• About
  • Advertise
  • Careers
শুক্রবার, আগস্ট ২১, ২০২৬
  • Login
NEWSLETTER
ডেইলি সকালের কাগজ
  • হোম
  • বাংলাদেশ
    • জাতীয়
    • এক্সক্লুসিভ
    • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • দেশজুড়ে
    • ঢাকা
    • চট্টগ্রাম
    • খুলনা
    • রাজশাহী
    • সিলেট
    • বরিশাল
    • ময়মনসিংহ
    • রংপুর
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
    • বিশ্বকাপ
    • ক্রিকেট
    • ফুটবল
    • টেনিস
    • হকি
  • অর্থনীতি
    • বিশ্ব অর্থনীতি
    • বিজনেস বিশেষ
    • শেয়ার বাজার
    • ব্যবসা-বাণিজ্য
    • ব্যাংক-বীমা
  • আরো সংবাদ
    • লাইফস্টাইল
      • রেসিপি ও রেস্তোরা
      • ফ্যাশন
      • রুপচর্চা
      • অন্যান্য
    • বিচিত্র জগত
    • শিক্ষাঙ্গন
    • সাহিত্য
    • ধর্ম
    • স্বাস্থ্য
    • অপরাধ
    • দুর্ভোগ
    • নারী
    • মতামত
    • চাকুরি
    • প্রবাস
    • আইন আদালত
    • তথ্যপ্রযুক্তি
ডেইলি সকালের কাগজ
  • হোম
  • বাংলাদেশ
    • জাতীয়
    • এক্সক্লুসিভ
    • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • দেশজুড়ে
    • ঢাকা
    • চট্টগ্রাম
    • খুলনা
    • রাজশাহী
    • সিলেট
    • বরিশাল
    • ময়মনসিংহ
    • রংপুর
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
    • বিশ্বকাপ
    • ক্রিকেট
    • ফুটবল
    • টেনিস
    • হকি
  • অর্থনীতি
    • বিশ্ব অর্থনীতি
    • বিজনেস বিশেষ
    • শেয়ার বাজার
    • ব্যবসা-বাণিজ্য
    • ব্যাংক-বীমা
  • আরো সংবাদ
    • লাইফস্টাইল
      • রেসিপি ও রেস্তোরা
      • ফ্যাশন
      • রুপচর্চা
      • অন্যান্য
    • বিচিত্র জগত
    • শিক্ষাঙ্গন
    • সাহিত্য
    • ধর্ম
    • স্বাস্থ্য
    • অপরাধ
    • দুর্ভোগ
    • নারী
    • মতামত
    • চাকুরি
    • প্রবাস
    • আইন আদালত
    • তথ্যপ্রযুক্তি
No Result
View All Result
ডেইলি সকালের কাগজ
Home আরো সংবাদ শিক্ষাঙ্গন

শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়া রোধে প্রয়োজন কার্যকর পদক্ষেপ

