• About
  • Advertise
  • Careers
রবিবার, নভেম্বর ১, ২০২৬
  • Login
NEWSLETTER
ডেইলি সকালের কাগজ
  • হোম
  • বাংলাদেশ
    • জাতীয়
    • এক্সক্লুসিভ
    • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • দেশজুড়ে
    • ঢাকা
    • চট্টগ্রাম
    • খুলনা
    • রাজশাহী
    • সিলেট
    • বরিশাল
    • ময়মনসিংহ
    • রংপুর
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
    • বিশ্বকাপ
    • ক্রিকেট
    • ফুটবল
    • টেনিস
    • হকি
  • অর্থনীতি
    • বিশ্ব অর্থনীতি
    • বিজনেস বিশেষ
    • শেয়ার বাজার
    • ব্যবসা-বাণিজ্য
    • ব্যাংক-বীমা
  • আরো সংবাদ
    • লাইফস্টাইল
      • রেসিপি ও রেস্তোরা
      • ফ্যাশন
      • রুপচর্চা
      • অন্যান্য
    • বিচিত্র জগত
    • শিক্ষাঙ্গন
    • সাহিত্য
    • ধর্ম
    • স্বাস্থ্য
    • অপরাধ
    • দুর্ভোগ
    • নারী
    • মতামত
    • চাকুরি
    • প্রবাস
    • আইন আদালত
    • তথ্যপ্রযুক্তি
ডেইলি সকালের কাগজ
  • হোম
  • বাংলাদেশ
    • জাতীয়
    • এক্সক্লুসিভ
    • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • দেশজুড়ে
    • ঢাকা
    • চট্টগ্রাম
    • খুলনা
    • রাজশাহী
    • সিলেট
    • বরিশাল
    • ময়মনসিংহ
    • রংপুর
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
    • বিশ্বকাপ
    • ক্রিকেট
    • ফুটবল
    • টেনিস
    • হকি
  • অর্থনীতি
    • বিশ্ব অর্থনীতি
    • বিজনেস বিশেষ
    • শেয়ার বাজার
    • ব্যবসা-বাণিজ্য
    • ব্যাংক-বীমা
  • আরো সংবাদ
    • লাইফস্টাইল
      • রেসিপি ও রেস্তোরা
      • ফ্যাশন
      • রুপচর্চা
      • অন্যান্য
    • বিচিত্র জগত
    • শিক্ষাঙ্গন
    • সাহিত্য
    • ধর্ম
    • স্বাস্থ্য
    • অপরাধ
    • দুর্ভোগ
    • নারী
    • মতামত
    • চাকুরি
    • প্রবাস
    • আইন আদালত
    • তথ্যপ্রযুক্তি
No Result
View All Result
ডেইলি সকালের কাগজ
Home সম্পাদকীয়

