সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ কোনো আইনই মানছে না, নৈতিক ও মানবাধিকারের সব রীতিনীতি ভঙ্গ করে মারণাস্ত্র প্রয়োগে বাংলাদেশিদের হত্যা করছে। সীমান্তে প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহার বন্ধের কোনো প্রতিশ্রুতিই রক্ষা করছে না ভারত।
নানামুখী উদ্যোগ নেওয়া হলেও ভারতীয় পুশইন কোনোভাবেই বন্ধ করা সম্ভব হচ্ছে না। বরং দিন দিন তা আরও বাড়ছে।
পঞ্চগড়ে পৃথক দুই সীমান্ত দিয়ে আবারও ১৭ জনকে পুশ ইন করেছে বিএসএফ।
বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই) সকালে পঞ্চগড়-১৮ বিজিবি ব্যাটালিয়নের সদস্যরা তেঁতুলিয়া উপজেলার ভজনপুর সীমান্ত এলাকা থেকে ৭ জন পুরুষকে আটক করে।
অন্যদিকে, একইদিন সকালে নীলফামারী-৫৬ বিজিবি ব্যাটালিয়নের সদস্যরা পঞ্চগড় সদর উপজেলার ঘাগড়া সীমান্তে দায়িত্ব পালনকালে ১ জন পুরুষ ও ৯ জন নারীকে আটক করে।
গত ১৫ দিন আগে বুধবার (১৬ জুলাই) দিবাগত রাতে পঞ্চগড় জেলার পৃথক দুই সীমান্ত দিয়ে ৮ শিশুসহ ২৪ জন নারী-পুরুষকে পুশ ইন করেছে ভারতীয় বিএসএফ।
এছাড়াও বাংলাদেশি মানুষকে গুলি করে হত্যা করেছে বিএসএফ। পাশাপাশি বিএসএফ কর্তৃক অপহরণের সংখ্যাও উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। চলতি বছরের সারাদেশে গত সাড়ে ৬ মাসে সীমান্তে ১৭ জন বাংলাদেশিকে হত্যা করেছে বিএসএফ। এসব হত্যাকান্ডের ৯৫ শতাংশই সরাসরি গুলি চালিয়ে, অবশিষ্ট ৫ শতাংশকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এসব হত্যাকান্ডে পঞ্চগড় জেলা সহ বিভিন্ন সীমান্তবর্তী এলাকার বাংলাদেশিদের মধ্যে দিন দিন বাড়ছে আতঙ্ক। সীমান্তে এহেন অনৈতিক, অমানবিক হত্যাকা- বন্ধে জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক সংস্থার শরণাপন্ন হতে পরামর্শ দিয়েছেন বিশিষ্টজনেরা।
নানামুখী উদ্যোগ নেওয়া হলেও ভারতীয় পুশইন কোনোভাবেই বন্ধ করা সম্ভব হচ্ছে না। বরং দিন দিন তা আরও বাড়ছে।
নানামুখী উদ্যোগ নেওয়া হলেও ভারতীয় পুশইন কোনোভাবেই বন্ধ করা সম্ভব হচ্ছে না। বরং দিন দিন তা আরও বাড়ছে।
বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই) সকালে পঞ্চগড় সদর ও তেঁতুলিয়া উপজেলার পৃথক দুই সীমান্ত এলাকা দিয়ে আবাও ১৭ জনকে পুশইন করেছে বিএসএফ।
পঞ্চগড়-১৮ বিজিবি ব্যাটালিয়নের সদস্যরা তেঁতুলিয়া উপজেলার ভজনপুর এলাকা থেকে ৭ জন পুরুষকে আটক করে।
এ দিকে পঞ্চগড় সদরের ঘাগড়া সীমান্ত এলাকা থেকে নারী-পুরুষসহ আরও ১০ জনকে আটক করেছে নীলফামারী-৫৬ বিজিবি ব্যাটালিয়নের সদস্যরা।
এ দিকে পঞ্চগড় সদরের ঘাগড়া সীমান্ত এলাকা থেকে নারী-পুরুষসহ আরও ১০ জনকে আটক করেছে নীলফামারী-৫৬ বিজিবি ব্যাটালিয়নের সদস্যরা।
বিজিবি জানিয়েছেন, গত বুধবার (৩০ জুলাই) দিনগত রাতে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলার শুকানি সীমান্ত এলাকা দিয়ে ৭ জন পুরুষকে পুশইন করে বিএসএফ। এরপর তারা ভজনপুরে অবস্থান করলে স্থানীয়দের সহায়তায় পঞ্চগড়-১৮ বিজিবি ব্যটালিয়নের সদস্যরা তাদের আটক করে।

এ দিকে পঞ্চগড় সদর উপজেলার হারিভাসা ইউনিয়নের ঘাগড়া সীমান্ত এলাকা থেকে পুশইন করা ১ জন পুরুষ ও ৯ জন নারীসহ ১০ জনকে আটক করে নীলফামারী-৫৬ বিজিবি ব্যাটালিয়নের সদস্যরা। আটকের পর তাদের থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
জানা যায়, আটকরা দীর্ঘদিন ধরে ভারতে অবস্থান করে আসছিলেন। সম্প্রতি তাদের ভারতীয় পুলিশ আটক করে বিএসএফের হাতে তুলে দেয়। পরে বিএসএফ পঞ্চগড়ের পৃথক দুই সীমান্ত দিয়ে তাদের বাংলাদেশে পুশইন করে।
আটককৃতরা বাংলাদেশের খাগড়াছড়ি, সিলেট, কক্সবাজার, বরিশাল, ফরিদপুর, হবিগঞ্জ, গোপালগঞ্জ, যশোর, নরসিংদী ও নওগাঁ জেলার বাসিন্দা বলে জানা গেছে।
জানা যায়, আটকরা দীর্ঘদিন ধরে ভারতে অবস্থান করে আসছিলেন। সম্প্রতি তাদের ভারতীয় পুলিশ আটক করে বিএসএফের হাতে তুলে দেয়। পরে বিএসএফ পঞ্চগড়ের পৃথক দুই সীমান্ত দিয়ে তাদের বাংলাদেশে পুশইন করে।
আটককৃতরা বাংলাদেশের খাগড়াছড়ি, সিলেট, কক্সবাজার, বরিশাল, ফরিদপুর, হবিগঞ্জ, গোপালগঞ্জ, যশোর, নরসিংদী ও নওগাঁ জেলার বাসিন্দা বলে জানা গেছে।
এ বিষয়ে পঞ্চগড়-১৮ বিজিবি ব্যাটেলিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মনিরুল ইসলাম ও নীলফামারীর ৫৬ বিজিবি ব্যাটেলিয়নের সহকারী কমান্ডার (টুআইসি) মেজর কাজী আসিফ আহমদ বলেন, আটকদের থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। একইসঙ্গে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। এ ছাড়া সীমান্ত এলাকায় সব ধরনের অপরাধ নির্মূলে কঠোর অবস্থানে রয়েছে বিজিবি বলে জানান তারা।