by Abdul Halim Nisun
আগস্ট ১৯, ২০২৬
in শিক্ষাঙ্গন, সম্পাদকীয়
0
শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়া রোধে প্রয়োজন কার্যকর পদক্ষেপ
0
SHARES
0
VIEWS
Share on FacebookShare on TwitterShare on Pinterest
লায়ন মোঃ গনি মিয়া বাবুল-¤
শিশুকে বিদ্যালয়ে ভর্তি করানো যতটা গুরুত্বপূর্ণ, তার চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ তাঁকে শিক্ষাজীবনের শেষ পর্যন্ত ধরে রাখা। কারণ বিদ্যালয়ে ভর্তি হলেই শিক্ষার অধিকার নিশ্চিত হয় না। শিক্ষার প্রকৃত সাফল্য তখনই আসে, যখন একজন শিক্ষার্থী বাধাহীনভাবে শিক্ষা গ্রহণ করে নিজেকে দক্ষ ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে পারে। অথচ বাস্তবতা হলো, দেশের অনেক শিক্ষার্থী প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়েই নানা কারণে পড়াশোনা থেকে ছিটকে পড়ছে। এই ঝরে পড়া শুধু শিক্ষা খাতের একটি পরিসংখ্যান নয়, এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে দেশের ভবিষ্যৎ মানবসম্পদ, দারিদ্র্য বিমোচন, কর্মসংস্থান এবং সামাজিক স্থিতিশীলতার প্রশ্ন।
 শিক্ষার্থী যখন বিদ্যালয় ছেড়ে দেয়, তখন তাঁর জীবনের একটি সম্ভাবনাময় পথ সংকুচিত হয়ে যায়। যে শিশু ভবিষ্যতে দক্ষ পেশাজীবী, উদ্যোক্তা, শিক্ষক, প্রকৌশলী কিংবা উৎপাদনশীল নাগরিক হতে পারত, সে অদক্ষ শ্রমবাজারে প্রবেশ করে। ফলে ব্যক্তি তার সম্ভাবনা হারায়, পরিবার হারায় ভবিষ্যতের একটি শক্তিশালী অবলম্বন এবং রাষ্ট্র হারায় একজন সম্ভাবনাময় মানবসম্পদ। তাই শিক্ষার্থী ঝরে পড়া রোধকে কেবল শিক্ষা বিভাগের দায়িত্ব হিসেবে দেখার সুযোগ নেই, এটি জাতীয় উন্নয়নের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শর্ত।
শিক্ষার্থী ঝরে পড়ার পেছনে সবচেয়ে বড় কারণগুলোর একটি হলো পরিবারের অর্থনৈতিক সংকট। নিম্নআয়ের পরিবারের কাছে সন্তানের শিক্ষার সঙ্গে যুক্ত প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ব্যয় অনেক সময় বড় বোঝা হয়ে দাঁড়ায়। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে বই পাওয়া গেলেও পোশাক, যাতায়াত, শিক্ষা উপকরণ, পরীক্ষা, ব্যক্তিগত প্রয়োজনসহ বিভিন্ন খরচ পরিবারকে বহন করতে হয়। এর পাশাপাশি পরিবারের আয় বাড়ানোর চাপ তৈরি হলে কিশোর-কিশোরীদের অনেকেই পড়াশোনা বাদ দিয়ে কাজে যুক্ত হয়। এই বাস্তবতায় শুধু বিনামূল্যে পাঠ্যবই দিয়ে শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে ধরে রাখা সম্ভব নয়। দরিদ্র পরিবারের শিক্ষার্থীদের জন্য উপবৃত্তি ও অন্যান্য সহায়তা আরও লক্ষ্যভিত্তিক করতে হবে। যে পরিবারের আয় কমে গেলে সন্তানকে কাজে পাঠানোর ঝুঁকি তৈরি হয়, সেই পরিবারকে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় এনে শিক্ষার সঙ্গে যুক্ত রাখা প্রয়োজন।
অর্থাৎ শিক্ষার্থী ঝরে পড়া রোধ করতে হলে শিক্ষানীতি ও সামাজিক সুরক্ষা নীতিকে পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত করতে হবে।