শিক্ষার বাণিজ্যিকীকরণ রোধে কার্যকর পদক্ষেপ জরুরি

by Abdul Halim Nisun
নভেম্বর ১, ২০২৬
in সম্পাদকীয়
0
শিক্ষার বাণিজ্যিকীকরণ রোধে কার্যকর পদক্ষেপ জরুরি
0
SHARES
3
VIEWS
Share on FacebookShare on TwitterShare on Pinterest
লায়ন মোঃ গনি মিয়া বাবুল-¤
শিক্ষা মানুষের অধিকার, সমাজের অগ্রগতির ভিত্তি এবং দেশের ভবিষ্যৎ গড়ার প্রধান উপায়। শিক্ষার উদ্দেশ্য শুধু পরীক্ষায় ভালো নম্বর পাওয়া বা সনদ অর্জন নয়, এর মাধ্যমে মানুষ জ্ঞান, দক্ষতা, বিচারবুদ্ধি ও মূল্যবোধ অর্জন করে। কিন্তু যখন ভালো শিক্ষা পাওয়া পরিবারের আর্থিক সামর্থ্যের ওপর নির্ভর করতে শুরু করে, তখন শিক্ষার অধিকার ধীরে ধীরে পণ্যে পরিণত হয়। বাংলাদেশে বিদ্যালয়ের ফি, কোচিং, প্রাইভেট টিউশন, গাইডবই, নোট, মডেল টেস্ট ও অন্যান্য খরচ অনেক পরিবারের ওপর চাপ তৈরি করছে। এ অবস্থায় শিক্ষার বাণিজ্যিকীকরণ রোধ করা শুধু শিক্ষা খাতের সংস্কারের বিষয় নয়, এটি মানবিক মুল্যবোধ, সমধিকার ও ন্যায্যতা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রেও অন্যতম নিয়ামক।শিক্ষার বাণিজ্যিকীকরণ বলতে সব বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বা অর্থের বিনিময়ে দেওয়া প্রতিটি শিক্ষাসেবাকে বোঝায় না। প্রতিষ্ঠান চালাতে ব্যয় হয়, আর বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানও শিক্ষায় ভূমিকা রাখতে পারে। সমস্যা তৈরি হয় যখন শিক্ষার্থীর শেখার চেয়ে আয় বাড়ানো মুখ্য হয়ে ওঠে, ফি ও সেবার হিসাব অস্পষ্ট থাকে, কিংবা ভালোভাবে শিখতে হলে নিয়মিত পাঠের বাইরে বারবার অর্থ দিতে হয়। একটি পরিবার যদি বিদ্যালয়ের ফি দেওয়ার পরও কোচিং, টিউশন, নোট ও মডেল টেস্টের পেছনে বড় অঙ্কের অর্থ ব্যয় করতে বাধ্য হয়, তাহলে প্রশ্ন ওঠে বিদ্যালয়ের শিক্ষা কি শিক্ষার্থীর প্রয়োজন মেটাচ্ছে?

পরিবারের শিক্ষাব্যয়ের চাপ নিয়ে গবেষণায় উদ্বেগজনক চিত্র উঠে এসেছে। ক্যাম্পের Education Watch 2023 প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২২ সালে প্রাথমিক স্তরের একজন শিক্ষার্থীর জন্য পরিবারের গড় বার্ষিক ব্যয় ছিল ১৩ হাজার ৮৮২ টাকা। এর মধ্যে প্রাইভেট টিউশন ও কোচিংয়ে গড় ব্যয় ছিল ৭ হাজার ৮৬৮ টাকা। গবেষণায় আরও বলা হয়, ২০২৩ সালের প্রথম ছয় মাসে আগের তুলনামূলক সময়ের তুলনায় প্রাথমিক স্তরে শিক্ষাব্যয় ২৫ শতাংশ এবং মাধ্যমিক স্তরে ৫১ শতাংশ বেড়েছিল। এগুলো নির্দিষ্ট সময়ের জরিপের ফল, বর্তমান প্রতিটি পরিবারের ব্যয়ের হিসাব নয়। তবে তথ্যগুলো স্পষ্ট করে যে বিদ্যালয়ের বাইরের পড়াশোনার খরচ পরিবারের মোট শিক্ষাব্যয়ে বড় একটি অংশ।

কোচিং বা প্রাইভেট টিউশন সব সময় অপ্রয়োজনীয় নয়। কোনো শিক্ষার্থী কোনো বিষয়ে পিছিয়ে পড়লে অতিরিক্ত সহায়তা তার কাজে লাগতে পারে। কিন্তু শ্রেণিকক্ষে পড়া বুঝতে না পারলে এবং ভালো ফলের জন্য কোচিং প্রায় অপরিহার্য হয়ে উঠলে সেটি শিক্ষাব্যবস্থার দুর্বলতার লক্ষণ। সচ্ছল পরিবার একাধিক শিক্ষক বা কোচিংয়ের সাহায্য নিতে পারে, দরিদ্র পরিবার তা পারে না। একই শ্রেণিতে পড়েও শিক্ষার্থীরা তাই সমান প্রস্তুতির সুযোগ পায় না। শিক্ষার সাফল্য তখন মেধা ও পরিশ্রমের পাশাপাশি পরিবারের আর্থিক অবস্থার ওপরও নির্ভর করতে শুরু করে।

