বাগেরহাট নববধূ-জামাইসহ একই পরিবারের ৯ জন সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যুবরণ করেন ! এমন মর্মান্তিক ঘটনার প্রেক্ষিতে পরিবারসহ এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে।
জনিও তাঁর ছোট ভাই সাব্বিরের বিয়েতে খুলনার কয়রায় গিয়েছিলেন। পরিবারের সবাই মাইক্রোবাসে উঠিয়ে পিছনে মোটরসাইকেলে আসছিলেন তিনি। তাই প্রাণে বেচে গেছেন। চোঁখের সামনে মারা গেছেন স্ত্রী ফারজানা সিদ্দিকা পুতুল, ছেলে আবু তালহা আলিফ, ইরাম ও রায়হানা রহমান। আর গাড়ির ভিতর থেকে বের করা বিভৎস বাবা, ভাই, বোন, ভাগনে-ভাগনির মরদেহও দেখেন।
এতো আপনজনকে হারিয়ে এখন বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন জনি। আর পরিবারের মৃত্যুর খবর পেয়ে গতকাল থেকে অসাড় হয়ে রয়েছেন মা আঞ্জুমানয়ারা। আর বেঁচে থাকা আরেক ভাই সাদ্দাম ক্ষণে ক্ষণে মুর্ছা যাচ্ছেন।
জনির মামা নেসারুল ইসলাম সবুজ বলেন, আমার ভাগনে জনির স্ত্রীসহ তিন সন্তান মারা গেছে। মারা গেছে ভাগনের বাবা, ভাই, বোনসহ ৯ জন। এরপর থেকে জনি আর কোনো কথাবার্তাই বলছে না। বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন, ঝিম দিয়ে থাকছেন, কখনও কখনও একটু একটু করে তাকাচ্ছেন। কিছুই বলতে ও করতে পারছেন না জনি।
এর আগে, বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) মোংলা উপজেলার বেলাই ব্রিজ এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায়া একই পরিবারের ১৩ জন ও মাইক্রোবাস চালক নিহত হন।
অবশেষে জানাজার নামাজ শেষে দাফন কার্যক্রমে একই জায়গায় শায়িত করলেন ৯ জনকে।




