জনসভায় বক্তারা একই সাথে জাতীয় নির্বাচন ও সংবিধান সংস্কার সভার দাবী করেন। তারা অভিযোগ করেন নির্বাচনের তারিখ নিয়ে বড় দলগুলো যত উদবিগ্ন, সরকারও সেসব চাপ নিয়ে যত পেরেশান; সংবিধান সংস্কারের একটা টেকসই পথ পদ্ধতি নিয়ে তারা ততই উদাসীন।
এ উদাসীনতায় ৯০ সালের তিন জোটের রুপরেখা ব্যর্থ করে দেবার মতো ষড়যন্ত্রও থাকতে পারে বলে সংশয় প্রকাশ করেন বক্তারা। তারা বলেন, সংবিধান সংস্কার রাষ্ট্র সংস্কারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ। অভ্যুত্থানের শহীদদের আত্মদানের পরও যদি বড় দলগুলোর অনিহায় সংবিধান সংস্কার টেকসই পদ্ধতিতে না হয়, তাহলে তা শহীদদের রক্তদানের সাথে প্রতারণা হবে।




