সভায় বক্তাগন বলেন, প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনুস গংয়ের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার রাষ্ট্র ক্ষমতায় একবছর পার করছে। দ্রুত নির্বাচন দিয়ে নির্বাচিত সরকারের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করার মধ্যবর্তী সময়ে সংবিধানের ১০৬ ধারা অনুযায়ী সুপ্রিম কোর্টের রেফারেন্স এই অন্তর্বর্তীকালীন সরকার রাষ্ট্রপতির নিকট শপথ নেয়। স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনের সকল অংশীজন মৌলিক কিছু সংস্কার ও গণহত্যার বিচার শুরু করার দাবী করে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাছে। প্রথমে ছয়টি সংস্কার কমিশন গঠন করা হলে গণতান্ত্রিক বাম ঐক্য জোটসহ সকল অংশীজন সবধরনের সহযোগিতা করে। পরবর্তীতে জাতীয় ঐক্যমত্য কমিশন গঠিত হলে সকল অংশীজনের সাথে গণতান্ত্রিক বাম ঐক্য জোট অংশ নেয়। সময়ের সাথে সাথে স্পষ্ট হয় জাতীয় ঐক্যমত্য কমিশন মুক্তিযুদ্ধ স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব সংবিধান নিয়ে ছিনিমিনি খেলা শুরু করেছে। ৩০ লক্ষ শহীদের রক্তে লেখা সংবিধানের চার মূলনীতি কে মুজিববাদী ট্যাগ লাগিয়ে ছুঁড়ে ফেলে দেওয়া ককবর দেওয়ার আস্ফালন দেখাচ্ছে। বাংলাদেশ রাষ্ট্রের মীমাংসিত বিষয় কে প্রশ্নবিদ্ধ করছে। সর্বোপরি প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি কে কোনঠাসা করে স্বাধীনতা বিরোধী যুদ্ধাপরাধী সাম্প্রদায়িক জঙ্গি অপশক্তি কে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় উত্থান ঘটানো হচ্ছে । জাতীয় ঐক্যমত্য কমিশনের বেশির ভাগ বিদেশি পাসপোর্টধারী ভাড়াটে এঁরা জুলাই গণঅভ্যুত্থান ধারণ করে না। ফ্যাসিবাদের ইতিহাস গৌরবময় কোন বিষয় কে পুঁজি করে জনগণের সাথে প্রতারনা করে ক্ষমতা কে কুক্ষিগত করে রাখা। জুজুর ভয় দেখিয়ে বিরোধী দল ও ভিন্নমত কে গুম খুন করে আইনি বৈধতা দেওয়া। বিগত স্বৈরাচার আমাদের গৌরবোজ্জ্বল মুক্তিযুদ্ধের চেতনা পুঁজি করে এই কাজটি করেছিল।
ড. ইউনুস গং জুলাই যোদ্ধা কে পুঁজি করে অতীতের ফ্যাসিস্টের মতো আচরণ শুরু করেছে, তারা ক্ষমতায় না থাকলে ফ্যাসিস্ট ফিরে আসার জুজুর ভয়ও দেখাচ্ছে। বিগত স্বৈরাচার মুক্তিযুদ্ধের চেতনা কে পণ্যে পরিনত করেছিল তদ্রুপ অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ২৪ গণঅভ্যুত্থােেনর জুলাই যোদ্ধা কে পণ্যে পরিনত করেছে।




