নেতৃবৃন্দ বলেন, গার্মেন্টস শ্রমিকদের জীবন-যাপনের জন্য বর্তমান মজুরী একে বারে অপ্রতুল। নিত্যপণ্যের লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধি দৈনন্দিন জীবনকে কঠিনতর করে ফেলেছে। দেশের প্রায় ৪০ লক্ষ শ্রমিকের বর্তমান পরিস্থিতি অনুধাবনে সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। মূল্যস্ফীতি ক্রমাগত চাপে শ্রমজীবী মানুষেরা আজ দিশেহারা অবস্থায় রয়েছে। প্রায় ৫০ বিলিয়ন ডলার মূল্যের বৈদেশিক মুদ্রা রফতানির মূল কারিগর পোশাক শ্রমিকদের নিম্নতম মজুরী পুনঃ নির্ধারন করা প্রয়োজন বটে। বাড়ী ভাড়াসহ সবজি বা মাছ-মুরগী ও ডিমের নিয়ন্ত্রণহীন মূল্যবৃদ্ধি শ্রমিক তার নিজ ও পরিবার কে সামান্যতম পুষ্টি যোগাতে ব্যর্থ হচ্ছে। সংশোধিত শ্রম আইন মোতাবেক নিন্মতম মজুরী বোর্ড ৩ বছর পর পর পুনঃ গঠিত হবার কথা রয়েছে সে হিসাবে ২৬ সালের শেষার্ধে মজুরী ঘোষণা করার কথা অথচ এখন পর্যন্ত নিম্নতম মজুরী বোর্ড পুনঃ গঠিত করা হয় নাই। কর্মসূচি থেকে অবিলম্বে গার্মেন্টস শ্রমিকদের জন্য মজুরী বোর্ড পুনঃ গঠনের দাবি সহ ৬ দফা মেনে নেয়ার জন্য বলা হয়। অন্যান্য
* বহুমাত্রিক শ্রমিক কার্ড ইস্যু করা এবং ১০০০ টাকা প্যাকেজে শ্রমিক পরিবারকে মাসিক চাল, ডাল, আটা, ভোজ্যতেল, চিনি ও শিশু খাদ্য চালুর ব্যবস্থা করা।
* বাড়ি ভাড়া নিয়ন্ত্রণে বিধিমালা প্রণয়ন এবং পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপে শ্রমিকদের কলোনি/ডরমিটরি নির্মাণ।
* শিল্পাঞ্চলে শ্রমিকদের সুবিধার্থে সান্ধ্যকালীন চিকিৎসা সেবা চালুসহ প্রয়োজনীয় হাসপাতাল স্থাপনের কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ।
* শ্রম আইন বহির্ভূত শ্রমিকদের কালো তালিকা করে প্রকাশ্যে গেটে প্রদর্শন করা বন্ধ করা।
* কর্মস্থলে দুর্ঘটনা জনিত ক্ষতিপূরণ স্কিম জাতীয়ভাবে ইআইএস পর্যায়ক্রমে সকল শ্রমিকদের জন্য আগামী বছর চালু করা।




