সিদ্ধিরগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
সিদ্ধিগঞ্জের চিটাগাংরোড রেন্টেকার অপজিট এলাকায় দুইজন চা দোকানীকে পাঁচ টাকার বিনিময় ছুরিকাঘাত করে গুরুত্বর ভাবে আহত করেন এক ধরনের উগ্রপন্থী সন্ত্রাসীরা। গত মঙ্গলবার (১৬ ফেব্রæয়ারি) সন্ধ্যা ৭ ঘটিকার সময় ক্ষুদ্র চা দোকানী দুই ভাই রায়হান খন্দকার (২৫) ও রিফাত খন্দকার (২২) পিতা মজিবুর রহমান খন্দকার, সাং সিদ্ধিরগঞ্জ হাউজিং, শরিফ মিয়ার বাড়ির ভাড়াটিয়াকে এলাকার উগ্রপন্থী সন্ত্রাসীরা ন্যায্য মূল্য সিগারেটের পাঁচ টাকা কম দিবে কেদ্র করে ছুরিকাঘাত করে গুরুত্বর আঘাত করা হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, বিবাদী রহমান মুন্না(৪০) পিতা অজ্ঞাত ও মুন্না (৩০) পিতা অজ্ঞাত সন্ত্রাসীরা রায়হানের চা দোকানে ব্যঞ্চন সিগারেট ক্রয় করতে আসেন। যাহার ন্যায্য মূল্য ব্যঞ্চন সিগারেটের দাম ১৫ টাকা। ১৫ টাকা সিগারেটকে ১০ টাকা দিবে বলে বাকবিতান্ড করেন চা দোকানী রায়হানের সাথে। এক পর্যায় রায়হান সিগারেটের সঠিক মূল্য চাইতে গেলে। রহমান মুন্না ও মুন্না বলেন টাকা নিয়ে আসতে আছি বলে চলে যায়। ঘটনার কিছুক্ষন পরে তাঁদের নেতৃত্বে আরো অজ্ঞাত ১৫/২০ সন্ত্রাসীরা এসে প্রথমে রায়হান নামের চা দোকানীকে ছুরিকাঘাত করে শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুত্বর জখম করেন তাঁরা। এবং দ্বিতীয় ভাই রিফাতকে ছুরিকাঘাত কালে পাশ্ববর্তী লোক ঘটনা স্থলে ছুটে আসলে তাঁরা দৌঁড়ঝাঁপ মেরে পালিয়ে যান। পরবর্তী সময়ে স্থানীয়দের সহযোগীতায় চিটাগাংরোড ‘সুগন্ধ্যা হসপিটালে’ প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে অসুস্থ্য রায়হানকে ফেরত দেন ডাক্তার। এবং ডাক্তার এর পরামর্শ মতে ‘ঢাকা মেডিকেল কলেজ’ ঢামেকে ভর্তি করেন তাঁদের পরিবারের সদস্যরা। এক পর্যায় ঢাকা মেডিকেলে প্রথমিক চিকিৎসা শেষে বাড়িতে নিয়ে আসেন। জানাগেছে চিকিৎসার জন্য মোটা অংকের অর্থের প্রয়োজন রায়হানের। তাই রায়হান অর্থের অভাবে ভালো ভাবে চিকিৎসা করা সম্ভব হয়নি। এধরনের অর্থ তাঁদের পরিবারের সমর্থন নেই বলে। অসুস্থ্য রায়হান এখন মৃত্যু’র সাথে পাঞ্জা নড়ছেন তাঁর বসত ঘরে।
এবিষয়ে অসুস্থ্য রিফাত সাংবকাদিকদের জানান, আমরা প্রায় এক বৎসর ধরে এখানে চা দোকানের ব্যবসা-বাণিজ্য করে থাকি। কোন সময় কাস্টমারের সাথে রাখাপ আচরণ করিনা। হঠাৎ গত ১৬/২/২১ তারিখ সন্ধ্যা ৭ ঘটিকার সময় দুইজন কাস্টমার রহমান মুন্না ও মুন্না ব্যঞ্চন‘সিগারেট’ কিনতে আসেন। যার ন্যায্য মূল্য বাজার দরে ১৫ টাকা কিন্তু তাঁরা দশ টাকা দিবে বলে। এনিয়ে আমাদের সাথে তুমুল বাকবিতান্ড করেন। এক পর্যায় তাঁরা বলেন ঠিক আছে টাকা নিয়ে আসতে আছি অপেক্ষ করো। কিছুক্ষন পরে তাঁদের নেতৃত্বে ১৫/২০ জনের একটি সন্ত্রাসী চক্র এসে প্রথমে আমার ভাই রায়হানকে ছুরিকাঘাত করে শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুত্বর ভাবে আহত করেন। এবং আমাকে আঘাত কালে লোকজন আসাতে তাঁরা ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। এক পর্যায় আমি আমার ভাইকে আমি নিজে অসুস্থ থেকেও ‘সুগন্ধ্যা হসপিটাল‘ প্রথমিক চিকিৎসা শেষে। ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে যাই। সেখানে ডাক্তার মোটা অংকের অর্থ চাওয়াতে, আমাদের পক্ষে চিকিৎসা করা সম্ভাব হয়নি। এখন আমার ভাই রায়হান তাঁর মুক্তিনগর এলাকায় মাদ্রাসার সংলগ্নে তাঁর ভাড়াটিয়া বাসায় আছেন। তিনি এখনো চিকিৎসার অভাবে গুরুত্বর অসুস্থ্য আছেন। এবং এবিষয়ে আমি সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় নিজে হাজির হয়ে মামলার উদ্দেশ্য যাই। কিন্তু ডিউটিরত পুলিশ সদস্যরা আমাকে একটি জিডি করে কপি ধরিয়ে দেন। যাহার জিডি নং ১১২০ তারিখ ১৬/০২/২০২১। এখনো আমরা গরিব বলে কোন প্রকার পুলিশের আইনগত সহযোগীতা পাইনি বলে জানান রিফাত।
সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো: মশিউর রহমান জানান, উক্ত ঘটনার বিষয়ে আমার কিছু জানা নেই। তবে এধরনের ঘটনার কোন প্রকার যদি কেহ স্বীকার হয়ে থাকেন। তাহলে আমি আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবো বলে জানান তিনি।