শিশুশ্রম শিক্ষার্থী ঝরে পড়ার অন্যতম বড় কারণ। পরিবারে অর্থের প্রয়োজন হলে শিশুকে কাজে পাঠানো অনেক সময় অভিভাবকের কাছে বাস্তবসম্মত সিদ্ধান্ত বলে মনে হয়। কিন্তু স্বল্পমেয়াদে কিছু আয় এলেও দীর্ঘমেয়াদে এর মূল্য দিতে হয় পুরো পরিবারকে। অল্প বয়সে শিক্ষা থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়া শিশুর দক্ষতা ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সীমিত থাকে। ফলে সে ভবিষ্যতেও কম মজুরির অনিশ্চিত কাজে আটকে পড়ার ঝুঁকিতে থাকে। তাই শিশুশ্রম বন্ধে শুধু আইন প্রয়োগ করলেই হবে না। যে পরিবার অর্থনৈতিক সংকটে শিশুকে কাজে পাঠাচ্ছে, সেই পরিবারের জন্য বিকল্প সহায়তার ব্যবস্থা করতে হবে। একই সঙ্গে কর্মক্ষেত্রে শিশুশ্রমের বিরুদ্ধে কঠোর নজরদারি এবং আইন প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে।
মেয়েশিশুর শিক্ষাজীবন বাধাগ্রস্ত হওয়ার ক্ষেত্রে বাল্যবিবাহ এখনও বড় সমস্যা। একটি মেয়ের পড়াশোনা বন্ধ করে বিয়ে দিয়ে দেওয়া শুধু তার শিক্ষার অধিকার কেড়ে নেয় না, তার স্বাস্থ্য, অর্থনৈতিক স্বাধীনতা ও ভবিষ্যৎ সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতাকেও সংকুচিত করে। বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে আইন থাকলেও বাস্তব প্রয়োগে অনেক ক্ষেত্রে দুর্বলতা দেখা যায়। কোনো কিশোরী হঠাৎ বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত হলে বিষয়টি বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের নজরে আসা উচিত। স্থানীয় প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক ও অভিভাবকদের সমন্বয়ে ঝুঁকিপূর্ণ শিক্ষার্থীদের বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে। মেয়েদের শিক্ষায় ধরে রাখতে নিরাপদ যাতায়াত, স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটেশন, বিদ্যালয়ে নিরাপদ পরিবেশ এবং যৌন হয়রানি প্রতিরোধের কার্যকর ব্যবস্থা নিশ্চিত করাও জরুরি।
শিক্ষার্থীর বিদ্যালয়ে যাওয়ার আগ্রহের সঙ্গে শিক্ষার মানের সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে। পাঠদান যদি একঘেয়ে হয়, শিক্ষার্থী যদি পাঠ বুঝতে না পারে, দুর্বল শিক্ষার্থী যদি প্রয়োজনীয় সহায়তা না পায় কিংবা শিক্ষক-শিক্ষার্থীর সম্পর্ক যদি ভীতিকর হয়, তাহলে ধীরে ধীরে বিদ্যালয়ের প্রতি আগ্রহ কমে যেতে পারে। দুর্বল ফলাফলের কারণে কোনো শিক্ষার্থীকে অপমান করা বা অন্যদের সামনে ছোট করা তার শিক্ষাজীবনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। বরং কেন সে পিছিয়ে পড়ছে, তা চিহ্নিত করে অতিরিক্ত সহায়তা দিতে হবে। শিক্ষকের দায়িত্ব শুধু পাঠ শেষ করা নয়, কোন শিক্ষার্থী শেখার ক্ষেত্রে পিছিয়ে যাচ্ছে এবং কোন শিক্ষার্থী বিদ্যালয় ছাড়ার ঝুঁকিতে রয়েছে, তা শনাক্ত করাও শিক্ষকের দায়িত্বের অংশ হওয়া উচিত।
আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থায় একটি বড় দুর্বলতা হলো, কোনো শিক্ষার্থী বিদ্যালয় ছেড়ে দেওয়ার পর বিষয়টি গুরুত্ব পায়। অথচ ঝরে পড়া সাধারণত একদিনে ঘটে না। একজন শিক্ষার্থী প্রথমে নিয়মিত অনুপস্থিত হতে শুরু করে, ফলাফল খারাপ হয়, বিদ্যালয়ের কার্যক্রমে অংশগ্রহণ কমে যায় এবং একসময় পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। এই ধারাবাহিক পরিবর্তনগুলো আগেই শনাক্ত