তারা বলেন, ‘১৮৮৬ সালের এমন একটি দিনে শিকাগোর হে মার্কেটে শ্রমিক শ্রেণীর প্রাপ্য অধিকার ও স্বার্থ রক্ষার জন্যে, শোষণের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ এবং আত্মত্যাগের যে গৌরবময় ইতিহাস সৃষ্টি হয়েছিলো, তা অনাদিকাল ধরে বিশ্বের সকল শ্রমিকের কাছে স্বর্নোজ্বল হয়ে থাকবে।’
মহান মে দিবসে বাংলাদেশসহ বিশ্বের সকল মেহনতি মানুষের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়ে নেতৃদ্বয় আরো বলেন, ‘অম্লান মে দিবসের অন্তর্নিহিত শক্তি ও তাৎপর্য আমাদের জাতীয়, রাষ্ট্রীয় এবং সমাজ জীবনের সর্বক্ষেত্রে অনুসরণ করে চলতে হবে। শিকাগোর শ্রমিক আন্দোলনের সেই মহান নেতা পারসন্স ফাঁসির মঞ্চে দাঁড়িয়ে বলে গেছেন, “আমাদের প্রাণ উৎসর্গ করছি পৃথিবীর সকল মানুষের দাবী প্রতিষ্ঠার জন্য।”
তারা বলেন, ‘এ-সময় সবচেয়ে হুমকির মধ্যে পড়েছেন দেশের শ্রমজীবী মানুষ। পুঁজিবাদী সমাজের বিভৎস রূপ তুলে ধরেছে। মুনাফার জন্য লুটেরারা কতটা বেপরোয়া, দায়িত্বহীন, হিংস্র হতে পারে, তা কয়েকদিনে জ্বালানি তেল, এলপিজি ও সয়াবিন তেলের মূল্যবৃদ্ধির মাধ্যমে আবারও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। শ্রমিকদের নিয়ে মালিক আর সরকারের ছিনিমিনি খেলা বন্ধ করতে হবে। ‘দিন আনা দিন খাওয়া’ শ্রমজীবী মানুষ কাজ হারিয়ে, ক্ষুধার যন্ত্রণার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। সরকারকে নিরন্ন মানুষের ঘরে খাবার পৌঁছে দেয়ার কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।’
নেতৃদ্বয় বলেন, ‘মহান মে দিবস সারা বিশ্বের শ্রমিক শ্রেনী ও মেহনতি মানুষের নিজস্ব দিন। এই দিন শ্রমিক শ্রেনীর সংগ্রাম, বিজয় আর উৎসবের দিন। আন্তর্জাতিক সংহতির এই দিনে শ্রমিক শ্রেনীকে শোষণমুক্তির সংগ্রামের লক্ষে নতুন করে শপথ গ্রহণ করতে হবে।’




