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি পাবে। আর এই বাড়তি খরচ সব সাধারণ মানুষের পেকেট থেকেই যাবে। যাদের পর্যাপ্ত টাকা আছে তাদের হয়তো অসুবিধা নাই। কিন্তু, সাধারণ মানুষ, স্বল্প আয়ের মানুষ ও কর্মহীন মানুষের কথা কি একবারও ভেবেছেন সরকার বাহাদুর ?’
আত্মঘাতী এই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করতে আর্থিক খাতসহ অর্থনীীতর অন্যান্য থাকে সমন্বয় করা ও দুর্নীতি-লুটপাট-অপচয় বন্ধ করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তারা বলেন, ‘দেশে মূল্যস্ফীতি ৮ শতাংশের বেশী। এসময়ে জ্বালানি তেলের মূল্য আবারো বৃদ্ধি করার ফলে মূল্যস্ফীতি আরও বৃদ্ধি পাবে বলে বিশেষজ্ঞরা আশংকা করছেন। সরকার অল্প কিছুদিন পূর্বেই জ্বালানি তেল ও বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধি করেছে। আবারো জ¦লানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি করলো। হয়তো গ্যাসের মূল্যও বৃদ্ধি করবে। এমন অবস্থায় সাধারণ মানুষের টিকে থাকা কঠিন হবে।’
নেতৃদ্বয় বলেন, ‘প্রতিদিনই বৃদ্ধি পাচ্ছে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য। দৈনিন্দিন চাহিদা মেটাতে হিমশিম খাচ্ছে সর্বস্তরের মানুষ। এরই মধ্যে সরকার জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির মাধ্যমে জনস্বার্থ বিরোধী অবস্থান গ্রহন করেছে। জনজীবনে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে। মূলত: সরকার ছলে বলে কৌশলে সাধারণ মানুষের আয়ের উপর গোপন হামলা চালাচ্ছে। জনগনের পরিশ্রমের অর্থ নানা কায়দায় হাতিয়ে নিচ্ছে। প্রত্যক্ষ করের পরিবর্তে পরোক্ষ করের বোঝাতো আছেই, সেই সঙ্গে যোগ হয়েছে তেল-বিদ্যুৎ-সিলিন্ডার গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধি। জনগন কি সবকিছু অকাতরে মেনে নেবে? পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেলে জনগন কি করবে ?’