করা গেলে অনেক শিক্ষার্থীকে ঝরে পড়া থেকে রক্ষা করা সম্ভব। প্রতিটি বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি, ফলাফল ও আচরণগত পরিবর্তনের তথ্য নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা প্রয়োজন। কোনো শিক্ষার্থী ধারাবাহিকভাবে অনুপস্থিত থাকলে তার পরিবারে যোগাযোগ করতে হবে। সমস্যাটি যদি আর্থিক হয়, সহায়তার ব্যবস্থা করতে হবে। পারিবারিক সমস্যা হলে কাউন্সেলিং দিতে হবে। বাল্যবিবাহ বা শিশুশ্রমের ঝুঁকি থাকলে স্থানীয় প্রশাসনকে সম্পৃক্ত করতে হবে। ঝরে পড়ার পর শিক্ষার্থীকে খোঁজা নয়, ঝরে পড়ার আগেই তাকে ধরে রাখাই হওয়া উচিত নীতির মূল লক্ষ্য।
আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো শিক্ষার সঙ্গে ভবিষ্যৎ জীবনের সম্পর্ক স্পষ্ট করা। বিশেষ করে নিম্নআয়ের পরিবারের অনেক শিক্ষার্থী দীর্ঘদিন পড়াশোনা করার পরিবর্তে দ্রুত আয় করার পথ বেছে নিতে চায়। তাদের কাছে যদি শিক্ষা শুধু পরীক্ষায় পাস করার বিষয় হয়ে দাঁড়ায়, তাহলে বিদ্যালয়ে থাকার প্রেরণা কমে যেতে পারে।
এ কারণে সাধারণ শিক্ষার পাশাপাশি কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষার সুযোগ বাড়ানো প্রয়োজন। বিদ্যালয় পর্যায় থেকেই শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন ব্যবহারিক দক্ষতা, প্রযুক্তি, যোগাযোগ দক্ষতা ও কর্মজীবনের সম্ভাবনা সম্পর্কে ধারণা দেওয়া যেতে পারে। শিক্ষা যদি একজন শিক্ষার্থীকে ভবিষ্যৎ জীবনের জন্য প্রস্তুত করে, তাহলে পড়াশোনা তার কাছে শুধু বাধ্যবাধকতা নয়, বিনিয়োগ হিসেবে বিবেচিত হবে।
শিক্ষার্থী ঝরে পড়ার কারণ শুধু বিদ্যালয়ের ভেতরে খুঁজলে সমস্যার পূর্ণ চিত্র পাওয়া যাবে না। পরিবারের ভূমিকা এখানে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অনেক অভিভাবক সন্তানের পড়াশোনার অগ্রগতি সম্পর্কে যথেষ্ট খোঁজ রাখেন না। কেউ কেউ আবার আর্থিক সমস্যার কারণে ছেলে-মেয়ের শিক্ষাকে দ্বিতীয় অগ্রাধিকার দেন। অভিভাবকদের বোঝাতে হবে যে শিশুকে অল্প বয়সে কাজে পাঠানো বা বিয়ে দেওয়া তাৎক্ষণিক সমস্যার সমাধান মনে হলেও ভবিষ্যতে এটি পরিবারকে আরও বেশি ঝুঁকির মধ্যে ফেলতে পারে। বিদ্যালয়ের অভিভাবক সভাগুলোকে আনুষ্ঠানিকতা থেকে বের করে কার্যকর করতে হবে। সেখানে শুধু পরীক্ষার ফল নয়, শিক্ষার্থীর উপস্থিতি, মানসিক অবস্থা, পড়াশোনায় দুর্বলতা এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়েও আলোচনা হওয়া উচিত।
চর, হাওর, পাহাড়ি ও প্রত্যন্ত অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের বাস্তবতা শহরের শিক্ষার্থীদের মতো নয়। দীর্ঘ দূরত্ব, যাতায়াতের সমস্যা, বিদ্যালয়ের স্বল্পতা, শিক্ষক সংকট এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগ তাদের শিক্ষাজীবনকে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ করে। তাই সব এলাকার জন্য একই ধরনের ব্যবস্থা কার্যকর হবে এমন ধারণা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। দুর্গম অঞ্চলে প্রয়োজন অনুযায়ী পরিবহন, আবাসিক সুবিধা, পর্যাপ্ত শিক্ষক এবং বিকল্প শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে। দুর্যোগের কারণে শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ হলে যাতে শিক্ষার্থীরা দীর্ঘদিন পিছিয়ে না পড়ে, তার জন্য দ্রুত পুনরুদ্ধার পরিকল্পনা থাকা দরকার।
