সরকার যদি এই ভুল করে আগামী দিনে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হতে পারে। তাদের বুঝা দরকার ৫ই আগস্টের পরাজিত শক্তি পিছনে আছে শক্তিশালী ভারত। যারা বরাবরই আমাদের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব আইনের শাসন সংস্কৃতি অর্থনীতি গণতন্ত্র সবকিছু নিয়ে চক্রান্তে লিপ্ত।
নেতৃবৃন্দ আগামী নভেম্বর মাসের ভিতরে সরকারের বৈধতার প্রশ্নে গণভোটের ব্যবস্থা করার জোর দাবি জানান। যদিও আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী কয়েকটি রাজনৈতিক দল জুলাই সনদে স্বাক্ষর করেছেন আইনের প্রশ্নে এই স্বাক্ষর মূল্যহীন।
গণপরিষদের নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন সংবিধানের আলোকে বর্তমান সাংবিধানিক সমস্যার সমাধান করা সম্ভব, রাস্তা দুইটা। একটা হল গণভোটের মাধ্যমে সরকার জনগণের সমর্থন নিয়ে তাদের পরবর্তী কার্যক্রম করতে পারে অথবা গণপরিষদ নির্বাচনের মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করা সম্ভব। সরকার যদি এর কোনোটি না করে বর্তমান অবস্থায় নির্বাচন দেয় তাহলে আগামী দিনে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রতিনিধিগণ ও আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী ছাত্র-জনতাকে ভবিষ্যতে আদালতের কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হবে।
জাতীয় ঐক্য জোটের প্রধান সমন্বয় আলহাজ্ব আলতাফ হোসাইন মোল্লার সভাপতিত্বে ও বাংলাদেশ মুসলিম সমাজের চেয়ারম্যান জাতীয় ঐক্য জোটের মুখপাত্র মাসুদ হোসেনের পরিচালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামের কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা মোঃ আব্দুল হালিম, বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের নায়েবে আমির অ্যাডভোকেট হেলাল উদ্দিন, জাতীয় ঐক্য জোটের প্যানেল প্রধান সমন্বয়কারী সাখাওয়াত হোসেন শুভ, জাতীয় ঐক্য জোটের মিডিয়া সমন্বয়কারী জনাব সিদ্দিকুর রহমান, ইসলামিক বুদ্ধিজীবী ফ্রন্ট এর চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার সৈয়দ আব্দুল হান্নান আল হাদী, আগ্রাসন প্রতিরোধ আন্তর্জাতিক আন্দোলনের আহ্বায়ক মাওলানা শওকত আমিন, ইসলামী জনতা পার্টির চেয়ারম্যান মাওলানা আজহারুল ইসলাম, ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টির ন্যাপ ভাসানীর চেয়ারম্যান মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন ভূঁইয়া, বাংলাদেশ ওলামা মাশায়েখ পার্টির চেয়ারম্যান মাওলনা শরীফ হাজারী, ইসলামী সমাজতান্ত্রিক পার্টির চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার হাফিজুর রহমান, ন্যাপ ভাসানীর চেয়ারম্যান মোস্তাক আহমেদ ভাসানী প্রমুখ।




