আজ (১১ সেপ্টেম্বর) রোববার সংবাদ মাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তারা এ দাবি জানান।
নেতৃদ্বয় বলেন, একজন মৎস্যজীবী জেলে মারা গেলে তার পরিবারকে সরকারি ভাবে ৫০ হাজার টাকা দেওয়ার নিয়ম রয়েছে। কিন্তু এতে একটি গুরুতর শুভংকরের ফাঁকি আছে। তা হলো মৃত জেলের লাশ পেতে হবে। অথচ সাগরে ঝড়ের কবলে পড়ে নিহত জেলেদের বেশির ভাগেরই লাশ পাওয়া যায় না। তাই তাদের পরিবারও ক্ষতিপূরণ পান না। আমরা এ নিয়ম বাতিলের দাবি জানাই।
তাঁরা বলেন, বিভিন্ন সময় সাগরে ঝড়ের কবলে পড়ে ভারতীয় সমুদ্রসীমায় প্রবেশের কারণে সে দেশের কোস্টগার্ড ও সীমান্তরক্ষী বাহিনীর হাতে আটকা পড়ে কারাগারে রয়েছেন প্রায় ২ শতাধিক বাংলাদেশী জেলে। উপার্জনক্ষম এসব ব্যক্তিকে হারিয়ে তাদের পরিবার খেয়ে না খেয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে। তাদের সাহায্যে কেউই এগিয়ে আসেনি, না ট্রলার মালিক না সরকার।
নেতৃদ্বয় আরো বলেন, মৎস্যজীবী জেলের বিভিন্ন বন্যা ও প্রতিকূলতার মধ্যে পড়লে তাদের উদ্ধারে বাস্তব প্রদক্ষেপ নেওয়ার কেউ নেই। সামুদ্রিক ঝড়ের কবলে পড়ে প্রতি বছর শত শত ফিসিং বোট ও ট্রলার ক্ষতিগ্রস্ত হয়, মৎস্যজীবী জেলেরা মারা যায়। তাদেরকে উদ্ধারকারী জাহাজ কোস্ট গার্ড ও নৌবাহিনীর কাছে না থাকায় জেলেরা আরো বেশি ক্ষয়ক্ষতির শিকার হচ্ছে। ভুলবশত বাংলাদেশের সমুদ্র সীমা অতিক্রম করে ভারতে গেলে, ভারতীয় কোস্টগার্ড তাদেরকে আটক করে কারাগারে প্রেরণ করে। তাদের ছাড়িয়ে আনতে পরিবারের সদস্যদের মাসের পর মাস ভারতে যেতে হয়, এতে লক্ষ লক্ষ টাকা ব্যয় হয়। কিন্তু বাংলাদেশ সরকার তাদেরকে ফিরিয়ে আনতে কোন তড়িৎ পদক্ষেপ গ্রহণ করে না।
তিনি অসহায় মৎস্যজীবী জেলেদের দেশে ফিরিয়ে আনতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন।