এই বাণিজ্যিক চাপ পরীক্ষাকেন্দ্রিকতার সঙ্গে জড়িত। যখন শিক্ষার সাফল্য মূলত নম্বর দিয়ে মাপা হয়, তখন শিক্ষার্থী বিষয়টি বোঝা বা বাস্তবে কাজে লাগানোর চেয়ে পরীক্ষায় কী আসবে তা মুখস্থ করতে বেশি সময় দেয়। গাইডবই, সাজেশন ও মডেল টেস্ট তখন সহায়ক উপকরণ না থেকে পরীক্ষায় টিকে থাকার প্রধান অবলম্বন হয়ে উঠতে পারে। কোচিং প্রতিষ্ঠানও এই উদ্বেগকে কাজে লাগিয়ে ‘ভালো ফলের নিশ্চয়তা’ বা ‘বিশেষ প্রস্তুতি’র মতো প্রচারণা চালাতে পারে। শিক্ষার্থী ও অভিভাবকের কাছে তখন শিক্ষা শেখার প্রক্রিয়ার বদলে ফল কেনার প্রতিযোগিতা বলে মনে হয়। এ প্রবণতা ঠেকাতে পরীক্ষায় মুখস্থ তথ্যের পুনরাবৃত্তির বদলে বোঝাপড়া, বিশ্লেষণ ও সমস্যা সমাধানের ক্ষমতা যাচাই করতে হবে।

শিক্ষার বাণিজ্যিকীকরণ শুধু কোচিংয়ে সীমাবদ্ধ নয়। ভর্তি ও পুনঃভর্তি, উন্নয়ন, পরীক্ষা, পরিচয়পত্র, পরিবহন, কার্যক্রম বা অন্যান্য খাতে নেওয়া অর্থের কারণ স্পষ্ট না হলে পরিবার বুঝতে পারে না কোন সেবার জন্য কত টাকা দিচ্ছে। প্রতিষ্ঠান পরিচালনায় ব্যয় থাকা স্বাভাবিক, কিন্তু ফি ও সেবার বিবরণ আগে থেকে জানানো এবং বাড়তি চার্জের যৌক্তিকতা ব্যাখ্যা করা জরুরি। একইভাবে, কোনো শিক্ষার্থীকে আলাদা অর্থ দিয়ে পড়তে চাপ দেওয়া হচ্ছে, এমন অভিযোগ থাকলে তা প্রমাণসহ নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করতে হবে। অধিকাংশ শিক্ষক নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করেন, তাই প্রমাণ ছাড়া সবাইকে দোষী করা ঠিক নয়। তবে শ্রেণিকক্ষের পাঠদান দুর্বল রেখে বাইরের টিউশনের ওপর নির্ভরতা তৈরি হলে স্বার্থের সংঘাতের ঝুঁকি থাকে। এ জন্য প্রতিষ্ঠানের স্পষ্ট নীতিমালা ও অভিযোগ জানানোর নিরাপদ ব্যবস্থা দরকার।

ইউনিসেফের ২০২৪ সালের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রাথমিক শিক্ষা শেষ করার পর বাংলাদেশের প্রায় অর্ধেক শিশু নিজের শ্রেণির উপযোগী লেখা পড়তে পারে না এবং প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ শিশু মৌলিক গণনায় সমস্যায় পড়ে। এই তথ্য দেখায়, বিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়া বা শ্রেণি পেরোনো মানেই প্রত্যাশিত শিক্ষা অর্জন নয়। শ্রেণিকক্ষে শেখার ঘাটতি থাকলে পরিবার নিজের উদ্যোগে কোচিং বা প্রাইভেট টিউশনের ব্যবস্থা করে, যা বাড়তি ব্যয় তৈরি করে। তাই বাণিজ্যিকীকরণ কমানোর একটি মূল পথ হলো বিদ্যালয়ের ভেতরেই শিক্ষার মান বাড়ানো, যাতে শিক্ষার্থী প্রয়োজনীয় জ্ঞান অর্জনের জন্য বাধ্য হয়ে অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় না করে।