শিক্ষার্থী ঝরে পড়া রোধে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন সঠিক তথ্য। কোন এলাকায় কত শিক্ষার্থী ঝরে পড়ছে, কোন বয়সে বেশি ঝরে পড়ছে, ছেলে ও মেয়েদের ক্ষেত্রে কারণ কী, দারিদ্র্য কতটা ভূমিকা রাখছে, শিশুশ্রম ও বাল্যবিবাহের প্রভাব কতটা, এসব তথ্য নিয়মিত বিশ্লেষণ না করলে কার্যকর নীতি তৈরি করা কঠিন। প্রকল্প গ্রহণ ও অর্থ বরাদ্দের পাশাপাশি তার ফলাফলও মূল্যায়ন করতে হবে। শুধু কতটি বিদ্যালয় নির্মাণ হলো, কতটি বই বিতরণ হলো কিংবা কত টাকা বরাদ্দ হলো, তা দিয়ে সাফল্য মাপা যাবে না। দেখতে হবে কতজন শিক্ষার্থী বিদ্যালয়ে টিকে থাকল, কতজন ঝরে পড়া থেকে ফিরে এল এবং শিক্ষার মান কতটা উন্নত হলো। এখানে জবাবদিহি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সরকারের পাশাপাশি স্থানীয় প্রশাসন, বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এবং সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে তাদের দায়িত্বের জন্য জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে।
শিক্ষার্থী ঝরে পড়া একটি দেশের জন্য নীরব কিন্তু গভীর সংকট। এটি আজ একজন শিশুর শিক্ষাজীবন থামিয়ে দেয়, আগামীকাল তার কর্মসংস্থান ও জীবনমানকে প্রভাবিত করে এবং পরবর্তী সময়ে দেশের মানবসম্পদ উন্নয়নকে দুর্বল করে। তাই এই সমস্যাকে আর বিচ্ছিন্ন শিক্ষা সমস্যা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। দারিদ্র্য দূরীকরণ, শিশুশ্রম প্রতিরোধ, বাল্যবিবাহ বন্ধ, শিক্ষার ব্যয় কমানো, বিদ্যালয়ের পরিবেশ উন্নত করা, মানসম্মত পাঠদান নিশ্চিত করা এবং ঝরে পড়ার ঝুঁকিতে থাকা শিক্ষার্থীদের আগেই শনাক্ত করা, সবগুলো পদক্ষেপকে একই কাঠামোর মধ্যে আনতে হবে। পাশাপাশি কারিগরি শিক্ষার প্রসার এবং শিক্ষাকে কর্মজীবনের সঙ্গে যুক্ত করার উদ্যোগও জোরদার করতে হবে।
একজন শিক্ষার্থী ঝরে পড়ার অর্থ শুধু একটি শ্রেণিকক্ষ থেকে একটি চেয়ার খালি হওয়া নয়, এর অর্থ একটি সম্ভাবনার অপচয়। যে রাষ্ট্র তার প্রতিটি শিশুর সম্ভাবনাকে রক্ষা করতে পারে, সেই রাষ্ট্রই দীর্ঘমেয়াদে দক্ষ, উৎপাদনশীল ও মানবিক সমাজ গড়ে তুলতে পারে। তাই লক্ষ্য হওয়া উচিত শুধু সব শিশুকে বিদ্যালয়ে আনা নয়, কোনো শিশুকে বিদ্যালয় থেকে ঝরে পড়তে না দেওয়া। এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে এখনই সমন্বিত, তথ্যভিত্তিক ও জবাবদিহিমূলক পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।  আজকের শিক্ষার্থীই আগামী দিনের বাংলাদেশ, শিক্ষার্থীদের  শিক্ষাজীবন রক্ষা করা মানেই দেশের ভবিষ্যৎ রক্ষা করা। তাই শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়া রোধে প্রয়োজন কার্যকর পদক্ষেপ ও তা বাস্তবায়নে  সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টা।
[লেখক পরিচিতি :
লায়ন মোঃ গনি মিয়া বাবুল
(শিক্ষক, কবি, কলাম লেখক, সমাজসেবক ও সংগঠক) lionganibabul@gmail.com]
Tags: শিক্ষার্থীদের
Abdul Halim Nisun

