তারা অভিযোগ করেন, পরিকল্পিতভাবে এই হত্যাকাণ্ডের বিচার কার্যক্রমকে ধীরগতি করা হচ্ছে। অপরাধীরা এখনো আইনের আওতার বাইরে রয়েছে। এতে করে নিহতদের পরিবার, তাবলিগের সাধারণ সাথী এবং পুরো মুসলিম সমাজ ক্ষুব্ধ ও বিক্ষুব্ধ।
সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের পক্ষ থেকে কয়েকটি দাবি উত্থাপন করা হয়—
১. সাদপন্থীদের হত্যাকাণ্ডের দ্রুত চার্জশিট দাখিল ও সুষ্ঠু বিচার কার্যক্রম শুরু করতে হবে।
২. হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী ও হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করতে হবে।
৩. সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশে কর্মরত সাদপন্থীদের ২ জন পুলিশ অফিসারকে প্রত্যাহার বা বদলি করতে হবে।
৪. হামলায় জড়িত সকল প্রভাবশালী মহলকে আইনের আওতায় আনতে হবে।
৫. সারাদেশের তাবলিগ মসজিদগুলোকে হামলামুক্ত রাখার জন্য কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে।
তাবলীগ জামাত বাংলাদেশ (শুরায়ী নেজামের) মিডিয়া সমন্বয়, হাবিবুল্লাহ রায়হান জানান- এ সময় বক্তারা আরো বলেন, ইসলামের দাওয়াতি মেহনতকে কলুষিত করার ষড়যন্ত্র সফল হতে দেয়া হবে না। এ জন্য সকল আলেম, উলামা, ইমাম ও মুসল্লিদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানানো হয়।
তারা আরও জানান, আগামী বিশ্ব ইজতেমা-২০২৬ কে সামনে রেখে তুরাগ ময়দানের শান্তি-শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকারের প্রতি অনুরোধ জানানো হচ্ছে।
সংবাদ সম্মেলনে নিহতদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বক্তারা বলেন, “আমরা বিশ্বাস করি দেরিতে হলেও বিচার হবেই। এ নৃশংস হত্যাকাণ্ডের বিচার না হলে এদেশের মানুষ আইনের প্রতি আস্থা হারাবে।”




