নিজস্ব প্রতিবেদক-♦♦
দেশে অনেক জল্পনা-কল্পনার পরে এবার নির্বাচনি তফসিল ঘোষণা করা হয়। নতুন বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন।
গত বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে ভাষণে এই নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন।
ভাষণে, একই দিনে জুলাই সনদ বাস্তবায়নে গণভোট আয়োজনেরও ঘোষণা দিয়েছেন সিইসি।
গত ২০২৪ সালের পাঁচই অগাস্ট গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকে জাতীয় নির্বাচন নিয়ে নানা প্রশ্ন, শঙ্কা ও অনিশ্চয়তার মধ্যে এই নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করলো নির্বাচন কমিশন।
জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে সিইসি যেমন এই নির্বাচনের প্রেক্ষাপট তুলে ধরেছেন, তেমনি ভোট আয়োজনে ইসির সামনে নানা চ্যালেঞ্জের কথাও বলেছেন।
সব রাজনৈতিক দল, প্রার্থীদের ভোটে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন সিইসি। সেই সাথে ভোটারদেরও নির্ভয়ে ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো একই দিনে জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। জাতীয় নির্বাচনের ব্যালট হবে সাদা, আর গণভোটের ব্যালট হবে গোলাপি।
এবার নির্বাচনের দিনেই গণভোট অনুষ্ঠিত হওয়ায়, ভোটগ্রহণের সময় একঘণ্টা বাড়িয়ে সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত করা হয়েছে।
তবে আইনী বিধান অনুযায়ী, তফসিল ঘোষণা থেকে ভোট গ্রহণের দিনের মধ্যে ৪০ থেকে ৪৫ দিনের পার্থক্য থাকে। তবে এবার সেই সময় বাড়িয়ে করা হয়েছে দুই মাস।
এবার দেশের সাধারন জনগণ নির্ভয়ে-নির্ভিগ্নে ভোটের অধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন। ভোটের প্রয়োগে হবেন নির্বাচিত বিজয়ী প্রার্থী। তেমনি দেশে ফিরে আসবে মুক্ত গণতন্ত্রের আস্থা।




