সুমি আক্তার অভিযোগ করে বলেন, “একই এলাকার চাচা-শ্বশুর এমদাদ প্রধান ও তার পরিবারের সঙ্গে আমাদের জমি সংক্রান্ত বিরোধ দীর্ঘদিনের। গত ৪ আগস্ট এই বিরোধের জেরে আমার স্বামীকে মারধর করা হয়। আমি প্রতিবাদ করতে গেলে আমাকেও মারধর করে গুরুতর আহত করা হয়। কিন্তু মামলা হওয়ার পরও আসামিদের গ্রেফতার করা হয়নি, উল্টো আমাদের পরিবারের সদস্যদের মিথ্যা অভিযোগে জড়িয়ে হয়রানি করা হচ্ছে।”
তিনি আরও জানান, “আমরা ভুক্তভোগী হয়েও এখন অভিযুক্ত হয়ে যাচ্ছি। গত ১০ অক্টোবর এমদাদ প্রধানের স্ত্রী সাজেদা পারভীন আমাদের পরিবারের সাত সদস্যের নামে মিথ্যা মারামারি ও চুরির অভিযোগ দায়ের করেছেন। অথচ আমাদের দায়ের করা মামলার মূল অভিযুক্ত প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ালেও পুলিশ তাকে গ্রেফতার করছে না।”
সুমি আক্তার অভিযোগ করেন, প্রশাসনের একাংশ প্রভাবিত হয়ে তাদের হয়রানি করছে, যা তাদের পরিবারকে ভয় ও অনিশ্চয়তার মধ্যে ফেলেছে।