শিক্ষা ব্যয়ের প্রভাব সবার ওপর সমান নয়। শহর ও গ্রামের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক, পাঠাগার, বিজ্ঞানাগার, প্রযুক্তি ও সহায়ক শিক্ষার সুযোগের পার্থক্য আছে। সচ্ছল পরিবার বিদ্যালয়ের ঘাটতি পূরণে কোচিং, টিউশন ও উপকরণ কিনতে পারে, কিন্তু নিম্নআয়ের পরিবার পারে না। ফলে শিক্ষার সুযোগে বিদ্যমান বৈষম্য আরও গভীর হতে পারে। ইউনিসেফের ২০২৫ সালের বহু-সূচক গুচ্ছ জরিপে প্রাথমিক স্তরে সমন্বিত উপস্থিতির হার ৮৫ শতাংশ, নিম্নমাধ্যমিকে ৬০.১ শতাংশ এবং উচ্চমাধ্যমিকে ৫০.৮ শতাংশ দেখানো হয়েছে। এগুলো উপস্থিতির হার, শেখার মানের সরাসরি মাপকাঠি নয়, তবে শিক্ষার্থীদের উচ্চতর স্তরে ধরে রাখা যে চ্যালেঞ্জ, তা বোঝায়। ইউনিসেফের জরিপের তথ্য পরিবারের ওপর অতিরিক্ত ব্যয় চাপলে দরিদ্র শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়া আরও কঠিন হতে পারে।

শিক্ষার বাণিজ্যিকীকরণ সমস্যা সমাধানে পদক্ষেপ হওয়া উচিত ফি ও অতিরিক্ত চার্জে স্বচ্ছতা আনা। প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকে ভর্তি, মাসিক বেতন, পরীক্ষা, পরিবহন ও অন্যান্য খাতের ফি-তালিকা প্রকাশ করতে হবে। কোনো নতুন চার্জ নেওয়ার আগে তার কারণ ও পরিমাণ অভিভাবকদের জানাতে হবে। অভিযোগ জানানোর সহজ ও নিরাপদ ব্যবস্থা এবং অভিযোগ নিষ্পত্তির নির্দিষ্ট সময়সীমা থাকা দরকার। অনিয়মের অভিযোগ উঠলে নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনে হিসাব নিরীক্ষা করতে হবে। কোনো অভিযোগ প্রমাণিত হলে নিয়ম অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে, পাশাপাশি যে দুর্বল নিয়ম বা তদারকির অভাবে অনিয়ম সম্ভব হয়েছে, সেটিও সংশোধন করতে হবে।

শ্রেণিকক্ষের শিক্ষাকে এমনভাবে শক্তিশালী করতে হবে, যাতে শিক্ষার্থীরা মূল পাঠ বিদ্যালয়েই বুঝতে পারে। যোগ্যতার ভিত্তিতে শিক্ষক নিয়োগ, বিষয়ভিত্তিক প্রশিক্ষণ, প্রয়োজনীয় শিক্ষাসামগ্রী এবং সম্মানজনক কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করা জরুরি। শিক্ষকসংকট ও অতিরিক্ত বড় শ্রেণিকক্ষ থাকলে পিছিয়ে থাকা শিক্ষার্থীদের আলাদা করে সহায়তা দেওয়া কঠিন। নিয়মিতভাবে পড়া, লেখা ও গণিতের দক্ষতা যাচাই করে বিদ্যালয়ের মধ্যেই সহায়ক ক্লাস চালু করা যেতে পারে। কোচিংকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করলেই সমস্যা মিটবে না, শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার ঘাটতি থাকলে কোচিংয়ের চাহিদা থেকেই যাবে। তাই কার্যকর বিকল্প তৈরি করাই হবে স্থায়ী সমাধান।