Abdul Halim Nisun

Next Post
দশমিনায় হল সুপারের বিরুদ্ধে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান

দশমিনায় হল সুপারের বিরুদ্ধে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান

Recommended

রানা প্লাজা শ্রমিক হত্যার ১২ বছর পরেও কর্মক্ষেত্রে জীবন হারানোর মিছিল থামেনি

রানা প্লাজা শ্রমিক হত্যার ১২ বছর পরেও কর্মক্ষেত্রে জীবন হারানোর মিছিল থামেনি

1 year ago
শিক্ষার্থীদের রক্তাক্ত পন্থায় দমন মুক্তিযুদ্ধের চেতনা পরিপন্থি : বাংলাদেশ ন্যাপ

শিক্ষার্থীদের রক্তাক্ত পন্থায় দমন মুক্তিযুদ্ধের চেতনা পরিপন্থি : বাংলাদেশ ন্যাপ

2 years ago

জনপ্রিয় খবর

  • বোদায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পুকুরে বাস, শিশুসহ আহত ১৯ 

    বোদায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পুকুরে বাস, শিশুসহ আহত ১৯ 

    0 shares
    Share 0 Tweet 0
  • নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলকে বাংলাদেশ ন্যাপ’র অভিনন্দন

    0 shares
    Share 0 Tweet 0
  • সুন্দরগঞ্জ ৭০ বছরের পুরোনো চলাচলের রাস্তা বাঁশের বেড়া দিয়ে বন্ধ

    0 shares
    Share 0 Tweet 0
  • বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে শহীদদের ৫ পরিবার’কে সহায়তা

    0 shares
    Share 0 Tweet 0
  • ফিল্ম ক্লাবের নির্বাচনে বিজয়ীদের দায়িত্ব গ্রহণ

    0 shares
    Share 0 Tweet 0

Connect with us

Facebook Twitter Youtube RSS

প্রধান কার্যালয়

ডেইলি সকালের কাগজ

২১, রাজউক এভিনিউ, পরিবহণ ভবন (৬ষ্ঠ তলা)
মতিঝিল, ঢাকা-১০০০।
মোবাইল: ০১৭৩৯৪১৭৫২৪, ০১৯৪৩৩৩৬৮১৩

সম্পাদক ও প্রকাশক

আব্দুল হালিম নিশান

ইমেইল: dailysokalerkagoj@gmail.com
বার্তা বিভাগ : হাজী নেকবর আলী সুপার মার্কেট,পঞ্চম তলা,চিটাগাংরোড ,নারায়ণগঞ্জ ।
ds.kagoj@gmail.com

প্রধান উপদেষ্টা

মো: রূপালী খান

ব্যবস্থাপক : মো: মহিবুল্লাহ লিটন।
সহকারী সম্পাদক : মো: আরিফ বিল্লাহ ডালিম।
সহকারী সম্পাদক : রাজিবুল হাসান ।

© 2023 ALL RIGHTS RESERVED | DAILYSOKALERKAGOJ.COM.

No Result
View All Result
  • হোম
  • বাংলাদেশ
    • জাতীয়
    • এক্সক্লুসিভ
    • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • দেশজুড়ে
    • ঢাকা
    • চট্টগ্রাম
    • খুলনা
    • রাজশাহী
    • সিলেট
    • বরিশাল
    • ময়মনসিংহ
    • রংপুর
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
    • বিশ্বকাপ
    • ক্রিকেট
    • ফুটবল
    • টেনিস
    • হকি
  • অর্থনীতি
    • বিশ্ব অর্থনীতি
    • বিজনেস বিশেষ
    • শেয়ার বাজার
    • ব্যবসা-বাণিজ্য
    • ব্যাংক-বীমা
  • আরো সংবাদ
    • লাইফস্টাইল
      • রেসিপি ও রেস্তোরা
      • ফ্যাশন
      • রুপচর্চা
      • অন্যান্য
    • বিচিত্র জগত
    • শিক্ষাঙ্গন
    • সাহিত্য
    • ধর্ম
    • স্বাস্থ্য
    • অপরাধ
    • দুর্ভোগ
    • নারী
    • মতামত
    • চাকুরি
    • প্রবাস
    • আইন আদালত
    • তথ্যপ্রযুক্তি

© 2023 ALL RIGHTS RESERVED | DAILYSOKALERKAGOJ.COM.

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In
ভাষা