তিনি বলেন, কৃষকের উৎপাদন খরচ কমাতে কৃষি ও সেচ খাতে বিশেষ জ্বালানি সহায়তা দিতে হবে। একই সঙ্গে গণপরিবহন ও পণ্যবাহী যানবাহনের ভাড়া অযৌক্তিকভাবে বাড়ানো বন্ধে তাৎক্ষণিক কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে।
শেখ রফিকুল ইসলাম বাবলু সরকারের প্রতি অবিলম্বে জ্বালানি তেলের বাড়তি ২০ টাকা প্রত্যাহার, বাজারে কঠোর নজরদারি এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য নিয়ন্ত্রণে জরুরি পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানান।
তিনি আরও দাবি করেন, ১৫ দিনের মধ্যে জ্বালানি তেলের মূল্য নির্ধারণের পূর্ণাঙ্গ হিসাব—আমদানি ব্যয়, শুল্ক-কর, পরিবহন ও বিপণন ব্যয়সহ—জনসম্মুখে প্রকাশ করতে হবে। পাশাপাশি ৩০ দিনের মধ্যে জ্বালানি খাতের ব্যয়, অপচয় ও ব্যবস্থাপনা পর্যালোচনা করে সংস্কার পরিকল্পনা প্রকাশ এবং নিম্নআয়ের মানুষ ও শ্রমজীবী পরিবারের জন্য বিশেষ সহায়তা ঘোষণা করতে হবে।
তিনি বলেন, “জনগণের জীবনযাত্রার ব্যয় কমানো এবং কৃষক-শ্রমজীবী মানুষের স্বার্থ রক্ষাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে হবে। জ্বালানি তেলের বাড়তি মূল্য প্রত্যাহারসহ প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণে আর কোনো কালক্ষেপণ করা যাবে না।”