দরিদ্র ও পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের জন্য লক্ষ্যভিত্তিক সহায়তা দরকার, যেমন উপবৃত্তি, বই ও শিক্ষাসামগ্রী, বিনা মূল্যের অতিরিক্ত পাঠ এবং প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের উপযোগী সুবিধা। সরকারি অর্থায়ন বাড়ানোর পাশাপাশি সেই অর্থ কীভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে, তা প্রকাশ করতে হবে। সিপিডির বাজেট বিশ্লেষণে ২০২৫–২৬ অর্থবছরে শিক্ষা খাতে বরাদ্দ মোট দেশজ উৎপাদনের প্রায় ১.৫৩ শতাংশ বলে উল্লেখ করা হয়েছে। সিপিডির বাজেট বিশ্লেষণ বরাদ্দ বাড়ানো গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু অর্থের ফলও মাপতে হবে: শিক্ষার্থীর শেখার উন্নতি হয়েছে কি না, শিক্ষকসংকট কমেছে কি না, এবং সহায়তা প্রকৃত প্রয়োজনের শিক্ষার্থীর কাছে পৌঁছেছে কি না। কোচিং ও প্রাইভেট টিউশনের ওপর নির্ভরতা কমানোর প্রস্তাবও এসেছে। ২০২৬ সালে প্রকাশিত খসড়া শিক্ষা আইনে ধাপে ধাপে প্রাইভেট টিউশন ও গাইডবই থেকে সরে আসার প্রস্তাবের কথা সংবাদমাধ্যমে জানানো হয়েছে। তবে এটি খসড়া প্রস্তাব চূড়ান্ত আইন বা বাস্তবায়িত নীতি নয়। সিপিডি ২০২৬–২৭ অর্থবছরের বাজেট বিশ্লেষণ প্রকাশ করেছে। তাদের হিসাবে, এই অর্থবছরে শিক্ষা খাতে বরাদ্দ ১ লাখ ২২ হাজার ৪৯৫ কোটি টাকা, জাতীয় বাজেটের ১৩.০৬% এবং জিডিপির ১.৭৯%। সিপিডি বলেছে, এটি আগের বছরের প্রস্তাবিত বরাদ্দের তুলনায় ২৮% বেশি। শিক্ষার মানোন্নয়ন সফল হবে তখনই, যখন বিদ্যালয়ে মানসম্মত পাঠ, অতিরিক্ত সহায়তা এবং ন্যায্য মূল্যায়নের ব্যবস্থা থাকবে। বিকল্প না দিয়ে কোচিং বন্ধ করলে সমস্যার চাপ শিক্ষার্থী ও পরিবারের ওপরই পড়তে পারে।

শিক্ষার বাণিজ্যিকীকরণ একক কোনো পদক্ষেপে রোধ করা সম্ভব নয়। সরকারকে ফি-নিয়ন্ত্রণ, তদারকি, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির নীতি কার্যকর করতে হবে, প্রতিষ্ঠানকে সেবার মান ও অর্থের হিসাব প্রকাশ করতে হবে, শিক্ষককে শ্রেণিকক্ষের শেখাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার পরিবেশ দিতে হবে। অভিভাবকদেরও অযৌক্তিক নম্বরের চাপের বদলে শিক্ষার্থীর বোঝাপড়া ও মেধার বিকাশকে গুরুত্ব দিতে হবে। শিক্ষার্থীদের মতামত শুনতে হবে, কারণ কোন খরচ তাদের জন্য বাধা হচ্ছে এবং কোথায় তারা শিখতে পারছে না তা তারা সরাসরি জানাতে পারে। প্রতিটি সংস্কারের সঙ্গে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষ, সময়সীমা ও অগ্রগতি যাচাইয়ের পদ্ধতি যুক্ত থাকলে প্রতিশ্রুতি বাস্তবে রূপ নেওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে।

শিক্ষা অর্থের বিনিময়ে সেবা দেওয়ার ক্ষেত্র হতে পারে, কিন্তু তা যেন কেবল সামর্থ্যবানদের জন্য মানসম্মত সুযোগে পরিণত না হয়। কোচিং, টিউশন, গাইডবই ও অস্পষ্ট ফি ছাড়া ভালোভাবে শেখা কঠিন হলে শিক্ষার অধিকার অসম হয়ে পড়ে। তাই শিক্ষাকে পরিবারের সামর্থ্য যাচাইয়ের বাজারে পরিণত হতে দেওয়া যাবে না। স্বচ্ছ ফি, মানসম্মত শ্রেণিকক্ষ, দরিদ্র শিক্ষার্থীদের সহায়তা, নিরপেক্ষ তদন্ত এবং কার্যকর জবাবদিহির মাধ্যমে শিক্ষার বাণিজ্যিক চাপ কমাতে হবে। শিক্ষার মূল লক্ষ্য হবে শিক্ষার্থীর শেখা ও মেধার বিকাশ এই নীতি বাস্তবে প্রতিষ্ঠা করতেই শিক্ষার বাণিজ্যিকীকরণ রোধে কার্যকর পদক্ষেপ জরুরি।

[লেখক পরিচিতি :
লায়ন মোঃ গনি মিয়া বাবুল
(শিক্ষক, কবি, কলাম লেখক, সমাজসেবক ও সংগঠক),lionganibabul@gmail.com]

