শনিবার (৩১ মে) সকাল ১১ টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে দ্বীপজেলা ভোলা নাগরিক ঐক্য ফোরামের উদ্যোগে সংগঠনের আহ্বায়ক নূর মোর্শেদ এর সভাপতিত্বে ও প্রতিষ্ঠাতা সদস্য সচিব মোঃ মোস্তফার সঞ্চালনায় এ সভা করা হয়েছে।
ভোলা জেলায় বর্তমান বন্যা দুর্গতদের জন্য ত্রাণ সহায়তা ও মেঘনা নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে ভাঙ্গন বন্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
এতে উপস্থিত আছেন, বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য হায়দার আলী লেলিন, সংগঠনের সাবেক আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মালেক মনি, কেন্দ্রীয় নেতা ইলিয়াস হোসেন আরজু, মোঃ ইউসুফ, নাহিদুল ইসলাম শান্ত, মোঃ আক্কাস আলী, মাকসুদুর রহমান, এডভোকেট মোঃ ইউসুফ, মোঃ জাকির হোসেন হাওলাদার, মোঃ রাসেল ফরাজী, মোঃ জাহাঙ্গীর আলম প্রমুখ।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, গত কয়েকদিন ধরে ভোলায় ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতি দেখা দিয়েছে। এতে করে হাজার হাজার মানুষ পানিবন্দী হয়ে আছে, ডুবে গেছে গ্রামের পর গ্রাম। এ অবস্থায় দুর্গত এলাকার জন্য দ্রুত ত্রাণ সহায়তা নিয়ে সহযোগিতা করার জন্য সরকারের প্রতি দাবী জানাই।
বক্তারা আরো বলেন, ভোলা জেলার মেঘনা নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে বন্যার কারণে ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। আমরা দ্রুত সময়ের মধ্যে ভাঙ্গন রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সরকারের প্রতি দাবী জানাই। বিগত দিনে বলে এসেছি দ্বীপজেলা ভোলা একটি নদী ভাঙ্গন কবলিত এলাকা। তাই এই এলাকাটিকে পরিকল্পিতভাবে ভাঙ্গন রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি করে আসছি। বন্যা পরিস্থিতিতে যেভাবে নদী ভাঙ্গন শুরু হয়েছে এখনই ব্যবস্থা না নিলে আগামী দিনে ভয়াবহ রূপ ধারণ করবে। তাই আমরা আবারও বলি দ্রুত সময়ের মধ্যে নদী ভাঙ্গন রোধে ব্যবস্থা গ্রহণ করুন এবং দুর্গতদের জন্য ত্রাণ সহায়তা দিয়ে সহযোগিতা করুন।
বক্তারা আরো বলেন, বন্যার কারণে ভোলা ও বরিশাল ফেরিঘাটে রোগী বহনকারী ৮টি এম্বুলেন্স তিনটি লাশবাহী গাড়ি আটকে আছে, যদি ভোলা বরিশালের সেতুটি বাস্তবায়ন হতো তাহলে এই দুর্ভোগ পোহাতে হতো না এবং ভোলাতে একটি পূর্ণাঙ্গ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থাকতো তাও মানুষের এতো দুর্ভোগ হতো না। তাই আমরা দাবি করছি দ্রুত সময়ের মধ্যে ভোলা বরিশাল সেতু বাস্তবায়ন ও ভোলাতে একটি পূর্ণাঙ্গ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল স্থাপন করা হোক।