নিজস্ব প্রতিবেদক-¤
৬০ জনের যাত্রী নিয়ে দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে বাস প্রবেশে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। এমন ঘটনায় ফায়ার সার্ভিসের সাথে সকল আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ক্রেনের মাধ্যমে ১০/১৫ জনের মৃত্যুদেহ উদ্ধার অভিযানের খবর পাওয়া গেছে।
বুধবার (২৫ মার্চ) বিকেলে রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরি ঘাটে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পদ্মা নদীতে বাস তলিয়ে যাওয়ার এ ঘটনা ঘটে।
রাজবাড়ী জেলা সিভিল সার্জন এস এম মাসুদ বলেন, গোয়ালন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দুই নারীর লাশ রয়েছে।
তবে তাৎক্ষণিকভাবে তাদের নাম-ঠিকানা জানাতে পারেননি সিভিল সার্জন।
কুষ্টিয়ার কুমারখালী থেকে ছেড়ে আসা বাসটি দৌলতদিয়া ঘাটে ফেরিতে ওঠার অপেক্ষায় ছিল। বুধবার বিকাল সোয়া ৫টার দিকে পন্টুন থেকে বাসটি নদীতে পড়ে তলিয়ে যায়।
বুধবার রাতে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সদরদপ্তর থেকে জানানো হয়েছে, ঢাকাগামী সৌহার্দ্য পরিবহনের বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীর আনুমানিক ৩০ ফুট গভীরে তলিয়ে যায়।
গোয়ালন্দ ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের একটি ইউনিট এবং আরিচা স্টেশনের একটি ডুবুরি ইউনিট উদ্ধার কাজ চালাচ্ছে। ঢাকা ও ফরিদপুর থেকে আরো দুটি ডুবুরি ইউনিট ঘটনাস্থলে যাচ্ছে।
বাসটি নদীতে পড়ে যাওয়ার বেশ কিছু ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়েছে। এর মধ্যে একটি ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে- বাসটি ফেরিতে ওঠার অপেক্ষায় পন্টুনে ছিল। ফেরিটি পন্টুনে যুক্ত ছিল। ফেরিতে যাত্রী ও যানবাহন ছিল। চলন্ত বাসটি মুহূর্তের মধ্যে পন্টুন থেকে নদীতে পড়ে যায়।
আরেকটি ভিডিওতে দেখা যায়, বাসটি পড়ার মুহূর্তে পন্টুন ও ফেরিতে থাকা লোকজন সেদিকে দৌঁড়ে যান। বাসটি ডুবে যাওয়ার পর সেখান থেকে কয়েকজন ভেসে ওঠেন। তখন পন্টুন ও ফেরিতে থাকা লোকজন তাঁদের দিকে রশি ও লাইফবয় ফেলেন। তারা সেটি দিয়ে ধরে ওঠে আসেন।




