সকালের কাগজ ডেস্ক◊◊
নানা প্রতিকূলতার মধ্যে দিয়ে এবারের ২০২৫ সালে আনুষ্ঠানিক ভাবে একটি নতুন রাজনৈতিক সংগঠন ‘বাংলাদেশ জাস্টিস পার্টি, নিবন্ধনের জন্য আবেদপত্র জমা প্রদান করা হয়।
গত (১৬ এপ্রিল) বুধবার নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে বাংলাদেশ জাস্টিস পার্টির নির্বাহী সভাপতি শহিদুল ইসলাম হাওলাদারের নেতৃত্বে বাংলাদেশ জাস্টিস পার্টির নিবন্ধন আবেদপত্র জমা দেয়া হয়।
এসময় বাংলাদেশ জাস্টিস পার্টির সহ-সভাপতি রফিকুল ইসলাম এবং সাধারণ সম্পাদক মানসুর আলম সিকদারসহ দলীয় নেতৃবৃন্দ এসময় উপস্থিত ছিলেন।
জানা গেছে, জাস্টিস পার্টির সভাপতি ড. সৈয়দ জাবেদ মোহাম্মদ সালেহউদ্দিন নির্বাচন কমিশনে দলের নিবন্ধনের শর্তসমূহ
পূরণের আলোকে নির্বাচন কমিশনে আবেদনপত্র এবং ডকুমেন্টস জমা দিতে এই প্রতিনিধি দল নিযুক্ত করেন।
আরও জানা গেছে, ১৯৭০ সালে ফরিদপুর-২ এলাকার আওয়ামী লীগের এমএনএ, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, ১৯৭৩ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে জয়লাভকারী সংসদ সদস্য, সংসদে ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে সোচ্চার কণ্ঠ সৈয়দ কামরুল ইসলাম ১৯৮১ সালে বাংলাদেশ জাস্টিস পার্টি প্রতিষ্ঠা করে আনুষ্ঠানিকভাবে দলের কার্যক্রম শুরু করেন।
দলটির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ব্যারিস্টার সৈয়দ কামরুল ইসলাম মোহাম্মদ সালেহউদ্দিন ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলন, ৫২’র ভাষা আন্দোলন এবং আইয়ুব বিরোধী আন্দোলনে সরাসরি অংশ নেন এবং একাধিকবার কারাবরণ করেন।
ওয়ান ইলেভেনের পর অন্তর্বর্তী আওয়ামী স্বৈরাচার সরকারের সময় নানা প্রতিকূলতার কারণে নিবন্ধনের জন্য আবেদন করা হয়নি।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পরবর্তী স্বৈরাচার মুক্ত বাংলাদেশে গণতান্ত্রিকভাবে রাজনীতি করার সুযোগ সৃষ্টি হলে বাংলাদেশ জাস্টিস পার্টি নতুন ভাবে ঢেলে সাজানো হয় এবং নিবন্ধনের জন্য উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়।
উল্লেখ্য, ২০০৮ থেকে ২০২৪ পর্যন্ত নির্বাচন কমিশনে আওয়ামী লীগ এবং ভারতের মিত্রদের আশীর্বাদ প্রাপ্ত দলের বাইরে কোন দলের পক্ষে নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধন পাওয়ার অনুকূল অবস্থা ছিল না।




