ফলে একটি মহল শেখ হাসিনার উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডের প্রতি ঈর্ষান্বিত হয়ে ভোট বর্জনের ঘোষণা দিয়ে, গণ—মানুষের ভোটাধিকার প্রয়োগে নিরুৎসাহিত করছে। সরকার পরিবর্তন বা নির্বাচন বিতর্কিত হলে চলমান উন্নয়ন বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশু সম্ভাবনা রয়েছে। তাই কোন ব্যক্তি বা পরিবার বা দলের স্বার্থে নয়, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে, দেশের স্বার্থে, জনগণের কল্যাণে, সম্প্রীতির বাংলাদেশ বিনির্মাণে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের ধারাবাহিকতা রক্ষা করা প্রয়োজন । জাতীয় সাহিত্য অধিদপ্তর বাস্তবায়ন পরিষদ কর্তৃক আয়োজিত “গণতন্ত্র ও টেকসই উন্নয়নে সরকারের ধারাবাহিকতার অপরিহার্যতা” শীর্ষক আলোচনা সভায় সংগঠনের প্রধান সমন্বয়ক কাজী ছাব্বীর দেশের সকল কবি সাহিত্যিকদের প্রতি প্রত্যেকের ভাই—বোন, পাড়া—পরশি, আত্মীয়—স্বজনদের সঙ্গে নিয়ে উৎসবমুখর পরিবেশে কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দেওয়ার আহবান জানান। সভায় আলোচকগণ কবি সাহিত্যিকদের দীর্ঘদিনের প্রাণের দাবি সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সাথে সাহিত্যকে সংযোজনের মাধ্যমে, “সাহিত্য ও সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়” নামকরণ করে এর অধীনে “জাতীয় সাহিত্য অধিদপ্তর” প্রতিষ্ঠা করতে শেখ হাসিনার প্রতি জোরালো দাবি জানান।
সংগঠনের উপদেষ্টা কবি মোঃ দেলোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে এবং মুখপাত্র কবি ও গল্পকার নীলা মল্লিকের পরিচালনায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে অনুষ্ঠিত উম্মুক্ত আলোচনা সভায় সংগঠনের উপদেষ্টাদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল হোসাইন, প্রফেসর ডক্টর সন্দীপক মল্লিক, ছন্দ সম্রাট শাহী সবুর, শেখ জামাল উদ্দিন, বীর মুক্তিযোদ্ধা এম এ হালিম ঢালী, সমন্বয়কগণ কবি সাজেদা ডুলু, কবি শামীমা রোজী, কবি আরিফুজ্জামান জুলহাস, তাসমিন আহমেদ (শিমুল), গুলশান আরা (নীলা)সহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আগত কবি সাহিত্যিকগণ বক্তব্য রাখেন।




