উত্তরের সীমান্ত ঘেঁষা পঞ্চগড়ে সংসদীয় দুইটি আসনেই বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ মার্কার প্রতীকের প্রার্থীরা।
গত বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দিনভর ভোটগ্রহণ শেষে রাতে এই ফলাফল পাওয়া গেছে। বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ মার্কার প্রার্থী বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির আন্তর্জাতিক সম্পর্কবিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার মুহম্মদ নওশাদ জমির এবং বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির পল্লী উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক ও পঞ্চগড় জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আলহাজ্ব মো. ফরহাদ হোসেন আজাদ।
তাদেরকে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত ঘোষণা করেছেন, রিটার্নিং কর্মকর্তা ও পঞ্চগড় জেলা প্রশাসক কাজী মো. সায়েমুজ্জামান।
পঞ্চগড়-১ সংসদীয় আসন নিয়ে (তেঁতুলিয়া, পঞ্চগড় সদর উপজেলা ও আটোয়ারী) গঠিত ধানের শীষ মার্কাার প্রতীকের প্রার্থী ব্যারিষ্টার মুহাম্মদ নওশাদ জমির ভোট পেয়েছেন ১ লাখ ৭৬ হাজার ১৬৯।
তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দী প্রার্থী ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যজোট ও এনসিপি উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম পেয়েছেন ১ লাখ ৬৬ হাজার ৪৯ ভোট। আসনটিতে ভোটার সংখ্যা ছিল ৪ লাখ ৫৮ হাজার ৮০৭ জন। ভোট পড়েছে শতকরা ৭৭ দশমিক ৪১ শতাংশ।
এদিকে (বোদা ও দেবীগঞ্জ) উপজেলা নিয়ে গঠিত পঞ্চগড়-২ আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে ফরহাদ হোসেন আজাদ ভোট পেয়েছেন ১ লাখ ৭৪ হাজার ৬৫০।
তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বির প্রার্থী বাংলাদেশকে জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতিকে সফিউল আলম সুফি ভোট পেয়েছেন ১ লাখ ২৮ হাজার ৮৬২ জন। আসনটিতে ভোটার ছিল ৪ লাখ ১৪ হাজার ৩৫৩ জন।
ভোট পড়েছে শতকরা ৭৭ দশমিক ১৯ শতাংশ।
উল্লেখ্য, ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগের দখলে যায় আসন দুইটি। পরে আওয়ামী লীগ তত্বাবধায়ক সরকার বাতিল করলে ২০১৪ সালে আওয়ামী লীগ নির্বাচন করলেও ভোট বর্জন করে বিএনপি।
উল্লেখ্য, ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগের দখলে যায় আসন দুইটি। পরে আওয়ামী লীগ তত্বাবধায়ক সরকার বাতিল করলে ২০১৪ সালে আওয়ামী লীগ নির্বাচন করলেও ভোট বর্জন করে বিএনপি।
আবার ২০১৮ সালে বিএনপি ভোটে অংশ গ্রহণ করলেও ব্যাপক কারচুপি অভিযোগে বিতর্কিত করে ক্ষমতা নেয় আওয়ামীলীগ। ২০২৪ সালে বিএনপি নির্বাচন বর্জন করলেও একতরফা নির্বাচন করে আওয়ামী লীগ আবারও বিজয়ী হয় আসন দুটিতে