Tags: শিক্ষার
Abdul Halim Nisun

Abdul Halim Nisun

Next Post
রেইনট্রি গাছে হাজারো অতিথি পাখির দেখা মিলছে

রেইনট্রি গাছে হাজারো অতিথি পাখির দেখা মিলছে

Recommended

আপনাদের পাশে থেকে সেবা করার সুযোগ দিন: কাজী মনু

আপনাদের পাশে থেকে সেবা করার সুযোগ দিন: কাজী মনু

6 years ago
হোন্ডা ইউনিয়ন ১ হাজার পরিবার পেল মানবিক সহায়তা

হোন্ডা ইউনিয়ন ১ হাজার পরিবার পেল মানবিক সহায়তা

6 years ago

জনপ্রিয় খবর

  • বাংলাদেশি শেফের বিশ্বজুড়ে পরিচিতি

    বাংলাদেশি শেফের বিশ্বজুড়ে পরিচিতি

    0 shares
    Share 0 Tweet 0
  • সুন্দরগঞ্জ আ’লীগ নেতা মজিবর রহমানসহ গ্রেপ্তার ৩

    0 shares
    Share 0 Tweet 0
  • সুন্দরগঞ্জ আগুনে পুড়লো ৩০ লাখ টাকার সম্পদ

    0 shares
    Share 0 Tweet 0
  • শিক্ষার বাণিজ্যিকীকরণ রোধে কার্যকর পদক্ষেপ জরুরি

    0 shares
    Share 0 Tweet 0
  • কাঁচপুর কিশোর গ্যাংয়ের হামলায় গুরুতর আহত নাদিম

    0 shares
    Share 0 Tweet 0

Connect with us

Facebook Twitter Youtube RSS

প্রধান কার্যালয়

ডেইলি সকালের কাগজ

২১, রাজউক এভিনিউ, পরিবহণ ভবন (৬ষ্ঠ তলা)
মতিঝিল, ঢাকা-১০০০।
মোবাইল: ০১৭৩৯৪১৭৫২৪, ০১৯৪৩৩৩৬৮১৩

সম্পাদক ও প্রকাশক

আব্দুল হালিম নিশান

ইমেইল: dailysokalerkagoj@gmail.com
বার্তা বিভাগ : হাজী নেকবর আলী সুপার মার্কেট,পঞ্চম তলা,চিটাগাংরোড ,নারায়ণগঞ্জ ।
ds.kagoj@gmail.com

প্রধান উপদেষ্টা

মো: রূপালী খান

ব্যবস্থাপক : মো: মহিবুল্লাহ লিটন।
সহকারী সম্পাদক : মো: আরিফ বিল্লাহ ডালিম।
সহকারী সম্পাদক : রাজিবুল হাসান ।

© 2023 ALL RIGHTS RESERVED | DAILYSOKALERKAGOJ.COM.

No Result
View All Result
  • হোম
  • বাংলাদেশ
    • জাতীয়
    • এক্সক্লুসিভ
    • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • দেশজুড়ে
    • ঢাকা
    • চট্টগ্রাম
    • খুলনা
    • রাজশাহী
    • সিলেট
    • বরিশাল
    • ময়মনসিংহ
    • রংপুর
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
    • বিশ্বকাপ
    • ক্রিকেট
    • ফুটবল
    • টেনিস
    • হকি
  • অর্থনীতি
    • বিশ্ব অর্থনীতি
    • বিজনেস বিশেষ
    • শেয়ার বাজার
    • ব্যবসা-বাণিজ্য
    • ব্যাংক-বীমা
  • আরো সংবাদ
    • লাইফস্টাইল
      • রেসিপি ও রেস্তোরা
      • ফ্যাশন
      • রুপচর্চা
      • অন্যান্য
    • বিচিত্র জগত
    • শিক্ষাঙ্গন
    • সাহিত্য
    • ধর্ম
    • স্বাস্থ্য
    • অপরাধ
    • দুর্ভোগ
    • নারী
    • মতামত
    • চাকুরি
    • প্রবাস
    • আইন আদালত
    • তথ্যপ্রযুক্তি

© 2023 ALL RIGHTS RESERVED | DAILYSOKALERKAGOJ.COM.

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In
ভাষা
  • <
  • <
  • <
  • <
  • <
  • <
  • <